Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্যে বেকারত্বের হার ৪.২ শতাংশ

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে দুই বছরে যুক্তরাজ্যের বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে। চলতি বছরের মার্চ-মে তিন মাসে দেশটিতে বেকারত্বের হার ছিল ৪ শতাংশ, যা এপ্রিল-জুনের শেষে এসে পৌঁছায় ৪ দশমিক ২ শতাংশে। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকসের (ওএনএস) বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।

সরকারি তথ্যমতে, দেশটিতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রা ব্যয় বেড়েছে। ওএনএস অনুযায়ী, এ বেকারত্বের হার মূলত গত ছয় মাসের বেকার লোক বাড়ার কারণে তৈরি হয়েছে। যুক্তরাজ্যের মুদ্রাস্ফীতির হার বর্তমানে ৭ দশমিক ৯ শতাংশ, যা জি-৭ দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।

যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, ব্রিটেনের বেকারত্বের হার কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন ও ইউরোঞ্চলের তুলনায় কম। যদিও বেকারত্বের হার সেপ্টেম্বর ২০২১ সাল থেকে জুলাই পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের ডেপুটি চিফ ইকোনমিস্ট রুথ গ্রেগরি বলেন, ‘‌জুন পর্যন্ত তিন মাসে কর্মসংস্থানের পতন এবং বেকারত্বের হার বৃদ্ধিকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড স্বাগত জানায়। কারণ শ্রমবাজারের পরিস্থিতি এখনো স্থির।’

তিনি আরো বলেন, ‘‌কিন্তু মজুরি বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ধরে নিতে পারি ব্যাংক অব ইংল্যান্ড আরেকবার দশমিক ২৫ শতাংশ সুদহার বৃদ্ধি করবে।’

এম.কে
১৭ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

৬ বছরে ইংলিশ চ্যানেল পেরিয়ে ব্রিটেনে ১ লাখেরও বেশি অভিবাসী

২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ফ্রান্স এবং যুক্তরাজ্যের মধ্যে অবস্থিত ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে এক লাখেরও বেশি অনিয়মিত অভিবাসী যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন।

চলতি সপ্তাহের বুধবার এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফরাসি উপকূল থেকে ১০০ জনেরও বেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় ফরাসি কর্তৃপক্ষ।

ব্রিটিশ হোম অফিসের পরিসংখ্যান অনুসারে, বৃহস্পতিবার ১৪টি নৌকায় চড়ে যুক্তরাজ্যে উপকূলে পৌঁছেছেন ৭৫৫ জন অনিয়মিত অভিবাসী।

এর মধ্য দিয়ে, ২০১৮ সালে থেকে দেশটিতে চ্যানেল পাড়ি দিয়ে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা এক লাখে পৌঁছালো। এছাড়া, ২০২৩ সালের শুরু থেকে একদিনে প্রবেশ করা অভিবাসীদের পরিসংখ্যানে ৭৫৫ জন এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ।

মঙ্গলবার পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকারের প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ২০১৮ সাল থেকে ৯৯ হাজার ৯৬০ জন অনিয়মিত অভিবাসী ছোট নৌকায় চ্যানলে পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছেন।

ব্রিটিশ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২২ সালও অভিবাসী আগমনের ক্ষেত্রে রেকর্ড বছর ছিল। যেখানে ৪৫ হাজার ৭৫৫ জন ছোট নৌকায় দেশটিতে এসেছিলেন৷ অপরদিকে, চলতি বছরের শুরু থেকে ইতিমধ্যে ব্রিটিশ ভূখণ্ডে পা রেখেছেন ১৫ হাজার ৮১ জন অনিয়মিত অভিবাসী৷

প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক অভিবাসী নৌকার প্রবাহ বন্ধ করাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। যদিও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চ্যানেল পাড়ি দেয়ার হার গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ কমে এসেছিল। তবে নতুন করে এই পরিসংখ্যান আবার বাড়তে শুরু করেছে।

চ্যানেল এবং উত্তর সাগরের স্থানীয় ফরাসি মেরিটাইম পরিসংখ্যান অনুসারে, ১৮০টি নৌকায় প্রায় আট হাজার ১৫০ জন অভিবাসী জুনের শুরু থেকে জুলাইয়ের শেষের মধ্যে চ্যানেল অতিক্রম করার চেষ্টা করেছেন। ২০২২ সালের একই সময়ে এই সংখ্যাটি ছিল প্রায় সাত হাজার ৭০০ জন।

লন্ডন এবং প্যারিস যৌথভাবে চ্যানেল পারাপার বন্ধ করার চেষ্টা করছে। ফরাসি উপকূলে পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতি ও নজরদারি প্রযুক্তি বাড়ানো হয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতে উপকূলে সক্রিয় একটি ফরাসি পুলিশ সূত্র বলেন, “আমরা যত বেশি সদস্য বাড়াচ্ছি, অভিবাসীদের সংখ্যা ততই বাড়ছে। চ্যানলে পারাপারের চেষ্টা এখনও ‘তীব্র’ বলেও স্বীকার করে সূত্রটি।

সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, “এটা এমন নয় যে আমরা এখানে এসেছি বলে অভিবাসীরা যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। মানব পাচারকারীরা কৌশল পরিবর্তন করে অন্যদিকে যাওয়ার চেষ্টা করছেন৷ যাতে করে অভিযানে শুধু কয়েকটি নৌকা আটকানো যায়।”

স্থানীয় অভিবাসন সংস্থা ইতুপিয়া৫৬-এর সমন্বয়কারী অ্যামেলি মোয়ার্ট জানান, ‘‘ পুলিশের নজরদারি অপেক্ষমাণ অভিবাসীদের সংকল্পকে দুর্বল করে না। সংশ্লিষ্টদের শেষ লক্ষ্য থাকে চ্যানেল অতিক্রম করা। আতঙ্কিত হলেও তারা যাত্রা করবে। যতক্ষণ না যুক্তরাজ্যের দিকে এসব ব্যক্তিদের জন্য নিরাপদ অভিবাসন রুট এবং ফ্রান্সে মর্যাদাপূর্ণ অভ্যর্থনা ব্যবস্থা নেয়া হবে না, ততদিন এই অঞ্চলে দুঃখজনক ঘটনা ঘটবে।”

প্রস্থানের জন্য অনুকূল আবহাওয়াকে বেছে নেন অভিবাসীরা। বুধবার এবং বৃহস্পতিবারের মধ্যে দুটি নৌকায় থাকা ৬৬ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে মেরিটাইম প্রেফেকচুর।

ইতুপিয়া৫৬ প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফরাসি উপকূলে শক্তিশালী পুলিশি উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও উপকূলের ভিড় করছেন অভিবাসীরা৷

এম.কে
১৭ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

ইতালিতে নাগরিকত্ব: প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর

ইতালিতে এবার নাগরিকত্ব আইন পরিবর্তন করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। এখন থেকে বংশ পরম্পরার নীতিতে ইতালির নাগরিকত্ব নিতে হলে আবেদনকারীকে দেশটিতে কমপক্ষে এক বছর বসবাস করতে হবে। একই সঙ্গে ইতালীয় ভাষা শিক্ষা পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হতে হবে। প্রধানমন্ত্রী মেলোনি সরকারের এমন সিদ্ধান্তে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও, খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

ইতালির নাগরিকত্ব গ্রহণের সবচেয়ে সহজ উপায় হলো বংশ পরম্পরার মাধ্যমে আবেদনপত্র দাখিল। কোনো আবেদনকারীর পূর্ব পুরুষদের কেউ যদি ইতালিয়ান বংশোদ্ভূত থাকেন, তাহলে পৃথিবীর যেকোনো দেশের ইতালীয় দূতাবাসের মাধ্যমে আবেদনপত্র দাখিল করতে পারবেন।

এসব আবেদনকারী দ্রুত সময়ের মধ্যে ইতালির নাগরিকত্ব পেতে পারেন। এই পন্থায় ইতালি প্রতি বছর মোট নাগরিকত্বের অর্ধেকেরও বেশি প্রদান করে আসছে।

তবে সম্প্রতি ইতালির সরকার সংসদে বংশ পরম্পরার নীতির ওপর একটি খসড়া আইন চূড়ান্ত করেছে। নতুন আইন অনুযায়ী, ইতালির নাগরিকত্ব নিতে হলে আবেদনকারীকে ইতালিতে কম পক্ষে এক বছর বসবাস করতে হবে। একইসঙ্গে ইতালীয় ভাষা শিক্ষা পরীক্ষায়ও উত্তীর্ণ হতে হবে।

ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে দেশটিতে নাগরিকত্ব গ্রহণের হার কমবে। অন্যদিকে, যেহেতু ইতালির জনসংখ্যা দিন দিন কমছে, তাই দেশটির সরকার নতুন নাগরিকত্ব দিতে বাধ্য হবে। এই সুযোগ পাবেন এশিয়া, আফ্রিকা থেকে আসা ইতালিতে বসবাসরত বিদেশিরা। আর তাই এই সিদ্ধান্তে খুশি প্রবাসী বাংলাদেশিরাও।

উল্লেখ্য যে উত্তরাধিকার সূত্রে নাগরিকত্ব নেয়া কঠিন হলে, ইতালিতে বৃদ্ধি পাবে দীর্ঘদিন বসবাসের মাধ্যমে ট্যাক্স প্রদানকারীদের নাগরিকত্ব নেয়ার হার।

এম.কে
১৭ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্য থেকে তল্পিতল্পা গোটানোর হুমকি টেক জায়ান্টদের

যুক্তরাজ্যে নতুন অনলাইন সুরক্ষা আইন চালু করার বিপরীতে দেশটি থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছে বিভিন্ন মার্কিন প্রযুক্তি জায়ান্ট।

এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এক প্রযুক্তি কোম্পানি প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। এতে তিনি বলেন, তার কোম্পানিকে যুক্তরাজ্য থেকে বিদায় নিতে হবে, এমন জটিল পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে। তবে, ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেনি ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থাটি।

যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন নীতিমালা নিয়ে অনেক মার্কিন কোম্পানিরই বিরক্তি দিন দিন বাড়ছে। তাদের ‘কফিনের শেষ পেরেক’ হল যুক্তরাজ্যে অনলাইন নীতিমালা। আর এটি নিয়ে কাজকর্ম দ্রুতই এগোচ্ছে।

এই অনলাইন সুরক্ষা বিল আইন হিসেবে পাশ হতে পারে শরতে। এর মূল লক্ষ্য, অনলাইনে শিশুদের সুরক্ষা দেওয়া। সেই লক্ষ্যে সামাজিক মাধ্যমের কনটেন্ট নজরদারির জন্য এই বিলে বেশ কিছু কঠোর নিয়মের কথা উল্লেখ রয়েছে। আর বিভিন্ন প্রযুক্তি কোম্পানি ওই নীতিমালা না মানলে তাদের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কারাদণ্ডসহ বড় আর্থিক জরিমানার কথাও উল্লেখ রয়েছে এতে।

এর মধ্যে একটি শর্ত বিশেষভাবে বিতর্কিত, যেখানে হোয়াটসঅ্যাপের বিভিন্ন এনক্রিপ্ট করা বার্তা যুক্তরাজ্যের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তরের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে, দেশের জাতীয় নিরাপত্তায় হুমকি বা শিশু সুরক্ষার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হলেই কেবল সেটি প্রযোজ্য হবে।

এনক্রিপ্ট করা মেসেজিং অ্যাপকে অধিকারকর্মী, সংবাদকর্মী ও রাজনীতিবিদদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে, এই সুরক্ষার কারণেই এটি ‘শিশুদের আপত্তিকর ছবি শেয়ারের’ চারণভূমিও হয়ে উঠেছে বলে দাবি শিশু সুরক্ষা বিষয়ক দাতব্য সংস্থা ‘এনএসপিসিসি’র।

বর্তমানে এনক্রিপশন সুবিধা দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ, প্রোটন ও সিগনালের মতো মেসেজিং অ্যাপগুলো। আর সেবাদাতা কোম্পানি নিজেও সেইসব বার্তা দেখতে পারে না।

এই দাবি নিয়ে এরইমধ্যে যুক্তরাজ্যের বাজার থেকে সরে আসার হুমকি দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ ও সিগনাল।

এদিকে, যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রবেশ করতে যাচ্ছে ‘ডিজিটাল মার্কেটস বিল’। অ্যামাজন বা মাইক্রোসফটের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টরা নীতিমালা না মানলে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদেরকে শাস্তি দিতে পারবে, এমন বিধানও রাখা হয়েছে এতে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে বেশ কয়েকটি কোম্পানি বলেছে, তারা মনে করছে এর ফলে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ব্যপক ক্ষমতা পেয়ে যাবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বলেছে, মোটা দাগে একই ধরনের কঠোর নীতিমালা চালু করতে যাচ্ছে ইইউ। তবে ইইউ যুক্তরাজ্যের চেয়ে অনেক বড় ও মূল্যবান বাজার।

‘ইনভেস্টিগেটরি পাওয়ার অ্যাক্ট’ নামে প্রস্তাবিত নতুন আইনের সংশোধনীতে বিভিন্ন প্রযুক্তি কোম্পানি কোনো নতুন সুরক্ষা ফিচার বৈশ্বিকভাবে চালু করার আগে যুক্তরাজ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিতে হবে এমন বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। ওই শর্ত আইন হিসেবে জারি হলে যুক্তরাজ্য থেকে ‘ফেইসটাইম’ ও ‘আইমেসেজ’ সেবা সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে অ্যাপল।

এইসব হুমকি বাস্তবায়িত হলে তার প্রভাব গিয়ে পড়বে যুক্তরাজ্যের লাখ লাখ ব্যবহারকারীর উপর। আর এদের জন্য যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোনো বিকল্পও নেই।

এমন পরিস্থিতি ঠেকানোর উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কোম্পানিকে যুক্তরাজ্যে শাখা খোলার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। এরইমধ্যে পালান্টির, ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিকের মতো বেশ কয়েকটি কোম্পানি লন্ডনভিত্তিক সদর দপ্তর খুলতে রাজিও হয়েছে।

তবে ক্যালিফোর্নিয়ায় সিলিকন ভ্যালির একটি অংশ বলছে, যুক্তরাজ্যের আগের সদিচ্ছায় ভাটা পড়তে দেখা গেছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি ডিপমাইন্ডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্রিটিশ উদ্যোক্তা মুস্তাফা সুলেমান বলেন, যুক্তরাজ্যের বদলে ক্যালিফোর্নিয়াতেই নিজের নতুন কোম্পানি ‘ইনফ্লেকশনএআই’র দপ্তর রাখতে আগ্রহী তিনি।

“সরকারে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের প্রযুক্তি নিয়ে ব্যপক জ্ঞান রয়েছে। তবে, সেটা যথেষ্ট নয়।” –বলেন ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ডেম ডিয়ান কোয়েল।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এই বিষয়ে তাদের মতামত দিতে গিয়ে বলে, যুক্তরাজ্যের আইন প্রণেতাদের কাছে এমন প্রযুক্তি সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকলে তারা চাইলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারেন।
এম.কে
১৬ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

মিডিয়া মোগল রুপার্ট মারডকের নতুন প্রেম

বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের এবং মিডিয়া মোগল হিসেবে পরিচিত ৯২ বছর বয়সী রুপার্ট মারডক এক অবসরপ্রাপ্ত জীববিজ্ঞানীর প্রেমে পড়েছেন। এলেনা ঝুকোভা নামের সেই নারীর বয়স ৬৬ বছর।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই যুগলের একটি ছবি প্রকাশিত হয়। সেখানে দেখা যায়, একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরীতে ঘনিষ্ট অবস্থায় বসে আছেন রুপার্ট-এলেনা। তারপর থেকেই গুঞ্জন শুরু হয় তাদের নিয়ে।

রুপার্ট মারডকের মালিকানাধীন নিউজ ওয়েসবসাই দ্রুজ রিপোর্টের এক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ব্রিটেনের এক দৈনিকে রুপার্ট ও এলেনার প্রেমের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গত কয়েক মাস ধরেই ডেট করছেন তারা। মারডকের বয়স যতই হোক, এখনও তিনি শারীরিক শক্তি ও সক্ষমতার বিচারে তার অর্ধেক বয়সী যেকোনো মানুষের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার যোগ্যতা রাখেন। সুতরাং যে কারো সঙ্গেই রোমান্টিক সম্পর্কে আবদ্ধ হতেই পারেন তিনি।’

এলেনা ঝুকোভা একজন মলিকিউলার বায়োলজিস্ট। একসময় যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল রিসার্চ বিভাগে চাকরি করতেন তিনি। কয়েক বছর আগে অবসরে গেছেন।

তার মেয়ে দাশা ঝুকোভা একজন শিল্প সংগ্রাহক এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুবই সক্রিয়। সেই সঙ্গে দাশার আরও একটি পরিচয় হলো, রাশিয়ার ধনকুবের এবং ব্রিটিশ ফুটবল ক্লাব চেলসা এফসির সাবেক মালিক রোমান আব্রহামোভিচের স্ত্রী ছিলেন তিনি। ২০০৮ সালে বিয়ে হয়েছিল তাদের, এরপর ২০১৭ সালে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

রুপার্ট মারডক এর আগে প্রেম করছিলেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা অ্যান লেসলি স্মিথের সঙ্গে। কিন্তু পুলিশের চাকরি থেকে অবসরের পর স্মিথের অতিমাত্রায় ঝুঁকে পড়া রুপার্টের মধ্যে অস্বস্তি সৃষ্টি করেছিল। তাই উভয়ের মধ্যে বাগদানের হওয়ার মাত্র দু’সপ্তাহ পরই ভেঙে যায় তাদের সম্পর্ক। তার কয়েক মাস পর এলেনা ঝুকোভার প্রেমে পড়েন তিনি।

উল্লেখ্য, ‘মিডিয়া মোগল’ নামে পরিচিত রুপার্ট মারডক যুক্তরাজ্যের স্কাই নিউজ, দ্য টেলিগ্রাফ, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পোস্ট, ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল, ফক্স নিউজসহ স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রায় দুই ডজন সংবাদমাধ্যমের মালিক। তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার। মার্কিন সাময়িকী ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ৭১তম ধনী ব্যক্তি মারডক।

এর আগে চারবার বিয়ে করেছেন মারডক। তার প্রথম বিয়ে হয় ১৯৫৬ সালে, প্যাট্রিসিয়া বুকার নামের এক নারীর সঙ্গে। পরে ১৯৬৭ সালে তাদের মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। তারপর ওই বছরই আনা মারিয়া তোরোভ নামের এক নারীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ১৯৯৯ সালে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে।

তোরোভের সঙ্গে বিচ্ছেদের বছরই ওয়েন্ডি ডেং নামের এক নারী উদ্যোক্তাকে বিয়ে করেন মারডক। ২০১৩ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। ওই বছর মার্কিন অভিনেত্রী-মডেল জেরি হলকে বিয়ে করেন তিনি, ২০১৯ সালে বিচ্ছেদ ঘটে তাদের।

প্রথম তিন স্ত্রীর ঘরে ৬ জন সন্তান রয়েছে রুপার্টের। প্রসঙ্গত, বর্তমানে যার সঙ্গে প্রেম করছেন মারডক, সেই এলেনার সঙ্গে কয়েক বছর আগে তার পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন রুপার্টের তৃতীয় স্ত্রী ওয়েন্ডি ডেং।

এম.কে
১৬ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

অবশেষে ব্রিটেনে কমছে তেল ও দুধের দাম

অবশেষে বৃটেনে কমতে শুরু করেছে তেল ও দুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যের দাম। যদিও তারপরেও দেশটিতে খাদ্যপণ্যের দাম এখনও বেশিই রয়ে গেছে। গবেষণা সংস্থা কান্টারের নতুন এক জরিপে বাজারের এমন অবস্থার কথাই উঠে এসেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গত জুলাই মাসে চার পাইন্ট দুধের দাম ছিল ১.৫০ পাউন্ড, যা মার্চ মাসে ছিল ১.৬৯ পাউন্ড। অপরদিকে এক লিটার সূর্যমুখী তেলের দাম ২২ পেন্স কমে এখন এখন ২.১৯ পাউন্ডে নেমে এসেছে। তবে সার্বিকভাবে খাদ্য পণ্যের দাম এখনও বেশিই রয়ে গেছে বৃটেনে। ৬ই আগস্টের পূর্বের চার সপ্তাহে বৃটিশ পরিবারগুলোর ব্যয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১২.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর এক মাস আগে এই হার ছিল ১৪.৯ শতাংশ। এ থেকে বুঝা যায়, বৃটেনে পণ্যের দাম এখনও অনেক থাকলেও তা কমতে শুরু করেছে। তথ্যানুযায়ী জানা যায়, কান্টার দেশটির ৩৬ হাজার পরিবারের আয়ব্যায়ের হিসেব রাখে।

ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে গত বছর বৃটেনে খাদ্যের দাম বেড়েছে। কিন্তু পাইকারি দাম কমে যাওয়ায় এখন চাপ কমতে শুরু করেছে।

বড় সুপারমার্কেটগুলিতে দেখা গেছে ডিম, দুধের মতো জিনিসগুলির দাম কমেছে। তাদের ওপর আগে থেকেই দাম কমানোর চাপ ছিল। ক্রেতারাও তাদের বাজারের খরচ কমাতে নানা উপায় খুঁজে বের করছে। অনেকেই ডিসকাউন্ট আছে এমন পণ্য কিনছে। কিংবা যে-সব সুপারমার্কেট তুলনামূলক সস্তা সেখানে যাচ্ছে।

এদিকে বৃটেনে হ্রাস পাচ্ছে মূল্যস্ফীতি। জুলাই মাসে মূল্যস্ফীতি ৬.৭ শতাংশ থেকে ৭ এর মধ্যে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর আগে জুনে এটি ছিল ৭.৯ শতাংশ। তবে মূল্যস্ফীতি কমলেও এ বছরের পুরো সময় ধরেই খাদ্যের দাম বেশি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্যাংক অফ ইংল্যান্ড বলছে, এই পরিস্থিতিতে চাপে রয়েছে বৃটেনের লাখ লাখ পরিবার

এম.কে
১৬ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্যে ৩ সন্দেহভাজন রুশ গুপ্তচর গ্রেফতার

যুক্তরাজ্যে রাশিয়ার হয়ে গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়িত সন্দেহে তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ তদন্তে তাদের অভিযুক্ত করা হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত তিনজন বুলগেরিয়ার নাগরিক। তারা রাশিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী গোয়েন্দাদের দ্বারা রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইনের অধীনে ফেব্রুয়ারিতে তাদের আটক করা হয়েছিল। এরপর থেকে তারা কাস্টডিতে রয়েছেন।

এই বিষয়ে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের কোনও মন্তব্য জানা যায়নি।

গ্রেফতারকৃত তিন বছর অনেক বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করে আসছেন। তারা বিভিন্ন জায়গায় কাজ করেছেন এবং লন্ডন শহরতলির বিভিন্ন বাসায় বসবাস করেছেন।

জানুয়ারিতে লন্ডনের ওল্ড বেইলিতে তিন আসামীর বিচার হওয়ার কথা। যদিও অভিযুক্তরা এখনও অভিযোগের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানায়নি।

এম.কে
১৫ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে অলিখিত প্রতিযোগিতা

ব্রিটেনে কঠিন হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন নিয়ম কানুন। যা নিয়ে উৎকন্ঠা প্রকাশ করেছেন ব্রিটেনের হাইয়ার এডুকেশনের প্রধান। তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগদানকারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো উচিত নাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

তবে অনেক বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করেছেন। তারা বলেন, আসছে শরতে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর কোর্স ভর্তির সময় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কারণে অনেক ঘরোয়া শিক্ষার্থী তাদের স্থান হারাতে পারে। একজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী প্রায় ৫ গুণ বেশি টিউশন ফি প্রদান করেন ঘরোয়া শিক্ষার্থী হতে। এমন কিছু কোর্স রয়েছে যাতে ঘরোয়া শিক্ষার্থীরা পড়তে রাজি থাকে না, বিশ্ববিদ্যালয় সেইসব বিষয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নিতে পারেন।

যুক্তরাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলি বলছে, মুদ্রাস্ফীতির কারণে দেশীয় শিক্ষার্থীদের হতে প্রাপ্ত টিউশন ফি বছরে ৯২৫০ পাউন্ড হতেও হ্রাস পেয়েছে। যার ফলে অনেক প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক টিউশন ফি’র উপর অনেকবেশি নির্ভরশীল হয়ে উঠেছে।

ইউসিএএসের প্রধান নির্বাহী ক্লেয়ার মার্চেন্ট সোমবার উচ্চশিক্ষা নীতি ইনস্টিটিউট কর্তৃক আয়োজিত একটি ওয়েবিনারে উদ্বেগ দূর করার চেষ্টা করেছিলেন। যদিও তিনি বলেন সরকারের বিভিন্ন কঠোর নীতিমালার কারণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা তাদের দিক পরিবর্তন করে ফেলতে পারে যা হবে বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর জন্য হতাশার।

শেফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিভাগের পরিচালক ড্যান বারক্রফ্ট বলেছেন, যুক্তরাজ্যে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় শিক্ষার্থীর জন্য তাদের প্রতিষ্ঠানে বেশ কয়েকটি কোর্সে সীমিত জায়গা রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা এই বছর যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অনেক বেশি আবেদন দেখতে পাচ্ছি যদিও আসন খুবই সীমিত। তাছাড়া আরো একটি এ-লেভেল পরীক্ষার ফল আসার দ্বারপ্রান্তে।”

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম কর্তৃক সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে গত বছর যুক্তরাজ্য বিশ্ববিদ্যালয় যে টিউশন ফিস পেয়েছে তার মধ্যে ৫ ভাগের এক ভাগ এসেছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি মোট আয়ের এক তৃতীয়াংশ এসেছে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নিকট হতে।

যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা স্নাতক ডিগ্রির থেকে স্নাতকোত্তর কোর্সে বেশি আসেন। উচ্চশিক্ষা পরিসংখ্যান এজেন্সি অনুসারে, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ২০২০-২১ সালে মোট শিক্ষার্থীর ২২% ছিল। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫.৭% স্নাতক এবং ৩৯.১% স্নাতকোত্তর কোর্সে এসেছিল।

ইউসিএএসের প্রধান নির্বাহী ক্লেয়ার মার্চেন্ট বলেন, “ যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানাতে হবে। কারণ আমরা সচেতন যে আমরা এমন একটি বিশ্ব বাজারে প্রতিযোগিতা করছি যেখানে শিক্ষার্থীরা অস্ট্রেলিয়ার,কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশে অধ্যয়নের জন্য আকৃষ্ট হয়।”

এম.কে
১৫ আগস্ট ২০২৩

Categories
বাংলাদেশ সিলেট

সিলেটের দীপিতার বিশ্বজয়

বিশ্বের প্রখ্যাত একটি বিদ্যাপীঠের নাম কানাডার কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটি। এই ইউনিভার্সিটিতে মেধাবী ও সৃজনশীল শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপের জন্য আবেদন করে থাকেন। তবে গোটা বিশ্বের শিক্ষার্থীরা আবেদন করলেও কনকর্ডিয়ার প্রেসিডেন্সিয়াল স্কলারশিপ দেওয়া হয় মাত্র দুটি। এবার এই দুটি স্কলারশিপের মধ্যে একটি অর্জন করেছে বাংলাদেশ, অপরটি রুয়ান্ডা। নি:সন্দেহে বলা চলে এ অর্জন অনেকটা বিশ্বজয়ের মতো।

স্কলারশিপের এই গৌরব অর্জন করেছেন সিলেটের দীপিতা সিনহা। পড়বেন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। স্কলারশিপ বিজয়ী অপর শিক্ষার্থী রুয়ান্ডার রেইন। প্রেসিডেন্সিয়াল স্কলারশিপ অর্জনকারী প্রত্যেকের জন্য সর্বসাকুল্যে কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটি ব্যয় করবে প্রায় ৫ কোটি টাকা করে।

মেধাবী দীপিতা সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার দেবজিৎ সিংহ ও রাগীব রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান, গাইনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. নমিতা সিনহার জ্যেষ্ঠ কন্যা। দীপিতা বিশ্বজয়ের পর তাদের পুরো পরিবার কানাডার উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সোমবার তাদের কানাডায় পৌঁছার কথা।

দীপিতা জানান, বিভিন্ন ভাষায় কথা বলার ইচ্ছা তার প্রবল। অনর্গল কথা বলতে পারেন বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী, বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, কোরিয়ান ভাষায়। এখন ফ্রেঞ্চ ভাষা চর্চা করছি। একের পর এক ভাষা শিক্ষা এটা তার অন্যতম হবি।

দীপিতার মতে, বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজ। আগের মতো শুধু জাতি-সমাজ নয়, এখন বিশ্বজাতি-বিশ্বসমাজের কি কল্যাণ করা যায় তা নিয়েই ভাবতে হবে।

দীপিতা সিনহার বাবা সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার দেবজিৎ সিংহ বলেন, বাবা-মায়ের চোখে সন্তানরা সব সময়ই শিশু। তাই মেয়েকে একা বিদায় দিতে না পেরে আমরা পুরো পরিবার সঙ্গী হয়েছি। তার ভর্তি সম্পন্ন করে দেশে ফিরব।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অন্যান্য উচ্চশিক্ষার বিদ্যাপীঠ থেকে কানাডার কনকর্ডিয়া ইউনিভার্সিটি অনেকটা ভিন্ন। তারা প্রতিটি সেশনেই খোঁজেন মেধাবী ও সৃজনশীল শিক্ষার্থীদের। ভর্তিতে প্রাধান্য দেন সামাজিক কর্মকাণ্ড, মানবিক ও উদ্ভাবনী মানসিকতা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের।

বিশ্বের বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপের তালিকা অনেকটা লম্বা থাকে; কিন্তু কানাডার মন্ট্রিলের এই ইউনিভার্সিটি এখানেও ব্যতিক্রম। স্কলারশিপের আবেদন সারা বিশ্ব থেকে জমা হলেও দেওয়া হয় মাত্র দুজনকে। এর নাম কনকর্ডিয়া প্রেসিডেন্সিয়াল স্কলারশিপ।

এম.কে
১৫ আগস্ট ২০২৩

Categories
বাংলাদেশ শীর্ষ খবর

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সিলেটের কানাইঘাটে

সোমবার রাত ভূমিকম্পে কেঁপে উঠে বাংলাদেশ ও ভারতের কয়েকটি এলাকা। এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সিলেটের সীমান্তবর্তী কানাইঘাট উপজেলার কাছাকাছি বলে জানা গেছে।

আর্থকোয়াক ইউএসজিএস ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৫ কিলোমিটার অদূরে এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি।

কানাইঘাট ভারতের মেঘালয় ও আসাম সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। ভূমিকম্পের কারণে ভারতের এই দুই রাজ্যও কেঁপে ওঠে।

সোমবার রাত ৮ টা ৪৯ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পটি কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিলো। সিলেটে উৎপত্তিস্থল হওয়ায় এখানে ঝাঁকুনিও অনুভূত হয়েছে বেশি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেল ৫ দশমিক ৫। সিলেট ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে বলে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রায়ই এখানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সোমবার রাতের ভূমিকম্পের কারণে নগরজুড়ে আতংকে দেখা দেয়। নগরের বাসিন্দাদের অনেকে দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

 

এম.কে
১৫ আগস্ট ২০২৩