যুক্তরাজ্যের ক্রোবরো এলাকার একটি সাবেক সামরিক ঘাঁটিতে অনিয়মিত কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীদের আবাসনের সরকারি পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, সরকারের সিদ্ধান্তের ফলে তাদের উদ্বেগ ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত প্রশ্নগুলো উপেক্ষিত হচ্ছে এবং তারা নিজেদের “পরিত্যক্ত” মনে করছেন।
এ ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে যুক্ত রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের সংগঠন ক্রোবরো শিল্ড। সংগঠনটির চেয়ারম্যান কিম বেইলি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সরকার আশ্রয়প্রার্থীদের হোটেল থেকে সরিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা না করেই নতুন সংকট তৈরি করছে।
তার দাবি, “শাবানা মাহমুদ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মানুষকে হোটেল থেকে বের করে দেবেন, তাদের গৃহহীন করবেন এবং তারপর একটি জরুরি পরিস্থিতি তৈরি করবেন।”
কিম বেইলির অভিযোগ, হোটেল খালি করার নীতির কারণে আশ্রয়প্রার্থীদের দ্রুত বিকল্প আবাসনে স্থানান্তরের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে স্থানীয় একটি সাবেক সামরিক স্থাপনা ব্যবহার করার উদ্যোগ নেওয়া হলেও, এ বিষয়ে স্থানীয় জনগণের মতামত ও উদ্বেগকে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, সরকারের বর্তমান নীতির ফলে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হতে পারে। এ কারণেই তারা আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্তটি চ্যালেঞ্জ করছেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য সরকার আশ্রয়প্রার্থীদের ব্যয়বহুল হোটেল নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। তবে এ ধরনের উদ্যোগ বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সমর্থন ও বিরোধিতা—উভয় ধরনের প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
ক্রোবরোতে চলমান এই আইনি লড়াইও সেই বিতর্কেরই নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো জানানো হয়নি।
সূত্রঃ জিবি নিউজ
এম.কে

