যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন ব্যর্থ হওয়ার পর ইউকে ছেড়ে যাওয়া ব্যক্তিদের জন্য নতুন কঠোর নীতির প্রস্তাব এসেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ভবিষ্যতে তারা আবার যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে চাইলে আগে সরকারের দেওয়া আবাসন ও আর্থিক সহায়তার ব্যয়ের একটি অংশ পরিশোধ করতে হবে। বকেয়া পরিশোধ না করা পর্যন্ত তাদের যুক্তরাজ্যে ফেরার অনুমতি দেওয়া হবে না।
প্রস্তাবিত নীতিতে বলা হয়েছে, আশ্রয়প্রার্থীরা যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে সরকারের পক্ষ থেকে যে আবাসন ও আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন, ভবিষ্যতে তারা আর্থিকভাবে সক্ষম হলে সেই ব্যয়ের জন্য মোট প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে।
সরকারের ভাষ্য, এই উদ্যোগের মাধ্যমে করদাতাদের অর্থের ওপর সৃষ্ট আর্থিক চাপের দায়ভার নিশ্চিত করা হবে এবং আশ্রয়ব্যবস্থাকে আরও ন্যায্য, জবাবদিহিমূলক ও টেকসই করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে যারা আশ্রয়ের আবেদন ব্যর্থ হওয়ার পর স্বেচ্ছায় দেশ ত্যাগ করবেন, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি ব্যয় পুনরুদ্ধারের সুযোগও তৈরি হবে।
নীতি অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করেন, তাহলে ভবিষ্যতে তিনি যুক্তরাজ্যে প্রবেশের আবেদন করলেও সেই ঋণ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দেশে ফেরার অনুমতি পাবেন না।
বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব কার্যকর হলে যুক্তরাজ্যের আশ্রয় ও অভিবাসন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসতে পারে। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এর বাস্তবায়ন, আর্থিক সক্ষমতা নির্ধারণের পদ্ধতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও শরণার্থী আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।
সূত্রঃ হোম অফিস পেজ
এম.কে

