ইংল্যান্ডে অতিরিক্ত জনসংখ্যা ও আবাসন সংকটের প্রভাবে গড়ে প্রায় ৩ শতাংশ পরিবার সংকীর্ণ বাসস্থানে বসবাস করছে। তবে জাতিগত ভিত্তিতে এই চিত্রে বড় ধরনের বৈষম্য দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশি পরিবারগুলোর ক্ষেত্রে এই হার প্রায় ১৮ শতাংশ, যা জাতীয় গড়ের তুলনায় ছয় গুণ বেশি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় ঘরসংখ্যা ও বাসযোগ্য জায়গার অভাবে বহু বাংলাদেশি পরিবার একাধিক সদস্য নিয়ে সীমিত পরিসরে বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছে। পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেশি হওয়া, আয়ের সীমাবদ্ধতা এবং উপযুক্ত বড় বাসা ভাড়ার উচ্চ খরচ—এসব কারণকে বিশেষজ্ঞরা প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখছেন।
অন্যদিকে শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ পরিবারগুলোর মধ্যে সংকীর্ণ বাসস্থানে থাকার হার মাত্র ২ শতাংশ। অর্থাৎ আবাসন সুবিধা ও পরিসরের ক্ষেত্রে স্পষ্ট বৈষম্য বিদ্যমান। বিশ্লেষকরা বলছেন, আয় বৈষম্য, আবাসন বাজারে প্রতিযোগিতা এবং সামাজিক অবস্থানের পার্থক্য এই ব্যবধানকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
আবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, সংকীর্ণ পরিবেশে বসবাসের ফলে শিশুদের শিক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য ও পারিবারিক গোপনীয়তা মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হয়। দীর্ঘমেয়াদে এটি সামাজিক বৈষম্য ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
নীতিনির্ধারকদের প্রতি সংশ্লিষ্ট মহলের আহ্বান—স্বল্প আয়ের ও বৃহৎ পরিবারগুলোর জন্য সাশ্রয়ী এবং পর্যাপ্ত পরিসরের বাসস্থান নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। অন্যথায় প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে আবাসন সংকট আরও গভীর আকার ধারণ করতে পারে।
সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া
এম.কে

