18.8 C
London
September 29, 2026
TV3 BANGLA
বাংলাদেশ

বাংলাদেশে সমুদ্রে আর থাকবে না নৌযান ‘নজরদারির বাইরে’, ৪ লিও স্যাটেলাইটের পরিকল্পনা

বঙ্গোপসাগরে চলাচলকারী নৌযানকে সার্বক্ষণিক স্যাটেলাইট নজরদারির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে নৌযানে থাকা ‘অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম’ বা এআইএসকে স্যাটেলাইটভিত্তিক ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করে একটি স্বতন্ত্র মেরিটাইম এআইএস ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থা চালু হলে বঙ্গোপসাগরে থাকা আওতাভুক্ত নৌযানের পরিচয়, অবস্থান, গতি ও গতিপথের তথ্য উপকূলে থাকা কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টার থেকে পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এমনকি রাজধানী ঢাকায় বসেও এসব নৌযানের গতিবিধি নজরে রাখা সম্ভব হবে।

 

বর্তমানে গভীর সমুদ্রে গেলে মাছ ধরার ট্রলারসহ অনেক নৌযান মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে চলে যায়। উপকূল বা দ্বীপ থেকে সাধারণত ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পর্যন্ত মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়। বিশেষ হাই-গেইন অ্যান্টেনা ও বুস্টার ব্যবহার করলে এই সীমা সর্বোচ্চ ৩৮ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। এর পর নৌযানগুলো স্থলভিত্তিক যোগাযোগব্যবস্থার বাইরে চলে যায়।

ফলে কোনো নৌযান ঝড়, যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তার সঠিক অবস্থান দ্রুত শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। নৌযানটি সর্বশেষ কোথায় ছিল বা কোন দিকে যাচ্ছিল— এসব তথ্য না থাকায় নিখোঁজ নৌযান উদ্ধারে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন হয়।

প্রস্তাবিত স্যাটেলাইটভিত্তিক এআইএস ব্যবস্থা চালু হলে এই সীমাবদ্ধতা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে। নৌযানে থাকা এআইএস ডিভাইস থেকে পাওয়া পরিচয়, অবস্থান, গতি ও গতিপথের তথ্য স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ডেটা ব্যবস্থায় পৌঁছাবে। ফলে মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা নৌযানও ডিজিটাল পরিচয়ের মাধ্যমে নজরদারির আওতায় থাকবে।

 

 

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড জানিয়েছে, এই ব্যবস্থা তৈরির জন্য চারটি লো আর্থ অরবিট বা লিও স্যাটেলাইট নিয়ে একটি স্যাটেলাইট কনস্টেলেশন গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে উদ্যোগটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাই, কারিগরি নকশা, অর্থায়ন ও টেন্ডারসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম সামুদ্রিক মৎস্য দপ্তরের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, মাছ ধরার নৌযানকে স্যাটেলাইটভিত্তিক নজরদারির আওতায় আনার বিষয়ে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কেন্দ্রীয় পর্যায়েও এ নিয়ে বৈঠক হয়েছে। তবে ব্যবস্থাটি কীভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সরকারি হিসাবে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার আয়তন প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার। এই বিশাল জলসীমায় মাছ ধরতে যায় প্রায় ৩০ হাজার নৌযান। মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে নিবন্ধিত সামুদ্রিক মাছ ধরার নৌযান রয়েছে ২৮ হাজার ৮১২টি। এর মধ্যে ২৩৭টি শিল্প ট্রলার এবং ২৮ হাজার ৫৭৫টি যান্ত্রিক ও কারিগরি নৌযান।

তবে ছোট-বড় এবং নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত সব নৌযান মিলিয়ে মোট সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এত বিপুলসংখ্যক নৌযানকে নিয়মিত ডিজিটাল নজরদারির আওতায় আনা বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জ।

 

 

এর আগে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত ‘সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিশারিজ’ প্রকল্পের আওতায় প্রায় তিন বছর নৌযানগুলোর ওপর সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। ওই উদ্যোগে ছোট নৌযানে প্রায় ১০ হাজার ট্র্যাকিং ডিভাইস দেওয়া হয়। পাশাপাশি পাঁচটি বড় শিল্প ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং ডিভাইস বসিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

কিন্তু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গেলে ওই ডিজিটাল নজরদারি কার্যক্রমও বন্ধ হয়ে যায়। বর্তমানে মৎস্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সমুদ্রে থাকা নৌযানগুলোর নিয়মিত ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু নেই।

তবে শারীরিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। সার্ভিলেন্স চেকপোস্টে ২৪ ঘণ্টা কর্মকর্তা ও পরিদর্শকরা দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি সমুদ্রে টহলের সময় নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড প্রচলিত আইন অনুযায়ী মাছ ধরার নৌযান পরিদর্শন করে থাকে।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় প্রতিটি নৌযানের জন্য একটি স্বতন্ত্র ডিজিটাল পরিচয় রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। অনেকটা সড়কে চলাচলকারী গাড়ির নম্বরপ্লেটের মতো এই পরিচয় ব্যবহার করে সমুদ্রে থাকা প্রতিটি নৌযানকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা যাবে।

এআইএস ডিভাইসের মাধ্যমে নৌযানের নাম ও পরিচয়, অবস্থান, গতি এবং কোন দিকে যাচ্ছে— এসব তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে তথ্য পৌঁছাবে কেন্দ্রীয় ডেটা ব্যবস্থায়।

কোনো নৌযানের গতিপথে অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে সেটিকে আলাদাভাবে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে। দীর্ঘ সময়ের তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ নীতি নির্ধারণেও এসব তথ্য ব্যবহার করা যাবে।

 

 

প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় নৌযান থেকে জরুরি সংকেত বা এসওএস পাঠানোর সুবিধা রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে। কোনো নৌযান গভীর সমুদ্রে বিপদে পড়লে সংকেত কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারে পৌঁছানোর পর উদ্ধারকারী সংস্থাগুলো নির্দিষ্ট অবস্থানে দ্রুত অভিযান চালাতে পারবে।

প্রস্তাবিত প্রযুক্তির ব্যবহার শুধু নৌযান শনাক্তকরণ ও নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। সমুদ্রে কখন, কোথায় এবং কতসংখ্যক নৌযান মাছ ধরছে— সেই তথ্য দীর্ঘমেয়াদে সংরক্ষণ করা গেলে বঙ্গোপসাগরের মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশের সামুদ্রিক উৎস থেকে ৬ দশমিক ২৯ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়েছে। একই সময়ে দেশের মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৫০ দশমিক ১৮ লাখ মেট্রিক টন।

তবে সামুদ্রিক মাছের উৎপাদনে বছরভেদে ওঠানামা রয়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সামুদ্রিক মাছের উৎপাদন ছিল ৬ দশমিক ৭১ লাখ মেট্রিক টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৮১ লাখ এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭ দশমিক ৬ লাখ মেট্রিক টন। পরবর্তী সময়ে উৎপাদন কমে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬ দশমিক ৭৯ লাখ এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৬ দশমিক ২৯ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়ায়।

ইলিশের ক্ষেত্রেও বঙ্গোপসাগরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সামুদ্রিক উৎস থেকে ২ দশমিক ৮১ লাখ মেট্রিক টন ইলিশ আহরণ করা হয়। অভ্যন্তরীণ জলাশয় থেকে আসে ২ দশমিক ৪৮ লাখ টন। সব মিলিয়ে ওই অর্থবছরে দেশে ইলিশের মোট উৎপাদন ছিল ৫ দশমিক ২৯ লাখ মেট্রিক টন।

 

 

তবে এআইএস নিজে সমুদ্রে মাছের অবস্থান শনাক্ত করবে না। এর মূল কাজ হবে নৌযানের পরিচয় ও গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা। সমুদ্রে কোথায় মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি তা জানতে পানির তাপমাত্রা, রং, ক্লোরোফিল, প্ল্যাঙ্কটন ও সমুদ্রস্রোতের মতো তথ্যের প্রয়োজন হয়। এসব তথ্য পেতে স্যাটেলাইট রিমোট সেন্সিং এবং মাছের ঝাঁক শনাক্ত করতে সোনার ও ইকো-সাউন্ডারের মতো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

অর্থাৎ এআইএস জানাবে— ‘নৌযানটি কোথায় আছে’; আর সমুদ্রবিজ্ঞানভিত্তিক প্রযুক্তি জানাতে পারে— ‘কোথায় মাছ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি’। ভবিষ্যতে দুই ধরনের তথ্য একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা গেলে বঙ্গোপসাগরের মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনায় আরও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

প্রস্তাবিত মেরিটাইম এআইএস ব্যবস্থায় চারটি লো আর্থ অরবিট বা লিও স্যাটেলাইট ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। পৃথিবীর তুলনামূলক কাছের কক্ষপথে থাকা এসব স্যাটেলাইট বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার ওপর দিয়ে অতিক্রম করার সময় নৌযানগুলোর এআইএস সংকেত গ্রহণ করবে এবং তা কেন্দ্রীয় ডেটা ব্যবস্থায় পাঠাবে।

তবে একটি স্যাটেলাইট কতক্ষণ নির্দিষ্ট এলাকার ওপর থাকবে, কত সময় পর আবার একই এলাকায় ফিরে আসবে এবং তথ্য আদান-প্রদান কতটা নিরবচ্ছিন্ন হবে— তা নির্ভর করবে স্যাটেলাইটের চূড়ান্ত কক্ষপথ, কারিগরি সক্ষমতা এবং পুরো ব্যবস্থার নকশার ওপর।

বর্তমানে মহাকাশে থাকা বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১কে এই কাজে সরাসরি ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেই। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১ মূলত সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ সেবার জন্য নির্ধারিত। সমুদ্রে নৌযানের পরিচয় ও গতিবিধি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নজরদারির জন্য আলাদা মেরিটাইম এআইএস অবকাঠামো প্রয়োজন।

বঙ্গোপসাগরে স্যাটেলাইটভিত্তিক নৌযান ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু করতে নৌযানে এআইএস ডিভাইস স্থাপন, স্যাটেলাইট ও গ্রাউন্ড স্টেশন, ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সমন্বিত কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

 

 

এ জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষার মাধ্যমে প্রযুক্তি, স্যাটেলাইটের সংখ্যা, অবকাঠামো, ব্যয় এবং রাজস্ব কাঠামো যাচাইয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। নিজস্ব স্যাটেলাইট তৈরি পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রাথমিক পর্যায়ে বিদেশি স্যাটেলাইট সেবা ব্যবহার করে সীমিত পরিসরে পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ইমাদুর রহমান জানিয়েছেন, সমুদ্রে চলাচলকারী কোনো নৌযান যেন নজরদারির বাইরে না থাকে— সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। নৌযানের পরিচয়, অবস্থান, গতি ও গতিপথ জানার পাশাপাশি বিপদে পড়া নৌযানের অবস্থান দ্রুত শনাক্ত করে উদ্ধারকাজ পরিচালনা করাই ব্যবস্থাটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

পরিকল্পনা অনুযায়ী নৌযানের ডিভাইস, গ্রাউন্ড স্টেশন, ডেটা সেন্টার এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থার আওতায় আনার কথা ভাবা হচ্ছে। নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, মৎস্য অধিদপ্তর, শিপিং ও বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রয়োজন অনুযায়ী এসব তথ্য ব্যবহারের সুযোগ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।

সম্ভাব্যতা যাচাই, পাইলট প্রকল্প, প্রযুক্তি নির্বাচন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং স্যাটেলাইট নির্মাণের কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে ২০২৮ সাল নাগাদ বঙ্গোপসাগরে বড় পরিসরে স্যাটেলাইটভিত্তিক নৌযান ট্র্যাকিং সেবা চালুর লক্ষ্য রয়েছে। তবে প্রকল্পটি এখনো পরিকল্পনা ও প্রাথমিক বাস্তবায়ন পর্যায়ে থাকায় চূড়ান্ত স্যাটেলাইট সংখ্যা, ব্যয়, প্রযুক্তি ও পরিচালন কাঠামো পরবর্তী ধাপে নির্ধারিত হবে।

সূত্রঃ বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের তথ্য

এমকে

আরো পড়ুন

সিলেটে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে ঘিরে উঠল বিতর্কিত নেতাকর্মীদের প্রশ্রয়ের অভিযোগ

জাফলংয়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগঃ ইজারার শর্ত ভেঙে ড্রেজারে চলছে লুটপাট, পর্যটন শিল্প ধ্বংসের শঙ্কা

অর্ডার মিলছে না গার্মেন্টসের, শিল্পে বিপর্যয়ের আশঙ্কা!