13.4 C
London
May 20, 2026
TV3 BANGLA
আন্তর্জাতিক

ইরানে পাঠানো মার্কিন রণতরির শৌচাগার অচল, বিপাকে নৌসেনারা

ইরানের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে সাজ সাজ রব, মোতায়েন হচ্ছে গত কয়েক দশকের বৃহত্তম নৌ ও বিমান শক্তি। কিন্তু মার্কিন রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড-এর পাঁচ হাজার নৌসেনার কাছে এখন ইরান কোনো সমস্যা নয়। তাদের আসল শত্রু এখন জাহাজের ৬৫০টি অচল শৌচাগার।

শত্রু দমনের বদলে এখন ‘প্লাম্বিং’ দমনেই দিনরাত ঘাম ঝরাচ্ছেন মার্কিন সেনারা। ১৩ বিলিয়ন ডলারের এই দানবীয় রণতরি এখন আক্ষরিক অর্থেই সুয়্যারেজ বিভ্রাটে নাকাল।

গত জানুয়ারিতে ভেনিজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের মিশনে গিয়েছিল এই ইউএসএস ফোর্ড। মিশন শেষে বাড়ি ফেরার বদলে রণতরিটিকে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে ইরানের দিকে। আট মাস ধরে সমুদ্রে ভাসতে থাকা সেনারা এখন রেকর্ড গড়ার পথে, কারণ তাদের ডিউটি বেড়ে হতে পারে ১১ মাস।

অত্যাধুনিক এই রণতরির প্লাম্বিং সিস্টেম এমন যে, এক জায়গার শৌচাগার বিকল হলে পুরো কাঠামো অচল হয়ে যায়। মূলত পাইপের ভেতর টি-শার্ট, ও দড়ি আটকে যাওয়ায় এমন নাজুক পরিস্থিতিতে পড়েছে মার্কিন সেনারা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এক নৌসেনা জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা এবং জাহাজের শোচনীয় অবস্থার কারণে ক্রুরা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। অনেক তরুণ সেনা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এই মিশন শেষ হলেই তারা নৌবাহিনী ছেড়ে দেবেন। বিশেষ করে গোপনীয়তার স্বার্থে তারা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছেন না।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক ডজনেরও বেশি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন, নয়টি ডেস্ট্রয়ার এবং তিনটি লিটোরাল কমব্যাট শিপ। ইউএসএস ফোর্ড সেখানে পৌঁছালে ওই অঞ্চলে দুটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির উপস্থিতি নিশ্চিত হবে, যা সচরাচর দেখা যায় না।

সূত্রঃ এনডিটিভি

এম.কে

আরো পড়ুন

হজ করতে ১ বছর ধরে হাঁটলেন এক যুবক

মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের শান্তিরক্ষা মিশন থেকে বাদ দেবে জাতিসংঘ

ব্রিটিশ পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা মওকুফ করতে যাচ্ছে ইইউ

নিউজ ডেস্ক