নাশীত রহমান | লন্ডন | ০২ নভেম্বর ২০২৬
লন্ডন শুধু একটি শহর নয়, এটি যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রায় এক কোটি মানুষের এই মহানগরীর দৈনন্দিন জীবন সচল রাখতে অসংখ্য সড়ক, রেলপথ ও গণপরিবহন ব্যবস্থা কাজ করছে। তবে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নাম হলো এম২৫ মোটরওয়ে এবং এ৪০৬ নর্থ সার্কুলার রোড। এ দুটি সড়ককে লন্ডনের সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার দুটি জীবনরেখা বললে অত্যুক্তি হবে না।
এম২৫ লন্ডনকে ঘিরে একটি বিশাল বৃত্তাকার মোটরওয়ে। অন্যদিকে এ৪০৬ উত্তর লন্ডনের ভেতর দিয়ে পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে বিস্তৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্ধবৃত্তাকার সড়ক। এম২৫ মূলত রাজধানীর বাইরের অঞ্চল, অন্যান্য মোটরওয়ে, বিমানবন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এ৪০৬ উত্তর লন্ডনের বিভিন্ন আবাসিক, শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে যানবাহন চলাচলের অন্যতম প্রধান পথ। এই দুই সড়কের কোথাও বড় দুর্ঘটনা, যানজট বা দীর্ঘ সময়ের জন্য রাস্তা বন্ধ হলে তার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট এলাকায় সীমাবদ্ধ থাকে না। আশপাশের সড়ক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, পণ্য পরিবহন, কর্মজীবী মানুষ এবং বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের ওপরও এর প্রভাব পড়ে।

এম২৫: লন্ডনকে ঘিরে ৪০ বছরের ইতিহাস – লন্ডনের চারদিকে একটি বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণের ধারণা বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই আলোচনায় ছিল। ১৯০৫ সালের লন্ডন ট্রাফিকবিষয়ক রাজকীয় কমিশন রাজধানীর যানবাহন চলাচলের সমস্যা সমাধানে বৃত্তাকার সড়কের ধারণা সামনে আনে। পরবর্তী কয়েক দশকে লন্ডনের জনসংখ্যা, গাড়ির সংখ্যা এবং শহরতলির বিস্তার বাড়তে থাকায় এ ধরনের সড়কের প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হয়।
এম২৫-এর নির্মাণকাজ শুরু হয় সত্তরের দশকে। বিভিন্ন অংশ পর্যায়ক্রমে চালু হওয়ার পর ১৯৮৬ সালের ২৯ অক্টোবর তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার এর শেষ অংশ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এর মধ্য দিয়ে প্রায় ১১৭ মাইল বা ১৮৮ কিলোমিটার দীর্ঘ লন্ডনের বহির্বৃত্তাকার মোটরওয়ে সম্পূর্ণ হয়। ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর এই ঐতিহাসিক সড়কের ৪০ বছর পূর্ণ হয়েছে। এম২৫-এর গুরুত্ব শুধু লন্ডনকে ঘিরে থাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি এম১, এম৩, এম৪, এম১১, এম২০, এম২৩ ও এম৪০-সহ গুরুত্বপূর্ণ মোটরওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেছে। ফলে দেশের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম অঞ্চলের মধ্যে যাতায়াতের জন্য লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে প্রবেশ না করেও অনেক দূরপাল্লার যাত্রা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

হিথ্রো বিমানবন্দর, গ্যাটউইক বিমানবন্দর, ডার্টফোর্ড ক্রসিং এবং দক্ষিণ-পূর্ব ইংল্যান্ডের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও পরিবহনকেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগেও এম২৫ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ৪০৬: প্রায় এক শতাব্দী ধরে উত্তর লন্ডনের প্রধান সড়ক – এ৪০৬ বা নর্থ সার্কুলার রোডের ইতিহাস এম২৫-এর চেয়েও পুরোনো। বিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে উত্তর লন্ডনের বিভিন্ন এলাকায় নতুন সড়ক নির্মাণ ও পুরোনো সড়কের উন্নয়নের মাধ্যমে এর ভিত্তি তৈরি হয়।
১৯২৪ সালের মধ্যেই হ্যাঙ্গার লেন থেকে গ্যান্টস হিল পর্যন্ত সড়কটির উল্লেখযোগ্য অংশ নির্মাণাধীন অথবা সম্পন্ন হয়েছিল। তবে প্রথম দিকে অনেক অংশ ছিল সরু, সাধারণ সড়কের মোড়যুক্ত এবং আধুনিক দ্রুতগতির যান চলাচলের উপযোগী নয়। পরবর্তী কয়েক দশকে সড়কটি প্রশস্ত করা হয় এবং নতুন অংশ যুক্ত হয়। বিশেষ করে আশির দশকে পূর্ব লন্ডনের ইলফোর্ড ও বার্কিং এলাকায় উন্নয়নকাজ এর বর্তমান রূপ গঠনে ভূমিকা রাখে। বর্তমানে এ৪০৬ প্রায় ২৮.৫ মাইল বা ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি পশ্চিম লন্ডনের ইলিং ও চিজউইক এলাকার দিক থেকে শুরু হয়ে ব্রেন্ট, বার্নেট, এনফিল্ড, ওয়ালথাম ফরেস্ট ও রেডব্রিজ হয়ে পূর্ব লন্ডনের বেকটন এলাকার দিকে বিস্তৃত।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এম২৫-এর মতো এ৪০৬ সম্পূর্ণ বৃত্তাকার নয়। এটি উত্তর ও পূর্ব লন্ডনকে সংযুক্ত করা একটি অর্ধবৃত্তাকার প্রধান সড়ক। দক্ষিণ লন্ডনে এ২০৫ বা সাউথ সার্কুলার রোড থাকলেও সেটিও এ৪০৬-এর মতো একই মানের নিরবচ্ছিন্ন দ্রুতগতির সড়ক নয়।
প্রতিদিন ও প্রতিবছর কত যানবাহন চলে? যুক্তরাজ্যের পরিবহন বিভাগের ২০২৫ সালের সড়ক-ট্রাফিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এম২৫-এর বিভিন্ন অংশে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯০টি যানবাহন চলাচল করে। সবচেয়ে ব্যস্ত অংশগুলোতে এই সংখ্যা দুই লাখ ছাড়িয়ে যায়। সরকারি পরিসংখ্যানে ২০২৫ সালে এম২৫-এর ১৪ ও ১৫ নম্বর জংশনের মধ্যবর্তী অংশে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ১৩ হাজার যানবাহনের হিসাব পাওয়া যায়।
অন্যদিকে এ৪০৬-এর বিভিন্ন অংশে গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮৭ হাজার ৭৬৪টি যানবাহন চলাচল করে। সবচেয়ে ব্যস্ত অংশে প্রতিদিন প্রায় দেড় লাখ যানবাহন চলাচলের হিসাব রয়েছে। এই দৈনিক গড়কে ৩৬৫ দিন দিয়ে গুণ করলে এম২৫-এর একটি গড় সড়ক-অংশে বছরে প্রায় ৫ কোটি ৩১ লাখ এবং এ৪০৬-এর একটি গড় সড়ক-অংশে প্রায় ৩ কোটি ২০ লাখ যানবাহন পারাপারের সমতুল্য হিসাব পাওয়া যায়।
তবে এই সংখ্যাগুলোকে দুটি সড়কে চলাচলকারী পৃথক গাড়ির মোট সংখ্যা হিসেবে ধরা যাবে না। একই গাড়ি বিভিন্ন জংশন ও সড়ক-অংশ অতিক্রম করতে পারে। সরকারি পরিসংখ্যানে এ কারণে দৈনিক যানবাহন প্রবাহ এবং মোট যানবাহন-মাইলের হিসাব আলাদাভাবে প্রকাশ করা হয়। ২০২৫ সালে এম২৫-এ মোট প্রায় ৬৩০ কোটি যানবাহন-মাইল এবং এ৪০৬-এ প্রায় ৯১ কোটি ৩০ লাখ যানবাহন-মাইল যাতায়াতের হিসাব পাওয়া যায়। এটি দুটি সড়কের অর্থনৈতিক ও পরিবহনগত গুরুত্ব বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিমাপক।
যানজট ও সড়ক বন্ধের প্রভাব – এম২৫ ও এ৪০৬-এর সবচেয়ে বড় সমস্যাগুলোর একটি হলো যানজট। বিশেষ করে অফিস শুরু ও শেষ হওয়ার সময়, স্কুলের সময়সূচি, ছুটির দিনে অতিরিক্ত ভ্রমণ এবং পণ্যবাহী যানবাহনের চাপের কারণে অনেক অংশে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়। এম২৫-এর হিথ্রো বিমানবন্দরসংলগ্ন অংশ, এম৪ ও এম৩ সংযোগ, এ৩ সংযোগ এবং ডার্টফোর্ড ক্রসিংয়ের আশপাশে যানজটের প্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে এ৪০৬-এর হ্যাঙ্গার লেন, ব্রেন্ট ক্রস, এডমন্টন, ওয়াটারওয়ার্কস ও রেডব্রিজ এলাকার ব্যস্ত সংযোগগুলোতে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে আশপাশের স্থানীয় সড়কেও চাপ বাড়তে পারে।
একটি দুর্ঘটনার কারণে এম২৫-এর কয়েকটি লেন বন্ধ হলে হাজার হাজার গাড়ি বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করে। এসব গাড়ির একটি অংশ স্থানীয় সড়কে প্রবেশ করলে সেখানে যানজট বেড়ে যায়। একইভাবে এ৪০৬ বন্ধ হলে অনেক যানবাহন আবাসিক এলাকার ছোট রাস্তায় চলে যেতে পারে। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী, স্কুলগামী শিশু ও বাসযাত্রীদের ভোগান্তি বাড়ে। সড়ক বন্ধ হওয়ার অর্থ শুধু গাড়ি থেমে যাওয়া নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ব্যবসা-বাণিজ্যের সময় ও অর্থ। পণ্য পরিবহনে বিলম্ব হলে সরবরাহব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। নির্মাণসামগ্রী, খাদ্যপণ্য ও অন্যান্য জরুরি সরবরাহ নির্ধারিত সময়ে পৌঁছাতে সমস্যা হয়। পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ও পরিবহন ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত জ্বালানি, শ্রমঘণ্টা ও পরিচালন ব্যয় বহন করতে হয়।
এমনকি বিমানবন্দরগামী যাত্রীদের জন্যও যানজট বড় ধরনের উদ্বেগের কারণ। হিথ্রো বা গ্যাটউইক যাওয়ার পথে এম২৫-এ বড় ধরনের বিলম্ব হলে যাত্রীদের নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইট ধরার পরিকল্পনা ব্যাহত হতে পারে। তবে সব সড়ক বন্ধই অনাকাঙ্ক্ষিত নয়। সেতু মেরামত, রাস্তার নিরাপত্তা, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নকাজের জন্য কখনো কখনো সড়ক বন্ধ রাখা প্রয়োজন হয়। মূল চ্যালেঞ্জ হলো যথাসময়ে তথ্য দেওয়া, বিকল্প পথের সক্ষমতা বিবেচনা করা এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ যতটা সম্ভব কমানো।
লন্ডনের অর্থনীতির সঙ্গে দুই সড়কের সম্পর্ক – লন্ডনের অর্থনীতি শুধু সিটি অব লন্ডন, ক্যানারি ওয়ার্ফ বা ওয়েস্ট এন্ডের অফিসকেন্দ্রিক নয়। রাজধানী ও আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় রয়েছে শিল্পাঞ্চল, গুদাম, বিতরণকেন্দ্র, হাসপাতাল, নির্মাণপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকা। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মী, কাঁচামাল, পণ্য ও সেবা পরিবহনে এম২৫ ও এ৪০৬ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে এম২৫ জাতীয় মোটরওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে রাজধানীকে যুক্ত করেছে। জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের ঐতিহাসিক বিশ্লেষণেও এম২৫-কে যুক্তরাজ্যের মোটরওয়ে নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে এ৪০৬ উত্তর লন্ডনের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক যোগাযোগ সচল রাখে। এর মাধ্যমে বহু মানুষ প্রতিদিন কর্মস্থল, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় গন্তব্যে যাতায়াত করেন। তবে যানজটের অর্থনৈতিক ক্ষতির পাশাপাশি পরিবেশগত মূল্যও রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধীরগতিতে গাড়ি চলা, বারবার থামা ও পুনরায় চলা, ভারী যানবাহনের শব্দ এবং স্থানীয় সড়কে যানবাহন ছড়িয়ে পড়া আশপাশের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ – এম২৫ নির্মাণের সময়কার লন্ডন এবং আজকের লন্ডন এক নয়। গত চার দশকে রাজধানীর জনসংখ্যা, ব্যবসা-বাণিজ্য, অনলাইন কেনাকাটা ও পণ্য সরবরাহব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। ফলে শুধু সড়ক প্রশস্ত করলেই সব সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।
প্রয়োজন উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, দুর্ঘটনায় দ্রুত সাড়া দেওয়া, কার্যকর বিকল্প পথ, সময়োপযোগী সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ এবং গণপরিবহনের সঙ্গে আরও ভালো সমন্বয়। পাশাপাশি সড়ক সম্প্রসারণের পরিবেশগত প্রভাব এবং নতুন যানবাহন চলাচল তৈরির সম্ভাবনাও বিবেচনায় নিতে হবে। এম২৫ ও এ৪০৬-এর ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়, একটি আধুনিক শহরের যোগাযোগব্যবস্থা শুধু রাস্তার দৈর্ঘ্য বা লেনের সংখ্যার ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে পরিকল্পনা, প্রযুক্তি, জনসংখ্যা, অর্থনীতি এবং মানুষের প্রতিদিনের প্রয়োজন। লন্ডনের চারপাশে এম২৫ এবং উত্তর লন্ডনজুড়ে এ৪০৬ যেন দুটি বিশাল পরিবহনধমনি। এই দুই সড়ক সচল থাকলে রাজধানীর বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াত ও ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হয়। আর বড় ধরনের যানজট বা সড়ক বন্ধ হলে তার প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে বহু দূর পর্যন্ত।
সুতরাং এম২৫ ও এ৪০৬ শুধু দুটি সড়কের নাম নয়; এগুলো আধুনিক লন্ডনের অর্থনীতি, যোগাযোগ এবং দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
লেখক পরিচিতি – নাশীত রহমান যুক্তরাজ্যভিত্তিক একজন বিশিষ্ট ও অভিজ্ঞ আইনজীবী, যিনি ইমিগ্রেশন, অ্যাসাইলাম ও মানবাধিকার আইনে বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী হিসেবেও তাঁর রয়েছে তিন দশকেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য পেশাগত অভিজ্ঞতা। তিনি জনপ্রিয় সরাসরি সম্প্রচারিত আইনি অনুষ্ঠান “Law with N Rahman”-এর দীর্ঘদিনের উপস্থাপক। যুক্তরাজ্যের সংসদীয় ও নীতিনির্ধারণী আলোচনা, অভিবাসন আইন, মানবাধিকার এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখালেখি, আইনি বিশ্লেষণ, পরামর্শ ও অবদান ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

