ব্রিটেনের এম-সিক্স হাইওয়েতে সংগঠিত অভিবাসন অপরাধ দমনে তিন দিনের যৌথ অভিযানে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে ৬৬টি গাড়ি থামিয়ে শতাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় ৫ হাজার পাউন্ড নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।
স্টাফোর্ডশায়ার পুলিশ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভিবাসন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং ড্রাইভার অ্যান্ড ভেহিকেল স্ট্যান্ডার্ডস এজেন্সি—ডিভিএসএ—যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। ২০২৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবরের মধ্যে তিন দিন অভিযান চালানো হয়।
অভিযানে অভিবাসন-সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সঙ্গে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড, যানবাহন ব্যবহার এবং সম্ভাব্য শোষণের ঝুঁকি যাচাই করা হয়।
অভিবাসন অপরাধের পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযানে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো, অসতর্কভাবে গাড়ি চালানো, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার এবং সিটবেল্ট না পরার মতো অপরাধে চালকদের জরিমানা ও পেনাল্টি পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল মানবপাচার ও মর্ডান স্লেভারির শিকার হতে পারেন—এমন ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। স্টাফোর্ডশায়ার পুলিশের আধুনিক দাসত্ব ও মানবপাচারবিরোধী ইউনিটের গোয়েন্দা সার্জেন্ট ক্লেয়ার মেস বলেন, অপরাধী চক্রের মাধ্যমে শোষণের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও সুরক্ষা দেওয়াকে যৌথ অভিযানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিবাসন অপরাধের পাশাপাশি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের কর্মকাণ্ড এবং মানুষের শোষণের সঙ্গে জড়িত নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতেও এ ধরনের যৌথ অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সূত্রঃ স্টাফোর্ডশায়ার পুলিশ ও এক্সপ্রেস অ্যান্ড স্টার
এমকে

