11 C
London
October 7, 2026
TV3 BANGLA
যুক্তরাজ্য (UK)

ব্রিটিনে হাজারো রোগীর ব্যবহৃত রক্তচাপের ওষুধে ঘাটতিঃ সরবরাহে নিষেধাজ্ঞা

ব্রিটেনে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ ওষুধের সংকট আরও গভীর হয়েছে। ফার্মেসিগুলোকে নতুন করে ল্যাসিডিপিন ওষুধের সরবরাহ সীমিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রোগীদের একবারে সর্বোচ্চ এক মাসের ওষুধ দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান জানিয়েছে, এর আগে এপ্রিল থেকেই রক্তচাপের বহুল ব্যবহৃত ওষুধ রামিপ্রিলের বিভিন্ন মাত্রার সরবরাহে গুরুতর সংকটের নোটিশ জারি রয়েছে। এবার একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে ল্যাসিডিপিনের ক্ষেত্রেও।
ল্যাসিডিপিন একটি ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার। এটি রক্তনালির প্রসারণ ঘটিয়ে হৃদযন্ত্রের জন্য সারা শরীরে রক্ত পাম্প করা সহজ করে। যুক্তরাজ্যে প্রতি বছর হাজারো রোগী এই ওষুধ ব্যবহার করেন।
স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা বিভাগ জানিয়েছে, ল্যাসিডিপিন ২ মিলিগ্রাম ও ৪ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট অন্তত নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত মজুতের বাইরে থাকতে পারে। সংকট মোকাবিলায় রোগীদের একবারে এক মাসের বেশি ওষুধ না দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে বিকল্প হিসেবে লারক্যানিডিপিন ১০ ও ২০ মিলিগ্রাম, অ্যামলোডিপিন এবং ফেলোডিপিন পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ব্রিটেনে ওষুধের সংকট চলতি বছর রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জাতীয় ফার্মেসি সমিতি জানিয়েছে, ফার্মাসিস্টদের অপ্রতুল ওষুধের সরবরাহ খুঁজতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করতে হচ্ছে। একই কারণে চিকিৎসকদেরও অনেক ক্ষেত্রে রোগীর প্রেসক্রিপশন পরিবর্তন করতে হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন ওষুধ, হরমোন প্রতিস্থাপন চিকিৎসার ওষুধ, হজমের সমস্যা ও মৃগীরোগের ওষুধসহ অন্তত ১১ ধরনের ওষুধের সরবরাহ ২০২৭ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সংকটে থাকার আশঙ্কা রয়েছে।
উচ্চ রক্তচাপ সাধারণত স্পষ্ট কোনো উপসর্গ সৃষ্টি না করায় একে নীরব ঘাতক হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এটি হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও কিডনি বিকলের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। দ্য সানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যে আনুমানিক ১ কোটি ৪০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন।
সূত্রঃ দ্য সান
এমকে

আরো পড়ুন

ব্রিটেনের দুর্নীতিবিরোধী কার্যালয়ের পদ থেকে টিউলিপকে অপসারণের দাবি

ব্রিটেনের ইতিহাসের প্রথম মুসলিম মন্ত্রী বর্ণবাদের শিকার!

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে পুরনো মিটার বন্ধ হলে বিপাকে পড়বে তিন লাখ পরিবার