TV3 BANGLA
বাংলাদেশ

১৮০ দিনের মূল্যায়নের পরঃ মন্ত্রী পরিষদে আসতে যাচ্ছে নতুন মুখ

সরকারের ১৮০ দিনের কার্যকাল পূর্ণ হওয়ার পর মন্ত্রিসভায় সীমিত পরিসরে সম্প্রসারণের আলোচনা শুরু হয়েছে। সরকারের কাজের মূল্যায়ন, কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বের অতিরিক্ত চাপ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা থেকেই নতুন করে কয়েকজন সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনায় এসেছে।

রাজনৈতিক সূত্র ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে চারজন সংসদ সদস্যকে সম্ভাব্য নতুন মুখ হিসেবে আলোচনায় রাখা হয়েছে। তারা হলেন—সেলিমা রহমান, আন্দালিব রহমান পার্থ, শহীদুল ইসলাম বাবুল এবং শামীম কায়সার লিংকন। তবে তাদের দায়িত্ব ও মন্ত্রণালয় এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য পদায়ন অনুযায়ী, সেলিমা রহমানকে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কথা শোনা যাচ্ছে। আন্দালিব রহমান পার্থ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। শহীদুল ইসলাম বাবুলকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী করার বিষয়েও আলোচনা রয়েছে।

মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য এই সম্প্রসারণের অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে অতিরিক্ত চাপ। বর্তমানে অর্থ ও পরিকল্পনা, মহিলা ও শিশুবিষয়ক ও সমাজকল্যাণ, শিল্প-বাণিজ্য-বস্ত্র ও পাট এবং কৃষি-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কয়েকজন মন্ত্রীকে সামলাতে হচ্ছে। ফলে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর কাজের গতি আরও বাড়ানো সম্ভব হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের কার্যক্রম পর্যালোচনার পর মন্ত্রণালয়ভিত্তিক দায়িত্ব পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজনীয়তাও সামনে এসেছে। কোথাও কাজের চাপ বেশি, কোথাও সিদ্ধান্ত গ্রহণে গতি বাড়ানোর প্রয়োজন—এমন বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে মন্ত্রিসভায় সীমিত সংযোজন কিংবা দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

তবে চার সংসদ সদস্যের মন্ত্রিসভায় যোগদানের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবেন, কিংবা আদৌ মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ হবে কি না—সেটি প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৮০ দিনের কার্যক্রম মূল্যায়নের পর মন্ত্রিসভায় সীমিত পরিবর্তন হলে এর মূল লক্ষ্য হতে পারে প্রশাসনিক সমন্বয় বাড়ানো, দায়িত্বের ভারসাম্য তৈরি করা এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নে গতি আনা। ফলে সম্ভাব্য এই সম্প্রসারণকে শুধু নতুন মুখ যুক্ত করার উদ্যোগ হিসেবে না দেখে সরকারের পরবর্তী পর্যায়ের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

এদিকে সম্ভাব্য নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের নিয়ে আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ তৈরি করলেও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এসব পদায়নকে সম্ভাব্যতা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া

এম.কে

আরো পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার সিলেটে আসছেন তারেক রহমান, ২ মে সফর

ই-ক্যাবের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন শমী কায়সার

সন্ত্রাসী দমনে শুরু হচ্ছে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট: ফেজ-২’