যুক্তরাজ্যে প্রস্তাবিত আর্নড সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় পরিবর্তনের কারণে মাইগ্র্যান্ট কেয়ার কর্মীরা দেশ ছাড়তে বাধ্য হলে সামাজিক সেবা খাত বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন এমএইচএ মেথডিস্ট হোমসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও স্যাম মোনাঘান।
স্যাম মোনাঘান বলেন, কেয়ার খাত থেকে মাইগ্র্যান্ট কর্মীদের হারানোর ঝুঁকি অনেক বেশি। বয়স্ক ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সেবায় স্থানীয় কমিউনিটিগুলোতে মাইগ্র্যান্ট কর্মীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তার ভাষায়, “এই মানুষগুলোকে হারানোর ঝুঁকি আমাদের খাতের জন্য অনেক বেশি।”
এমএইচএ মেথডিস্ট হোমস যুক্তরাজ্যের অন্যতম বড় কেয়ার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে প্রতিষ্ঠানটির ১৬৭টির বেশি লোকেশন রয়েছে এবং সেখানে ৬ হাজারেরও বেশি কর্মী কাজ করেন। স্যাম মোনাঘানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এমএইচএ-এর মোট কর্মীর প্রায় ১২ শতাংশ মাইগ্র্যান্ট কর্মী।
এদিকে, সামাজিক সেবা খাতে মাইগ্র্যান্ট কর্মীদের অধিকার ও স্বার্থ তুলে ধরার ক্ষেত্রে ট্রেড ইউনিয়ন ইউনিসনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে এমএইচএ মেথডিস্ট হোমস।
তবে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, প্রস্তাবিত আর্নড সেটেলমেন্ট ব্যবস্থার পরিবর্তনে সামাজিক সেবায় কর্মরত মাইগ্র্যান্ট কেয়ার কর্মীদের প্রতিদিনের অবদান যথাযথভাবে স্বীকৃতি নাও পেতে পারে।
এমএইচএ-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বয়স্ক ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া কেয়ার কর্মীদের ন্যায্যতা, মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে সামাজিক সেবা খাতের ভবিষ্যতের জন্য অভিজ্ঞ কেয়ার কর্মীদের ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।
প্রস্তাবিত আর্নড সেটেলমেন্ট ব্যবস্থা নিয়ে যুক্তরাজ্যে আলোচনা চলার মধ্যে কেয়ার খাতে কর্মী ধরে রাখা এবং মাইগ্র্যান্ট কর্মীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ নতুন করে সামনে এসেছে। এমএইচএ-এর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, অভিজ্ঞ কর্মীদের হারালে এর প্রভাব বয়স্ক ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের সেবা ব্যবস্থার ওপর পড়তে পারে।
সূত্রঃ কেয়ারিং টাইমস
এম.কে

