18.1 C
London
July 23, 2026
TV3 BANGLA
বাংলাদেশসিলেট

লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই চিকিৎসাসেবাঃ সিলেটের ১৪ হাসপাতাল ও ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সংগৃহীত

সিলেটে লাইসেন্স নবায়ন ছাড়াই স্বাস্থ্যসেবা পরিচালনার অভিযোগে ১৪টি বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর ধারা ৮ অনুযায়ী এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় অথবা প্রয়োজনীয় অনুমোদন না থাকায় এগুলোকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী, পূর্ব চৌহাট্টার সেন্ট্রাল হাসপাতাল, মিরের ময়দানের ফেয়ার হেলথ হাসপাতাল, মণিপুরী রোডের রয়েল শিশু হাসপাতাল, সুবহানীঘাটের মডার্ন জেনারেল হাসপাতাল, মেডিকেল রোডের আরোগ্যা পলি ক্লিনিক, শাহজালাল উপশহরের আল-আমিন জেনারেল হাসপাতাল, মির্জাজাঙ্গালের সেইফ ওয়ে হাসপাতাল, ঘাসিটোলার নিরাময় পলি ক্লিনিক, মীরবক্সটুলার ডেল্টা স্পেশালাইজড হাসপাতাল, লামাবাজারের মেট্রো মেডিকেয়ার ক্লিনিক, কাজিটুলা রোডের কেয়ার হাসপাতাল, আম্বরখানার সুরমা ভ্যালী হাসপাতাল, শিবগঞ্জের সিলেট ফেক্টো সেন্টার এবং টুকের বাজারের সিলেট মডেল চক্ষু হাসপাতাল ও ফেকো সেন্টার রয়েছে।

তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কয়েকটির লাইসেন্স ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পর থেকে আর নবায়ন করা হয়নি। আবার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ২০২০-২১, ২০২১-২২, ২০২২-২৩, ২০২৩-২৪ এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পর থেকে নবায়নবিহীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া দুটি প্রতিষ্ঠান এখনো কোনো লাইসেন্সই গ্রহণ করেনি বলে প্রশাসনের তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, লাইসেন্স নবায়ন ছাড়া চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসার পর এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা, রোগীদের নিরাপত্তা রক্ষা এবং আইন অমান্য করে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

প্রশাসনের দাবি, লাইসেন্সবিহীন বা মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্সে পরিচালিত প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা অব্যাহত থাকলে রোগীদের জীবন ও স্বাস্থ্য ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। অতীতে বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সব বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বৈধ লাইসেন্স সংগ্রহ ও সময়মতো নবায়নের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্রঃ সিলেট টু’ডে ২৪

এম.কে

আরো পড়ুন

সাগর-রুনি হত্যার তদন্তে বিলম্ব বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে উপহাসঃ হাইকোর্ট

ডাকসুতে শিবিরের জয় ভারতের জন্য উদ্বেগজনকঃ শশী থারুর

জুলাই চার্টারঃ সংস্কারের স্বপ্ন নাকি সংকটের নতুন মাত্রা

নিউজ ডেস্ক