মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে তেহরানে বৈঠক করেছে ইরান, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের প্রতিনিধিরা। তবে বৈঠকে ঠিক কোন কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো পক্ষই বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।
সোমবার তেহরানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজাই উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে মক্কা চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান এবং তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিন।
বৈঠক চলাকালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, বিভেদের বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেওয়ার পরিবর্তে দেশগুলোর মধ্যে সাদৃশ্য ও অভিন্ন স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যাগুলো আরও সহজে ও কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তাসহ চার দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রাখতে সম্মত হয়েছেন। তবে আলোচনার নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু, সম্ভাব্য সিদ্ধান্ত কিংবা কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
বৈঠক শেষে সোমবার রাতেই মস্কোর উদ্দেশে তেহরান ছাড়েন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ক্রেমলিন জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে পেজেশকিয়ান এবং কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
তেহরানের এই বৈঠকের পর রাশিয়ায় নির্ধারিত উচ্চপর্যায়ের সাক্ষাৎ মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক যোগাযোগের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে চার দেশের বৈঠক এবং মস্কোর আলোচনার মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট সমন্বয় রয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে কিছু বলা হয়নি।
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা
এমকে

