TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

অবৈধ অভিবাসন সেবা বিজ্ঞাপনের অভিযোগে বার্মিংহামে ভারতীয় যুবক গ্রেপ্তার

অনলাইনে ভুয়া ভিসা ও আশ্রয় আবেদন সংক্রান্ত সহায়তার বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিযোগে ২৪ বছর বয়সী এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করেছে যুক্তরাজ্যের কর্তৃপক্ষ।

হেম রাজ নামে ওই যুবককে মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের স্মেথউইক থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অনলাইনে অবৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) ও ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশের যৌথ তদন্তের অংশ হিসেবে রাজকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে কয়েকটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে এনসিএ জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কিছু পোস্টে ভুয়া ভিসা ও আশ্রয় আবেদনের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এসব পোস্টের সূত্র ধরেই তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে এনসিএ।

রাজের বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের বর্ডার সিকিউরিটি, অ্যাসাইলাম অ্যান্ড ইমিগ্রেশন অ্যাক্টের সেকশন ১৭ অনুযায়ী অবৈধ অভিবাসন-সংক্রান্ত সেবা দেওয়ার বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

এনসিএ জানিয়েছে, তাদের তদন্তের অংশ হিসেবে এই নতুন আইনের অধীনে এ ধরনের অপরাধে অভিযোগ আনার ঘটনা প্রথম।

এনসিএর ব্রাঞ্চ কমান্ডার কেভিন ব্রডহেড বলেন, সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ মোকাবিলা করা সংস্থাটির অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। যারা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে, তাদের কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত করতে এনসিএ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

এনসিএর এক মুখপাত্র বলেন, ওয়েস্ট মিডল্যান্ডসের একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনলাইনে অবৈধ অভিবাসন সেবা দেওয়ার বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি ও ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস পুলিশ যৌথভাবে তদন্তটি পরিচালনা করেছে।

এ ঘটনায় রাজের বিরুদ্ধে শুধু নতুন অভিবাসন আইনের অধীনেই নয়, ১৯৯৯ সালের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড অ্যাসাইলাম অ্যাক্ট লঙ্ঘন করে বেআইনিভাবে অভিবাসন-সংক্রান্ত পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগও আনা হয়েছে।

রাজকে বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর বার্মিংহাম ম্যাজিস্ট্রেটস কোর্টে হাজির করা হয়।

এদিকে, আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত হেম রাজকে আইনগতভাবে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। মামলাটির পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর বিষয়ে আদালতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ঘটনাটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন যুক্তরাজ্য সরকার সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ এবং অবৈধ অভিবাসনকে সহায়তা করা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ জোরদার করছে। এই মামলায় ২০২৫ সালের নতুন আইনের সেকশন ১৭ প্রয়োগের বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি।

সূত্রঃ বার্মিংহাম লাইভ

এম.কে

আরো পড়ুন

হাউস অব লর্ডসে যাচ্ছেন সাদিক খানঃ বিদায়ের আগে বড় সিদ্ধান্ত স্টারমারের

নিলামে উঠছে পূর্ব লন্ডনের সবচেয়ে ছোট ফ্ল্যাট

পশ্চিমা দেশে গণতন্ত্রে আস্থা সংকট: ইপসস জরিপে চরম অসন্তুষ্টি ও ভবিষ্যৎ শঙ্কা

নিউজ ডেস্ক