19.5 C
London
August 13, 2026
TV3 BANGLA
আন্তর্জাতিক

ভারতের হামলাকে লজ্জাজনক বললেন ট্রাম্প, গুতেরেসের উদ্বেগ

পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে লজ্জাজনক বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দুই দেশের মধ্যে চলমান সংকট প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

অন্যদিকে এ হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। একইসঙ্গে উভয় দেশকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (৭ মে) এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স, এএফপি ও সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যম বলছে, পাকিস্তানে ভারত হামলা শুরু করার এবং ইসলামাবাদ প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আশা করেন যে, পারমাণবিক শক্তিধর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘর্ষ “খুব দ্রুত” শেষ হবে।

পাকিস্তানের বিভিন্ন স্থানে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প বলেন, “এটা লজ্জাজনক, আমরা এইমাত্র এটি সম্পর্কে শুনেছি”।

তিনি আরও বলেন, “আসলে সবাই জানতো কিছু একটা হতে পারে। তারা বহু দশক বা বলতে গেলে শতাব্দী ধরে লড়াই করে আসছে। আমি শুধু চাই এটা দ্রুত শেষ হোক।”

এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “পাকিস্তান-ভারতের এই দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি আমরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।”

অন্যদিকে জাতিসংঘ মহাসচিব ‘উভয় দেশকে সর্বোচ্চ সামরিক সংযম’ পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে বলেছেন: “মহাসচিব নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় সামরিক অভিযান নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।”

এতে আরও বলা হয়, “তিনি উভয় দেশকে সর্বোচ্চ সামরিক সংযম পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক সংঘাত বিশ্ব বহন করতে পারবে না।”

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি কাশ্মিরের পেহেলগামে হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর থেকে ভারতের সামরিক জবাবের সম্ভাবনা ছিল বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা মনে করেছিলেন।

সূত্রঃ রয়টার্স

এম.কে
০৭ মে ২০২৫

আরো পড়ুন

গাজায় গণহত্যার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে তোপের মুখে পোল্যান্ডের এমপি

সরকারি হাসপাতালে জন্ম নিলেই নবজাতক পাবে স্বর্ণের আংটি উপহার

ইরান যুদ্ধে হুতিদের অংশগ্রহণে বিপাকে ইসরায়েল, রুদ্ধ হতে পারে বিশ্ব বাণিজ্যের আরেকটি পথ