TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বাড়ল কর-ছাড়ঃ অতিরিক্ত ৩ হাজার ২৫০ পাউন্ডের সুবিধা

যুক্তরাজ্যে গুরুতর দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য বড় ধরনের কর-সুবিধা ঘোষণা করেছে সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য ব্যক্তিরা এখন বছরে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৮২০ পাউন্ড পর্যন্ত আয় করমুক্ত রাখতে পারবেন। এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এই পরিবর্তনের ফলে আগের তুলনায় আরও বেশি আয় কর ছাড়াই রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে যুক্তরাজ্যে সাধারণ করমুক্ত আয়ের সীমা ১২ হাজার ৫৭০ পাউন্ড। এর সঙ্গে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য অতিরিক্ত ৩ হাজার ২৫০ পাউন্ড কর-ছাড় যোগ হওয়ায় মোট করমুক্ত আয়ের সীমা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৮২০ পাউন্ড। গত করবর্ষে এই অতিরিক্ত ভাতার পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ১৩০ পাউন্ড, যা এবার ১২০ পাউন্ড বাড়ানো হয়েছে।

ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে এই সুবিধা পেতে হলে আবেদনকারীকে স্থানীয় কাউন্সিলের কাছে অন্ধ বা গুরুতর দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকতে হবে। পাশাপাশি চিকিৎসকের দেওয়া দৃষ্টিশক্তি-সংক্রান্ত সনদ বা সমমানের নথিও জমা দিতে হবে। অন্যদিকে স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে দৃষ্টিশক্তির কারণে প্রয়োজনীয় কাজ করতে না পারলে এই সুবিধার জন্য আবেদন করা যাবে।

এই সুবিধার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, স্বামী-স্ত্রী বা নিবন্ধিত জীবনসঙ্গী উভয়েই যোগ্য হলে দুজনই আলাদাভাবে এই কর-ছাড় পাবেন। আবার কেউ নিজের পুরো ভাতা ব্যবহার করতে না পারলে অব্যবহৃত অংশের কিছু বা সবটুকু তার জীবনসঙ্গীর কাছে স্থানান্তরের সুযোগও রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করা সংস্থা বলছে, দেশে এমন বিপুলসংখ্যক মানুষ রয়েছেন যাদের দৃষ্টিশক্তির সমস্যা তাদের দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব ফেলছে। তাদের অনেকেই এই কর-সুবিধার যোগ্য হলেও এখনো আবেদন করেননি বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

এদিকে একই করবর্ষে বয়স্ক বিবাহিত দম্পতিদের জন্য আরেকটি কর-সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এই ভাতার সর্বোচ্চ সীমা ১১ হাজার ২৭০ পাউন্ড থেকে বাড়িয়ে ১১ হাজার ৭০০ পাউন্ড করা হয়েছে। তবে এই সুবিধা কেবল সেই বিবাহিত বা নিবন্ধিত জীবনসঙ্গী দম্পতিরা পাবেন, যাদের মধ্যে অন্তত একজনের জন্ম ১৯৩৫ সালের ৬ এপ্রিলের আগে।

সূত্রঃ দ্য এক্সপ্রেস

এম.কে

আরো পড়ুন

যুক্তরাজ্যের নিউহামে মেয়র নির্বাচনে ফরহাদ হোসেনের জয়

‘ওয়ান ইন, ওয়ান আউট’ নীতিতে বিতর্কঃ অসুস্থ ও নির্যাতিতদেরও ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য

বিমানবন্দরে মানবাধিকার কর্মীকে আটকের কারণে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিবের ক্ষমাপ্রার্থনা