TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যে বার্নহ্যামের সমর্থনে এগোচ্ছে অভিবাসন বিলঃ লেবার এমপিদের একাংশের তীব্র আপত্তি

যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের প্রস্তাবিত অভিবাসন ও আশ্রয় বিলের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছেন। সোমবার হাউস অব কমন্সে দ্বিতীয় পাঠে বিলটির পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা রয়েছে তার। সরকার বলছে, এই বিলের লক্ষ্য অবৈধ অভিবাসন ও ছোট নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি কমিয়ে আশ্রয়ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও বিশ্বাসযোগ্য করা।

প্রস্তাবিত আইনে বিদেশি অপরাধী ও প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের মানবাধিকার আইনের আশ্রয়ে বহিষ্কার ঠেকানোর সুযোগ সীমিত করা, আপিল প্রক্রিয়া সহজ করা, অভিবাসীদের আবাসন ব্যয় ফেরত দেওয়ার বিধান এবং দ্রুত বহিষ্কারের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত শরণার্থীদের জন্য নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন পথ সম্প্রসারণের কথাও বলা হয়েছে।

তবে বিলটির অভিবাসন-সংক্রান্ত সংস্কার, বিশেষ করে স্থায়ী বসবাসের অনুমতির জন্য অপেক্ষার সময় পাঁচ বছর থেকে দশ বছরে উন্নীত করার প্রস্তাব, লেবার পার্টির ভেতরে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। প্রায় ৮০ জন লেবার এমপি বার্নহ্যামের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ প্রস্তাব পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি, বিদ্যমান অভিবাসীদের ক্ষেত্রে এ ধরনের পরিবর্তন অন্যায্য হতে পারে এবং স্বাস্থ্য ও পরিচর্যা খাতের কর্মীদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার সম্ভাব্য কিছু ছাড় বা অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা বিবেচনা করছে। এর মধ্যে সরকারি খাতের কর্মীদের অব্যাহতি, অপেক্ষার সময়সীমা কমানো অথবা স্থায়ী বসবাসের যোগ্যতার কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়া ব্যক্তিদের নতুন নিয়মের বাইরে রাখার প্রস্তাব রয়েছে।

এদিকে বার্নহ্যামের প্রধানমন্ত্রী হওয়া প্রায় নিশ্চিত হলেও সংসদের গ্রীষ্মকালীন বিরতির কারণে সেপ্টেম্বরের আগে তাকে পার্লামেন্টে নিয়মিত জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হবে না। বিরোধীরা বিষয়টিকে গণতান্ত্রিক জবাবদিহির ঘাটতি হিসেবে দেখছে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে অভিবাসন নীতির চূড়ান্ত রূপ কী হবে, তা এখন যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

সূত্রঃ দ্য টেলিগ্রাফ

এম.কে

আরো পড়ুন

আই ব্যবহার করে বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের যুদ্ধে যোগ দিচ্ছে যুক্তরাজ্যের এক স্টার্টআপ কোম্পানি

লন্ডনে প্যালেস্টাইনি দূতাবাসের উদ্বোধনে উচ্ছ্বাস, পতাকা উত্তোলনে ইতিহাস রচিত

যে কারণে যুক্তরাজ্যে কেউ আর ট্রাক চালাতে চান না