Categories
স্পোর্টস

আইসিসির অনুরোধেও অনড় বিসিবি, ভারতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ

আইসিসির অনুরোধের পরও টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে গিয়ে না খেলার কথা আইসিসিকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে বিসিবি। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সের পর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়ছে।

 

আইসিসির সঙ্গে এই বৈঠকে বিসিবির পক্ষে অংশ নেন বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল, দুই সহ-সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন ও ফারুক আহমেদ, পরিচালক ও ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম ও সিইও নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন।

বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভারতের নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় সেখানে দল না পাঠানোর ব্যাপারে বিসিবি আগের সিদ্ধান্তেই অটল আছে। আইসিসি অবশ্য সভাতে বিসিবিকে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছে। আইসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপের সূচি এরই মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে বিসিবি তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আনেনি।

বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে কোনো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে সরিয়ে নিতে আইসিসিকে পুনরায় প্রস্তাব দিয়েছে বিসিবি। ক্রিকেটার, কোচিং স্টাফ ও অফিশিয়ালদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকেই তারা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

আলোচনার মাধ্যমে এই সংকটের সমাধান খুঁজতে সম্মত হয়েছে বিসিবি ও আইসিসি। সামনের দিনগুলোতেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুই পক্ষ।

এম.কে

Categories
বাংলাদেশ

কোটিপতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরি, আয়ের উৎস ব্যাংক সুদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরি।

আলোচিত এই ইসলামি বক্তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তার আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।

নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামায় তার ওপর নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ দেখানো হয়নি।

তাহেরির পেশা ব্যবসা আর স্ত্রী গৃহিণী। সম্পদ যা আছে সবই নিজের নামে। স্ত্রীর নামে কিছুই নেই। এমনকি স্বর্ণ, গহনাও নেই। তবে নিজের নামে স্বর্ণ আছে ৩১ ভরি। নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

হলফনামায় তাহেরি উল্লেখ করেছেন, আয়ের খাত ব্যবসা, কৃষি ও ব্যাংক সুদ। কৃষি খাত থেকে বছরে আয় হয় ২৬ হাজার ৪শ টাকা। ব্যবসা থেকে আয় করেন ৭ লাখ ৯১ হাজার। আর ব্যাংক সুদ থেকে পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা। অস্থাবর সম্পদ হিসেবে নগদ অর্থ আছে ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা। ব্যাংকে জমা আছে ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা। স্বর্ণ আছে ৩১ ভরি। যার মূল্য ৬ লাখ টাকা। আসবাবপত্র আছে ৫ লাখ টাকার।

স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কৃষিজমি আছে ১ কোটি ৩২ লাখ ৩৯ হাজার টাকার; যার বর্তমান মূল্য ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা দেখানো হয়েছে। তবে তাহেরির স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের কারও নামে কোনো সম্পদ, গহনা, আসবাবপত্র, নগদ টাকা কিছুই নেই।

তাহেরির বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। হবিগঞ্জের মাধবপুরে তার শ্বশুরবাড়ি। সেই সূত্রে তিনি ওই আসনে প্রার্থী হয়েছেন। তাহেরির বিরুদ্ধে ৩টি মামলা রয়েছে। সবই চলমান। প্রতিটি মামলাই দায়ের হয়েছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর।

এম.কে

Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যে পরিচ্ছন্নতা আইন লঙ্ঘনে প্রবাসী বাংলাদেশির বিরুদ্ধে কঠোর রায়

পূর্ব লন্ডনের এক প্রবাসী বাংলাদেশি রাস্তায় সিগারেটের টুকরো ফেলে এবং পরে নিজের পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করায় বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়েছেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে সম্প্রতি বার্কিংসাইড ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

 

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম সাদিক আলী। তিনি লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি জনসাধারণের চলাচলের রাস্তায় সিগারেটের অবশিষ্টাংশ ফেলেন, যা যুক্তরাজ্যের পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের লঙ্ঘন।
ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজের পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করেন। বিষয়টি আদালতে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আরও গুরুতর হিসেবে বিবেচিত হয়।

আদালত রায়ে সাদিক আলীকে দোষী সাব্যস্ত করে জরিমানার আদেশ দেন। আদালত ও স্থানীয় কাউন্সিলের খরচসহ তাকে সর্বমোট ৭০০ পাউন্ডের বেশি অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকার সমান।

আদালত শুনানিতে উল্লেখ করেন, জনসম্মুখে ময়লা ফেলা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পরিচয় গোপন করা উভয়ই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের আচরণ জনশৃঙ্খলা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

এই রায়ের মাধ্যমে জনপরিসরে পরিচ্ছন্নতা রক্ষা ও আইন মেনে চলার বিষয়ে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। প্রবাসী কমিউনিটিতেও ঘটনাটি সতর্কতা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সূত্রঃ স্যোশাল মিডিয়া

এম.কে

Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

গ্রেটার ম্যানচেস্টারে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রিটিশ বাংলাদেশি ট্যাক্সি চালকসহ চারজন নিহত

যুক্তরাজ্যের গ্রেটার ম্যানচেস্টারে একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ব্রিটিশ বাংলাদেশি ট্যাক্সি চালকসহ চারজন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় ব্যাপক শোকের সৃষ্টি করেছে।

 

নিহতদের মধ্যে তিনজন কিশোর। তাদের নাম মুহাম্মদ দানিয়াল আসগর আলী, ফারহান প্যাটেল এবং মোহাম্মদ জিব্রাইল মুখতার। তারা সবাই গ্রেটার ম্যানচেস্টারের বোল্টনের বাসিন্দা বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার সময় তারা একই গাড়িতে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনায় নিহত অপর ব্যক্তি একজন ব্রিটিশ বাংলাদেশি ট্যাক্সি চালক। তার নাম মাসরব আলী। তিনি যুক্তরাজ্যের ব্ল্যাকবার্ন শহরের বাসিন্দা ছিলেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে তিনি এই দুর্ঘটনার শিকার হন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

নিহত চারজনেরই পারিবারিক শিকড় বাংলাদেশের সিলেট জেলায়। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে এই ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত পরিস্থিতি এখনো তদন্তাধীন। এ ঘটনায় এখনো নিহতদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় ও আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা যুক্তরাজ্যে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সূত্রঃ বিবিসি

এম.কে

Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

কাজিন বিয়ে নিষিদ্ধ না করার সিদ্ধান্তে অনড় লেবারঃ যুক্তরাজ্যের ওপর মার্কিন চাপ

যুক্তরাজ্যে কাজিন বিয়ে নিষিদ্ধ না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের সরকার আন্তর্জাতিক সমালোচনার মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস এই অবস্থানকে সরাসরি ‘সভ্যতাগত উদ্বেগ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে, যা লন্ডন ও ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের প্রভাবশালী কর্মকর্তা ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্ডারসেক্রেটারি সারাহ রজার্স সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে স্টারমারের একটি ভিডিও শেয়ার করে সমালোচনা করেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, গত বছরের মার্চে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে স্টারমার কাজিন বিয়ে নিষিদ্ধের পক্ষে অবস্থান নিতে অস্বীকৃতি জানান। রজার্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে ‘সভ্যতাগত উদ্বেগ’ বলতে ঠিক এই ধরনের নীতিগত ব্যর্থতাকেই বোঝানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন হোয়াইট হাউস ইউরোপে অভিবাসন ও সামাজিক কাঠামো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ২৯ পৃষ্ঠার মার্কিন নিরাপত্তা নথিতে সতর্ক করে বলা হয়, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ইউরোপ ‘সভ্যতাগত বিলুপ্তি’র ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

যুক্তরাজ্যে কাজিন বিয়ে বর্তমানে বৈধ হলেও, চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই এর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করে আসছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের মধ্যে বিয়ের ফলে শিশুদের মধ্যে সিকল সেল রোগ, সিস্টিক ফাইব্রোসিসসহ বিভিন্ন জেনেটিক রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এই প্রথা দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির কিছু অংশে তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়।

কনজারভেটিভ পার্টির এমপি রিচার্ড হোল্ডেন,(যিনি কাজিন বিয়ে নিষিদ্ধে একটি ব্যক্তিগত সদস্য বিল উত্থাপন করেছেন) লেবার সরকারের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, এই প্রথা শুধু স্বাস্থ্যঝুঁকিই নয়, বরং নারীর অধিকার, সামাজিক বিচ্ছিন্নতা এবং ‘বন্ধ কমিউনিটি’ তৈরির সঙ্গেও জড়িত। তার অভিযোগ, লেবার সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে এবং স্পষ্ট অবস্থান নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

বিলটির দ্বিতীয় পাঠ সম্প্রতি হওয়ার কথা থাকলেও হাউস অব কমন্স না বসায় তা স্থগিত হয়ে যায়। হোল্ডেনের দাবি, সরকার চাইলে সহজেই বিলটি এগিয়ে নিতে পারত, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তা করা হয়নি।

এই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে নারীর নিরাপত্তা ও অনার কিলিং প্রসঙ্গ। সারাহ রজার্স সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা তথ্যে দাবি করেন, কিছু দেশে কাজিন বিয়ের সঙ্গে অনার কিলিংয়ের সামাজিক বাস্তবতার যোগসূত্র রয়েছে। তার বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের অনলাইন নিয়ন্ত্রণ নীতির প্রতিও কটাক্ষ করা হয়, বিশেষ করে এক্স প্ল্যাটফর্ম নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা নিয়ে।

এর আগে, এনএইচএস ইংল্যান্ডের একটি নিবন্ধে কাজিন বিয়ের সম্ভাব্য ‘পারিবারিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা’ তুলে ধরায় ব্যাপক সমালোচনা হয় এবং পরে ক্ষমা চাওয়ার দাবি ওঠে। সমালোচকদের মতে, স্বাস্থ্যঝুঁকি উপেক্ষা করে এ ধরনের বক্তব্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বার্তা দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রে কাজিন বিয়ে ১৫টির বেশি অঙ্গরাজ্যে বৈধ হলেও, ট্রাম্প প্রশাসন বিষয়টিকে সাংস্কৃতিক ও নিরাপত্তাগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে। যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজে এই প্রথা নিষিদ্ধে কোনো উদ্যোগ নেননি, তবুও যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে তার প্রশাসনের কঠোর ভাষা নজর কেড়েছে।

কাজিন বিয়ের হার যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র—উভয় দেশেই প্রায় ১ শতাংশে নেমে এলেও, যুক্তরাজ্যের ব্র্যাডফোর্ডের মতো কিছু এলাকায় এটি এখনও তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত কমিউনিটির মধ্যে প্রথম বা দ্বিতীয় কাজিনের সঙ্গে বিয়ের হার উল্লেখযোগ্য।

সব মিলিয়ে, কাজিন বিয়ে ইস্যু এখন শুধু একটি সামাজিক বা স্বাস্থ্যগত বিতর্ক নয়; এটি যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যেও স্পষ্ট প্রভাব ফেলছে। স্টারমার সরকার এই চাপের মুখে অবস্থান পরিবর্তন করবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা বাড়ছে।

সূত্রঃ দ্য টেলিগ্রাফ

এম.কে

Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির নেতার পদত্যাগ হতে পারে জানুয়ারির শেষে

রোজি ডাফিল্ড, একসময় লেবারের উজ্জ্বল তারকা এখন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টার্মারের এক তীব্র সমালোচক। তিনি বলেছেন, স্টার্মার পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে পার্টিকে নেতৃত্ব দেবেন তা তিনি মনে করেন না। ডাফিল্ড ইঙ্গিত দিয়েছেন, স্টারমারের পদত্যাগের সম্ভাবনা “জানুয়ারির শেষের মধ্যে” হতে পারে।

ডাফিল্ড সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ লেবার এমপিদের গ্রুপ ত্যাগ করেন। তিনি পার্টির ভেতরের “দুর্নীতি, আত্মীয়প্রীতি এবং লোভ”–এর বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেন। বিশেষ করে ‘ফ্রিবি-গেট’ কেলেঙ্কারির কারণে শীর্ষ নেতাদের ফ্রি পোশাক এবং টিকিট পাওয়ার ঘটনাকে তিনি উদ্বেগজনক বলে জানান।

মহিলা পার্লামেন্টারি গ্রুপের চেয়ার হিসেবে ডাফিল্ড উচ্চ প্রোফাইলের হওয়া সত্ত্বেও একলিঙ্গের স্থান এবং যৌনভিত্তিক অধিকার নিয়ে বিতর্কে রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হন এবং তার মানসিক চাপ বেড়ে যায়।

তিনি জানান, পার্টির ভেতরের মানুষজন তাকে ভয় পাচ্ছিলেন এবং বন্ধুত্ব করার সাহস পাচ্ছিলেন না।
ডাফিল্ডের মতে, কিয়ার স্টার্মার নেতৃত্বে তিনি দলের ভেতর থেকে হয়রানির শিকার হন। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধান নেতা কখনও তাকে সাহায্য, সমর্থন বা রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসেননি। তিনি জানান, তিনি “যৌনভিত্তিক অধিকার এবং জৈবিক বাস্তবতায় বিশ্বাস করার জন্য” শাস্তি পেয়েছেন।

তবে তিনি লেবার পার্টিতে পুনরায় যোগদানের সম্ভাবনা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন নাই। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, যদি মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম নেতৃত্বের জন্য পথ খুঁজে পান, তবে তিনি পুনরায় লেবার পার্টিতে যোগ দিতে আগ্রহী হবেন। ডাফিল্ড মনে করেন, লন্ডনের বাইরে থেকে এমন একজন নেতা প্রয়োজন, যিনি রাজনৈতিক বাস্তব জ্ঞান অর্জন করেছেন।

তিনি সাবধান করেছেন, পার্টি কেবল তার মন্ত্রিসভার কারোকে নেতা হিসেবে নির্বাচন করলে পরবর্তী নির্বাচনে লেবারের কোনো সুযোগ থাকবে না। তিনি বলেন, পার্টির বর্তমান নেতৃত্ব হয়তো তাকে পুনরায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেবে না

একটি landmark সুপ্রিম কোর্টের রায়ে (২০২৪ এপ্রিল) Equality Act-এ “sex”, “man” এবং “woman” শব্দের অর্থ জৈবিক হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ডাফিল্ড বিশ্বাস করেন, তার লিঙ্গ-ভিত্তিক অধিকার সংক্রান্ত মতামত জনসাধারণের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, তবে এই লড়াই সংসদ, প্রতিষ্ঠান, সংস্থা বা NHS-এ এখনও জিততে পারেনি।

তিনি অভিযোগ করেছেন, জেন্ডার-ক্রিটিকাল মতাদর্শের কারণে মানুষদের রাজনৈতিক ও সৃজনশীল ক্ষেত্রে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
ডাফিল্ড সরকারের পিউবার্টি ব্লকিং ড্রাগের ট্রায়ালকেও “ভয়ঙ্কর” বলে উল্লেখ করেছেন এবং তা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন, সতর্ক করে বলেছেন, এটি ভবিষ্যতে সকলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

সূত্রঃ দ্য এক্সপ্রেস

এম.কে

Categories
আন্তর্জাতিক

প্রথম দেশ হিসেবে মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে যখন সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়, তখন সেখানে নিজের স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠিয়েছিলেন মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক ইন্টারনেট একপ্রকার অচল করে দিয়েছে ইরান।

ইরান ওয়্যারের বরাত দিয়ে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানিয়েছে, ‘ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে–এমন খবর শোনা গেলেও আদতে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে।’ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ৩০ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার পরেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের ‘৮০ শতাংশেরও বেশি’ ট্র্যাফিকের কার্যক্রম প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ‘পূর্ববর্তী ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় এখন ইরানে (স্টারলিংক) রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেশি।’ তবে তারা যোগ করেছে, ‘(দেশটির) সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি, ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা অবৈধ।’

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য জিপিএস ব্যবহার করে। টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ‘গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর থেকেই জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে ইরান।’ এর ফলে শাটডাউনগুলো স্থানভেদে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে এক ধরনের ‘প্যাচওয়ার্ক কুইল্ট’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে—যার মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত ২০ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’

স্টারলিংক ডেটা প্যাকেটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা প্রযুক্তিবিদরাও বলছেন, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে ইরান স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ—ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে ১৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’

সূত্রঃ টাইমস অব ইসরায়েল

এম.কে

Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

ইউক্রেনের জন্য নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে যুক্তরাজ্য

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেনের জন্য নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে যুক্তরাজ্য। নতুন ক্ষেপণাস্ত্রটি ২০০ কেজি বিস্ফোরক (ওয়্যারহেড) বহন করে ৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে পারবে।

‘প্রজেক্ট নাইটফল’ নামের বিশেষ একটি প্রকল্পের আওতায় তৈরি করা হচ্ছে এই ক্ষেপণাস্ত্র।

যুক্তরাজ্যের সরকারের ওয়েব পোর্টাল গভ ডট ইউকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এক প্রতিবেদনে গভ ডট ইউকে-তে বলা হয়েছে, এই প্রকল্পের সবগুলো ক্ষেপণাস্ত্র হবে নাইটফল সিরিজের অন্তর্গত। প্রতি মাসে ১০টি ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা হবে এবং এক একটি ক্ষেপণাস্ত্রের দাম পড়বে ৮ লাখ পাউন্ড।

নাইটফল সিরিজের এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বিভিন্ন যানবাহন থেকে নিক্ষেপ করা যাবে এবং প্রায় একসঙ্গে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া যাবে। ফলে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের পক্ষে সবগুলো ক্ষেপণাস্ত্রকে আটকানো বেশ কঠিন হবে।

 

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বলেছেন, “রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সম্ভবত ভাবছেন যে, তিনি দায়মুক্তি পেয়ে গেছেন। এ কারণেই সম্প্রতি ইউক্রেনে হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি এবং সামরিক লক্ষ্যবস্তুগুলোর পাশাপাশি বেসামরিক এলাকাতেও বোমা ফেলছে রুশ বাহিনী। তবে এত সহজে পুতিন ছাড় পাবেন না। ইউক্রেন লড়াই করবে এবং এ লড়াইয়ে যুক্তরাজ্য ইউক্রেনের পাশে থাকবে।

এই ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের প্রতি যুক্তরাজ্যের লৌহকঠিন প্রতিশ্রুতির নিদর্শন।

সূত্রঃ রয়টার্স, গভ ডট ইউকে

এম.কে

Categories
বাংলাদেশ

ভারতে বাংলাদেশি শনাক্তে তৈরি হচ্ছে এআই টুল

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফাড়নবিস জানিয়েছেন, রাজ্যে অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অভিবাসীদের শনাক্ত করার জন্য একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) টুল তৈরি করা হচ্ছে।

 

মুম্বাইয়ে বসবাসরত কিছু বাংলাদেশি অভিবাসীর ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহারের প্রতিবেদনের প্রসঙ্গে এনডিটিভির এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

ফাড়নবিস বলেন, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে সরকারি সুবিধা নেওয়া বাংলাদেশি অভিবাসীদের মুম্বাই থেকে রেকর্ড সংখ্যায় ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, তাদের কৌশল বোঝা গেছে। তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গে আসে, সেখানে জাল নথি তৈরি করে। এরপর সেই কাগজ ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে সরকারি সুযোগ-সুবিধা নেয়।

এআই টুল তৈরির প্রসঙ্গে ফাড়নবিস জানান, আইআইটি মুম্বাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি করা এআই টুলটি বর্তমানে প্রায় ৬০ শতাংশ নির্ভুলভাবে কাজ করছে। আশা করছি, আগামী চার মাসের মধ্যে এর নির্ভুলতা ১০০ শতাংশে পৌঁছাবে।

সূত্রঃ এনডিটিভি

এম.কে

Categories
বাংলাদেশ

জুলাই সনদে সই না করেও গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে মাঠে এনসিপি

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর না করলেও আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সক্রিয় প্রচারে নেমেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া দলটি গণভোটের প্রচার জোরদার করতে বাকি ২৭০ আসনে ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে।

 

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে দীর্ঘ সাত মাস ধরে ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে ২৪টি রাজনৈতিক দল সনদে স্বাক্ষর করে, পরে আরও একটি দল যুক্ত হয়। তবে এনসিপি ওই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি এবং পরবর্তীতেও সনদে সই করেনি।

সনদে স্বাক্ষর না করার বিষয়ে তখন সংবাদ সম্মেলন করে এনসিপি তিনটি দাবি উত্থাপন করেছিল। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল—জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষরের আগেই প্রকাশ ও তা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের মাধ্যমে জারি, গণভোটে সনদের পক্ষে রায় এলে নোট অব ডিসেন্টের কার্যকারিতা বাতিল হওয়া এবং গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে নির্বাচিত সংসদের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার করে নতুন সংবিধানের নাম ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’ রাখা।

পরবর্তীতে গত ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয়। এই আদেশের অধীনেই ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি মনিরা শারমিন বলেন, জুলাই সনদে স্বাক্ষর না করলেও গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারে কোনো বাধা নেই। তার ভাষায়, সনদের কিছু বিষয়—বিশেষ করে নোট অব ডিসেন্ট এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া—পর্যাপ্তভাবে স্পষ্ট না হওয়ায় দলটি তখন সই করেনি। বাস্তবায়ন আদেশ জারি হলেও নোট অব ডিসেন্টের বিষয়টি এখনো পরিষ্কার নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় নির্বাচনী সমঝোতার অংশ হিসেবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে এনসিপি। সমঝোতার আওতায় দলটি ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। তবে যেসব ২৭০টি আসনে এনসিপির প্রার্থী নেই, সেখানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জনমত গঠনের লক্ষ্যে অ্যাম্বাসেডর বা প্রতিনিধি নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিনিধির মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের কাছে গণভোটের গুরুত্ব, সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা এবং এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরা হবে।

গণভোটে সক্রিয় অবস্থান নিলেও জুলাই সনদে এনসিপি শেষ পর্যন্ত স্বাক্ষর করবে কি না—সে প্রশ্ন এখনো খোলা। দলীয় সূত্রগুলো জানায়, এনসিপির ভেতরে সনদে সই করার পক্ষে মত বাড়লেও নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতিসহ নানা রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

এদিকে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা–৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ‘আজাদী যাত্রা’ শীর্ষক কর্মসূচির মাধ্যমে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারে নেমেছেন। তিনি বলেন, জুলাই সনদের কিছু বিষয় অস্পষ্ট হলেও দলটি সংস্কারের পক্ষে। তাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচার চালানো হচ্ছে। সনদে স্বাক্ষর সংক্রান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

এম.কে