22.9 C
London
July 8, 2026
TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

লেবার পার্টি কি নতুন কনজারভেটিভ পার্টি হয়ে উঠছে? নেতৃত্বের অস্থিরতা, ব্যর্থতার আশঙ্কা এবং ডেভিড মিলিব্যান্ডকে ঘিরে নতুন গুঞ্জন

নাশিত রহমান || লন্ডন || ৮ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নেতৃত্বের অস্থিরতা এখন আর কেবল কনজারভেটিভ পার্টির দখলে নেই। ছয় বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী দেখেছে টোরি দল—একটি রাজনৈতিক সঙ্কটের প্রতীক হিসেবে যা ব্রিটিশ গণতন্ত্রের ইতিহাসে বিরল। কিন্তু এখন লেবার পার্টির ভেতরেও একই ধরনের অস্থিরতার ছায়া দেখা যাচ্ছে। মাত্র দুই বছরে দুই প্রধানমন্ত্রী, এবং কিছু লেবার পার্টির এমপি ইতোমধ্যেই হিসাব কষছেন—এই ধারাবাহিকতা কি লেবার পার্টি সাড়ে তিন বছরে তৃতীয় প্রধানমন্ত্রীর পাবে?

অ্যান্ডি বার্নহাম এখনো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেননি, কিন্তু ইতোমধ্যেই তার নেতৃত্ব নিয়ে সংশয় দলীয় অভ্যন্তরে জন্ম নিয়েছে। কিছু এমপি মনে করছেন, স্টারমারের ব্যর্থতা রাজনৈতিক কাঠামো লেবারকে দুর্বল করেছিল, সেই একই কাঠামো বার্নহামকেও ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। লেবার পার্টি গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে নাইজেল ফারাজের রিফর্ম পার্টির পিছনে রয়েছে জনমত জরিপে। আন্তর্জাতিক অস্থিরতা—ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত—এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের হোয়াইট হাউসে পুনরাগমন যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত। যুক্তরাজ্যের জনগন রাজনীতি ও রাজনৈতীক দল সমূহের প্রতি বিরাগভাজন ও হতাশ হয়ে উঠেছে। এই সবকিছু মিলিয়ে কিছু এমপি মনে করছেন, বার্নহামের নেতৃত্ব হয়তো দলকে স্থিতিশীলতা দিতে পারবে না।

যুক্তরাজ্যের জনগণ আজ রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি যে বিরাগভাজন ও হতাশ হয়ে উঠেছে, তা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়; এটি দীর্ঘদিনের অস্থিরতা, নেতৃত্বের ব্যর্থতা এবং নীতিগত দিকনির্দেশনার অভাবের ফল। ব্রিটিশ রাজনীতি এখন এমন এক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে আছে যেখানে জনগণের আস্থা ভেঙে পড়েছে, দলগুলো নিজেদের পরিচয় হারাচ্ছে, আর নেতৃত্বের পরিবর্তন এক ধরনের “মিউজিক্যাল চেয়ার” খেলায় পরিণত হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এক নির্মম সত্যের দিকে ইঙ্গিত করছে—দেশের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসন এবং জনসেবার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো আজ গভীর অস্থিরতার মধ্যে রয়েছে। এনএইচএসের সংকট দীর্ঘদিন ধরেই চলমান; চিকিৎসা সেবা পেতে অপেক্ষার সময় বেড়েছে, কর্মীসংকট তীব্র হয়েছে, এবং জরুরি বিভাগগুলো চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। শিক্ষা খাতেও একই ধরনের অস্থিরতা—স্কুল ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, শিক্ষক সংকট, এবং শিক্ষার মান নিয়ে অভিভাবকদের হতাশা ক্রমশ বাড়ছে। আবাসন বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, ভাড়ার অস্থিরতা এবং সাশ্রয়ী বাসস্থানের অভাব সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

এই সংকটগুলো এমন সময়ে দেখা দিচ্ছে যখন লেবার পার্টি ক্ষমতায় থাকলেও অর্থনীতির ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই। বৈশ্বিক অস্থিরতা, আন্তর্জাতিক সংঘাত, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত পরিবর্তন এবং ব্রিটেনের নিজস্ব অর্থনৈতিক দুর্বলতা মিলিয়ে সরকার কার্যত সীমাবদ্ধতার মধ্যে কাজ করছে। মুদ্রাস্ফীতি, উচ্চ করের চাপ, বিনিয়োগের অনিশ্চয়তা এবং উৎপাদনশীলতার স্থবিরতা লেবারের নীতিগত অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। ফলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
এই পরিস্থিতি লেবার পার্টির জন্য রাজনৈতিকভাবে বিপজ্জনক। জনগণ ইতোমধ্যেই রাজনীতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি বিরাগভাজন হয়ে উঠেছে। তারা দেখছেন, দলগুলো প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারে না। কনজারভেটিভদের দীর্ঘ অস্থিরতার পর লেবার ক্ষমতায় এলেও পরিস্থিতির মৌলিক পরিবর্তন ঘটেনি। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, আবাসন—সব খাতেই সংকট রয়ে গেছে, আর অর্থনীতির ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ সীমিত। এই বাস্তবতা জনগণের হতাশাকে আরও গভীর করছে।

কনজারভেটিভ পার্টি ছয় বছরে পাঁচ প্রধানমন্ত্রী দেখেছে—এমন দাবি বাস্তবতা জনমনে ঘুরে বেড়ালেও বাস্তব অবস্থা হলো, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী শুধু পরিবর্তন হচ্ছে। এই দ্রুত পরিবর্তন ব্রিটিশ রাজনীতিকে অস্থিরতার প্রতীক বানিয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী এই ঘনঘন পরিবর্তন জনগণের মনে এক ধরনের ক্লান্তি ও বিরক্তি তৈরি করেছে। তারা মনে করছেন, দলগুলো আর স্থিতিশীল নেতৃত্ব দিতে পারছে না; বরং ক্ষমতার লড়াইয়ে নিজেদেরই ধ্বংস করছে।
জনগণের বিরাগের মূল কারণ এখানেই। তারা দেখছেন, দলগুলো আর নীতি বা আদর্শের ভিত্তিতে রাজনীতি করছে না; বরং নেতৃত্বের অস্থিরতা, ক্ষমতার লড়াই এবং অভ্যন্তরীণ বিভাজনই রাজনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে। কনজারভেটিভদের মতো লেবারও কি নেতৃত্বের অস্থিরতায় ডুবে যাবে? বার্নহাম কি সেই অস্থিরতা কাটিয়ে উঠতে পারবেন, নাকি তিনিও এই রাজনৈতিক খেলায় আরেকটি চেয়ার বদলের অংশ হয়ে উঠবেন—এটাই এখন যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

যুক্তরাজ্যের জনগণ তাই রাজনীতির প্রতি আস্থা হারাচ্ছে। তারা ক্লান্ত, বিরক্ত এবং হতাশ। তারা স্থিতিশীলতা চায়, নেতৃত্ব চায়, দিকনির্দেশনা চায়। কিন্তু ব্রিটিশ রাজনীতি এখনো সেই স্থিতিশীলতা দিতে পারছে না। এই আস্থাহীনতা যদি আরও গভীর হয়, তবে তা শুধু দলগুলোর জন্য নয়, পুরো গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্যই এক গুরুতর সংকেত হয়ে উঠবে।
লেবার পার্টির ভেতরে অ্যান্ডি বার্নহামকে “উত্তরের রাজা” King of North বলা হয় বহুদিন ধরেই। কিন্তু তার আগেই দলটির কল্পনার জগতে আরেকটি উপাধি ঘুরে বেড়াত—“সমু্দ্রের ওপারের রাজপুত্র”, ডেভিড মিলিব্যান্ড “Prince across the water” – David Miliband। ওয়েস্টমিনস্টার ছেড়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন এক দশকেরও বেশি সময় আগে, কিন্তু তার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে জল্পনা কখনোই থামেনি। হিলারি ক্লিনটনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, লেবারের সাবেক শীর্ষ মন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিক নীতি অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে মিলিব্যান্ডের নাম বারবার উঠে এসেছে ব্রিটিশ রাজনীতির আলোচনায়।

ডেভিড মিলিব্যান্ডের রাজনৈতিক যাত্রা ব্রিটিশ রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এক অনন্য অধ্যায়। একসময় লেবার পার্টির সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র, টনি ব্লেয়ারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপরিচিত মিলিব্যান্ড হঠাৎই ওয়েস্টমিনস্টার ছেড়ে চলে যান। তার পদত্যাগ ছিল শুধু একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়; এটি ছিল ব্যক্তিগত হতাশা, দলীয় বিভাজন এবং নেতৃত্বের লড়াইয়ের এক নির্মম পরিণতি।

২০১০ সালে লেবার পার্টির নেতৃত্ব নির্বাচনে তিনি তার ছোট ভাই এড মিলিব্যান্ডের কাছে পরাজিত হন। এই পরাজয় শুধু একটি রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ফল ছিল না; এটি ছিল লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ মতাদর্শিক বিভাজনের প্রতীক। ভাইয়ের কাছে পরাজয়ের পর ডেভিড মিলিব্যান্ড সংসদে থাকলেও তিনি আর দলের নেতৃত্বের কেন্দ্রে ছিলেন না। ধীরে ধীরে তিনি নিজেকে রাজনীতির মূলধারা থেকে সরিয়ে নেন। ২০১৩ সালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্যের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। তার পদত্যাগের চিঠিতে তিনি স্পষ্ট করে লিখেছিলেন যে দলের নেতৃত্বে তার উপস্থিতি “অস্বস্তিকর দ্বৈততা” তৈরি করছে, যা লেবারের জন্য ক্ষতিকর।

ওয়েস্টমিনস্টার ছাড়ার পর ডেভিড মিলিব্যান্ড রাজনীতির বাইরে একটি নতুন পরিচয় গড়ে তোলেন। তিনি নিউ ইয়র্কে আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা International Rescue Committee (IRC)–এর প্রধান নির্বাহী হিসেবে যোগ দেন। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে বিপর্যস্ত অঞ্চলে শরণার্থী সংকট, যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ এবং মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে কাজ করে আসছেন। সিরিয়া, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, দক্ষিণ সুদান—যেখানেই মানবিক সংকট, সেখানেই IRC-এর উপস্থিতি এবং মিলিব্যান্ডের নেতৃত্ব। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাব আরও বিস্তৃত হয়েছে; তিনি জাতিসংঘ, মার্কিন প্রশাসন এবং ইউরোপীয় নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন।

নিউ ইয়র্কে তার এই মানবিক কাজ তাকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক, মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে তার সক্রিয় ভূমিকা এবং বৈশ্বিক মানবিক সংকট মোকাবিলায় তার নেতৃত্ব তাকে আবারও ব্রিটিশ রাজনীতির আলোচনায় ফিরিয়ে এনেছে। লেবার পার্টির ভেতরে অনেকেই মনে করেন, তার অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক পরিচিতি নতুন প্রশাসনের জন্য অমূল্য সম্পদ হতে পারে।
এখন, যখন অ্যান্ডি বার্নহাম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অপেক্ষায়, সেই জল্পনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। বার্নহামের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে ডেভিড মিলিব্যান্ডকে সম্ভাব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ভাবা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার অভিজ্ঞতা এবং বৈশ্বিক নীতি নিয়ে তার দক্ষতা বার্নহামের নতুন প্রশাসনকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিতে পারে—এমনটাই মনে করছেন অনেক পর্যবেক্ষক। বার্নহাম যদি নম্বর ১০-এ প্রবেশ করেন, ডেভিড মিলিব্যান্ডের প্রত্যাবর্তন তার সরকারের আন্তর্জাতিক অবস্থানকে শক্তিশালী করতে পারে।

এই অস্থিরতার মধ্যেই নতুন একটি নাম উঠে এসেছে ডেভিড মিলিব্যান্ড। লেবার পার্টির ভেতরে কিছু এমপি ইতোমধ্যেই তাকে সম্ভাব্য পরবর্তী নেতা হিসেবে ভাবতে শুরু করেছেন। এমনকি একজন এমপি The Independent পত্রিকাকে বলেছেন, তিনি শুধু ডেভিড মিলিব্যান্ডকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান না, বরং তাকে নিজের আসনটি পর্যন্ত দিতে প্রস্তুত—যাতে ডেভিড মিলিব্যান্ড দ্রুত হাউস অব কমন্সে প্রবেশ করে লেবার পার্টির নেতৃত্ব ও প্রধানমন্ত্রীত্ব গ্রহণ করতে পারেন। এই মন্তব্য লেবার পার্টির অভ্যন্তরীণ উদ্বেগের গভীরতা প্রকাশ করে। বার্নহাম এখনো নম্বর ১০-এ প্রবেশ করেননি, কিন্তু তার নেতৃত্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

লেবার পার্টির এই অস্থিরতা কনজারভেটিভদের সাম্প্রতিক ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠছে। নেতৃত্বের দ্রুত পরিবর্তন, নীতির অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক দিকনির্দেশনার অভাব—এই সবকিছুই ব্রিটিশ রাজনীতিকে এক ধরনের “মিউজিক্যাল চেয়ার” খেলায় পরিণত করেছে। প্রধানমন্ত্রীরা আসছেন, যাচ্ছেন, এবং দলগুলো স্থিতিশীল নেতৃত্বের অভাবে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছে। লেবার পার্টি কি সেই একই পথে হাঁটছে? বার্নহামের নেতৃত্ব কি স্থায়ী হবে, নাকি তিনি স্টারমারের মতোই রাজনৈতিক চাপের কাছে পরাজিত হবেন? এই প্রশ্নগুলো এখন দলীয় অভ্যন্তরে উচ্চারিত হচ্ছে।
ডেভিড মিলিব্যান্ডকে ঘিরে গুঞ্জন তাই কেবল একটি নামের আলোচনা নয়; এটি লেবার পার্টির ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগের প্রতিফলন। বার্নহাম দায়িত্ব গ্রহণের আগেই যদি তার নেতৃত্ব নিয়ে সন্দেহ জন্ম নেয়, তবে তা লেবারের জন্য একটি রাজনৈতিক সংকেত। লেবার দলটি কি কনজারভেটিভ পার্টির মতো নেতৃত্বের অস্থিরতায় ডুবে যাবে, নাকি বার্নহাম সেই অস্থিরতা কাটিয়ে একটি স্থিতিশীল প্রশাসন গড়তে পারবেন—এটাই এখন ব্রিটিশ রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ডেভিড মিলিব্যান্ডের সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন তাই দ্বিমুখী সংকেত বহন করে। একদিকে তিনি বার্নহামের প্রশাসনকে শক্তিশালী করতে পারেন, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক নীতি ও কূটনীতিতে। অন্যদিকে তার উপস্থিতি বার্নহামের নেতৃত্বকে ছায়াচ্ছন্ন করতে পারে, বিশেষ করে যখন কিছু এমপি তাকে ভবিষ্যতের নেতা হিসেবে ভাবতে শুরু করেছেন। লেবার পার্টি কি এই দ্বৈত বাস্তবতা সামলাতে পারবে, নাকি ডেভিড মিলিব্যান্ডের নামই নতুন অস্থিরতার সূচনা করবে—এটাই এখন ব্রিটিশ রাজনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

আরো পড়ুন

গ্রেটার ম্যানচেস্টারে তুষার ও তীব্র শীত: মাইনাস ১০°C পর্যন্ত নামতে পারে যুক্তরাজ্যের তাপমাত্রা

জেলেনস্কিকে যুক্তরাজ্যে উষ্ণ অভ্যর্থনা, আলিঙ্গন করলেন স্টারমার

নিউজ ডেস্ক

ব্র‍্যাডফোর্ড ক্যাম্পাসে নারী হয়রানি নিত্যদিনের ঘটনা!

অনলাইন ডেস্ক