TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যে ওয়েদার্সফিল্ড আশ্রয়কেন্দ্র ২০২৯ পর্যন্ত চালুর সিদ্ধান্তে ক্ষোভঃ সরকারকে চিঠি

যুক্তরাজ্যের এসেক্সে অবস্থিত ওয়েদার্সফিল্ড আশ্রয়কেন্দ্র ২০২৯ সাল পর্যন্ত চালু রাখার লেবার সরকারের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী কনজারভেটিভ দলের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে সরকারের কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জেমস ক্লেভারলি জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সরকারের নতুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনা টার্লি এমপির কাছে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি জানতে চেয়েছেন, কী কারণে ওয়েদার্সফিল্ড আশ্রয়কেন্দ্রের কার্যক্রম ২০২৯ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে একটি বৈঠকেরও অনুরোধ জানিয়েছেন।

ক্লেভারলি আরও জানান, ওয়েদার্সফিল্ড কেন্দ্রটি বন্ধের দাবিতে তার শুরু করা পিটিশনে ইতোমধ্যে দুই হাজারের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেছেন। তিনি দাবি করেন, লেবার সরকার নির্বাচনের আগে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এই সিদ্ধান্ত তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, “লেবারকে অবশ্যই ওয়েদার্সফিল্ড বন্ধ করতে হবে। আর কোনো বিলম্ব নয়, আর কোনো ভঙ্গ প্রতিশ্রুতি নয়।”

ওয়েদার্সফিল্ড আশ্রয়কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক নেতা এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। কেন্দ্রটি পরিচালনা, আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা এবং স্থানীয় জনগণের ওপর এর প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এদিকে লেবার সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রটি ২০২৯ সাল পর্যন্ত চালু রাখার সিদ্ধান্তের পেছনে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন ব্যবস্থাপনা এবং চলমান সক্ষমতার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বিরোধী দল সরকারের এই অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এবং সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যে অভিবাসন ও আশ্রয়নীতি বর্তমানে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যু। ওয়েদার্সফিল্ড আশ্রয়কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন এই বিতর্ক আগামী দিনগুলোতে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।

সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া

এম.কে

আরো পড়ুন

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাবেন না পুতিন

পাঁচ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিদায় নিয়েছেন, রয়ে গেছেন মেয়র সাদিক খান

যে ৫টি শর্ত পূরণ করলে ব্রিটেনের ‘রেডলিস্ট’ থেকে মুক্তি পাবে বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক