Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্যে চাকুরীর ক্ষেত্রেও বাড়ছে জাতিগত বৈষম্য

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনের তথ্য থেকে জানা গেছে, ২০১১ সালের তুলনায় অনেক সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীর লোকেরা কর্মস্থলের নিরাপত্তা ব্যাতিত অনিরাপদে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের কাজ যেকোনো মূহুর্তে চলে যাবে জেনেও তারা কর্মস্থলে কাজ করে যাচ্ছেন।

ট্রেডস ইউনিয়ন কংগ্রেসের (টিইউসি) তথ্যমতে, এই ধরণের অনিরাপদ ও কাজের ঝুঁকি নিয়ে চলা সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বার মানুষ ২০১১ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ১৩২% বৃদ্ধি পেয়েছে। তুলনা করলে দেখা যায়, নিরাপত্তাহীন কাজের মধ্যে থাকা শেতাঙ্গ মানুষের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৯.৫ শতাংশ।

বিশেষজ্ঞদের মতে “অনিরাপদ কাজ” শব্দটি স্বল্পমেয়াদী এবং শূন্য-ঘন্টা চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। যাতে সপ্তাহে কত ঘন্টা কাজ কর্মীকে দেয়া হবে তার কোনো নিশ্চয়তা থাকে না।

টিউসির সাধারণ সম্পাদক পল নোয়াক এই ধরনের অনিরাপদ কাজকে “কাঠামোগত বর্ণবাদ” বলে চিহ্নিত করেছেন। তার ব্যাখ্যানুসারে অনেক কৃষ্ণাঙ্গ ও জাতিগত সংখ্যালঘু শ্রমিক স্বল্প বেতনে, সীমিত অধিকার নিয়ে সুরক্ষা ব্যাতিত কাজ করে যাচ্ছে।

পরিসংখ্যানের তথ্যানুযায়ী, ২০১১ সাল থেকে শেতাঙ্গ ব্যক্তির তুলনায় সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বা বা কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিদের নিরাপত্তাহীন কাজে থাকার সংখ্যা বেশি।

এই বিষয়ে নিজের মতামত জানাতে গিয়ে লন্ডনের ৬২ বছর বয়সী নিরাপত্তা প্রহরী আব্রাহাম ওউসু শূন্য-ঘন্টা চুক্তিতে রয়েছেন বলে সাংবাদিকদের জানান। এই চুক্তিগুলি নিয়োগকারীদের কাজের কোনও গ্যারান্টি ছাড়াই কর্মীকে নিয়োগ দেওয়ার অনুমতি দেয়।

মিঃ ওউসু জানান তিনি ছয় সন্তানের জনক তাছাড়া আছে ১২ জন নাতি,নাতনি। তিনি ঘানাতে তার প্রবীণ পিতামাতাকে আর্থিকভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে যাচ্ছেন বলে জানা যায়। কিন্তু অনিরাপদ চুক্তির কারণে তিনি ভয়ে আছেন বলেও সাংবাদিকদের জানান।

কিংস কলেজ লন্ডনের সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড্যামিয়ান গ্রিমশা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন শ্রমবাজারে বিভিন্ন ধরণের বৈষম্যের কারণে সংখ্যালঘু জাতিসত্ত্বার লোকেরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তাছাড়া অনেক সংস্থা প্রাতিষ্ঠানিকভাবেও বর্ণবাদে ভুগছে। অনেক সময় কর্মীদের নমনীয়তার সুযোগ কাজে লাগায় প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য যে, জাতিগত কারণে বৈষম্য যুক্তরাজ্যে অলিখিতভাবে চালু থাকলে স্বাভাবিকভাবে এই বিষয়কে সমাজে ঘৃণার চোখে দেখা হয়। তবুও সমাজে অলিখিত জাতিগত বৈষম্য এখনও চালু রয়েছে বলে খবরে প্রকাশ পায়।

এম.কে
১৪ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্যের মোটরওয়েতে বাড়ছে ভয়ঙ্কর দূর্ঘটনা

ভীতিকর এক তথ্য বের হয়েছে যুক্তরাজ্যের মোটরওয়ের যান চলাচল নিয়ে। বর্ণিত পরিসংখ্যান অনুসারে ইংল্যান্ডের মোটরওয়েতে দূর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভুলভাল ভাবে যানবাহন পরিচালনার কারণে শেষ ১২ মাসে ৯০০ টির মতো দূর্ঘটনা ঘটেছে যা পূর্বের চেয়ে প্রায় ১৩% বেশি।

মোটরিং গ্রুপগুলি উদ্বেগজনক প্রাণঘাতী ড্রাইভিং ত্রুটিগুলিকে কমানোর জন্য প্রযুক্তির হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

পিএ নিউজ এজেন্সি কর্তৃক তথ্যে হতে জানা যায়, ২০২২ সালের জুনে মোটরওয়েতে তিনজনের মৃত্যু হয়। একটি চুরি হওয়া ভ্যান ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারের ব্র্যাডফোর্ডের কাছে এম ৬০৬-তে ট্যাক্সিতে উল্টোদিকে এসে আঘাত করে।

গ্লোচেস্টারশায়ারের পুলিশ গত অক্টোবরে টিউকসবারির কাছে এম ফাইভে দুই মাইলেরও বেশি সময় ধরে ভুল পথে গাড়ি চালানোর ফলে সৃষ্ট দুর্ঘটনার ফুটেজ প্রকাশ করেছে।

এএর সভাপতি এডমন্ড কিং বলেন, “ মোটরওয়েতে ভুল দিকে চালিত যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি ভীতিজনক এবং মারাত্মক হতে যাচ্ছে। মাতাল ড্রাইভারদের কারণে দূর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই মাতাল চালকদের রাস্তায় থাকা উচিত নয়। তাছাড়া স্লিপ রোড লেআউট এবং চিহ্ন সঠিক দিকে মোটরওয়েতে যোগদান নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।”

তবে তিনি আরো বলেন স্যাটনেভের উপর বেশি নির্ভরশীলতার কারণেও অনেক সময় ভুল পথে গাড়িচালিত করেন চালকেরা। এরফলেও ঘটে অনাকাঙ্ক্ষিত দূর্ঘটনা।

আরএসি ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্টিভ গুডিং বলেছেন, “ স্লিপ-রোড সেন্সর দূর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণের জন্য হতে পারে একটি উত্তম ব্যবস্থা। যা রাস্তার পাশে হ্যাজার্ডগুলো সহজেই চিহ্নিত করতে পারে।”

ন্যাশনাল পুলিশ চিফস কাউন্সিলের রোডস পুলিশিংয়ের অফিসার জো শাইনার বলেছেন, “ গাড়ি চালানোর সময় সচেতনতা ও সতর্ক হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

রাস্তা সুরক্ষার জাতীয় হাইওয়ে ডিরেক্টর শিনা হেগ বলেছেন, ” আমরা আমাদের মোটরওয়েগুলি ভুল পথে গাড়ি চালানোর সম্ভাবনা হ্রাস করার জন্য যথাসম্ভব ডিজাইন করা হচ্ছে।”

উল্লেখ্য যে, যুক্তরাজ্য হাইওয়ে ডিরেক্টর হতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে যদি ড্রাইভাররা উলটো দিক হতে আসতে থাকা কোনো যানকে চিহ্নিত করতে পারেন তাহলে দ্রুততার সাথে ট্রিপল নাইনে(৯৯৯) যোগাযোগ করতে। তাছাড়া কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করতে মোটরওয়ে এসওএস ফোন ব্যবহার করারও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

 

এম.কে
১৪ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

খাঁচায় যুদ্ধ করতে প্রস্তুত মেটা ও এক্স বস

মেটা এবং ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গের সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যবসায়ী এবং আরেক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম প্রধান ইলন মাস্কের ‘কেইজ ফাইট’ নিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে গোটা বিশ্ববাসী। এ নিয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগযাযোগমাধ্যম এখন সরগরম।

কেইজ ফাইট এক ধরণের মিক্সড মার্শাল আর্টের প্রতিযোগিতা। এটি মূলত দুইজন খেলোয়াড়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়, যারা একটি অ্যালুমিনিয়াম বা ধাতব তারের তৈরি খাঁচার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময় লড়াই করেন।

মার্ক জকারবার্গ এবং ইলন মাস্ক খাঁচায় বন্দি থেকে ঠিক কী কী করবেন, এখন তা নিয়েই উৎসুক বিশ্ববাসী। কিন্তু কেইজ ফাইট ম্যাচটিকে ইলন মাস্ক গুরুত্ব সহকারে নিচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ।

এর পরেই মাস্ক দ্রুত তার মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্স-এ তার প্রতিক্রিয়াও জানান। যেটি আগে টুইটার নামে পরিচিত ছিল। সেখানে তিনি লিখেছেন,‘জুক একটি মুরগি।’ টেসলা বস আরো জানিয়েছেন, ‘সোমবার সিলিকন ভ্যালিতে যাবো। জকারবার্গ এর দরজায় আঘাত করার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না।

দুই টেক জায়ান্ট বহুল প্রচারিত চ্যারিটি ম্যাচে একে অপরের সঙ্গে লড়াই করার বিষয়ে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বারবার তাদের মন্তব্য জানাচ্ছেন।

এর আগে, শুক্রবার এক টুইটে ইলন মাস্ক জানান, কেইজ ফাইটটি ইতালির রোমে অনুষ্ঠিত হবে। এই যুদ্ধ সরাসরি টুইটার এবং মেটায় সম্প্রচার করা হবে। কেইজ ফাইটটি ইউএফসি নয় আমার ও মার্ক জাকারবার্গের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পরিচালনা করা হবে। সবকিছুই হবে প্রাচীন রোম শহরে। তিনি বলেন, এ থেকে যা আয় হবে তার সবই দাতব্য প্রতিষ্ঠানে যাবে।

তবে যেখানেই হোক, দুই ধনকুবের খাঁচার মধ্যে আটকা থেকে পরস্পরকে লাথি ঘুষি মারছেন, এমন দৃশ্য আগে কখনও দেখা যায়নি। তাই উত্তেজনা বেড়েই চলেছে। দুই ধনকুবের কীভাবে একে অন্যের ওপর পেশী শক্তির প্রদর্শন করেন, সেটাই দেখার পালা এখন।

জকারবার্গের মেটা জুলাইয়ের শুরুতে টুইটার-এর মতো থ্রেডস প্ল্যাটফর্ম চালু করে। এরপর দুইজন টেক টাইকুন সরাসরি প্রতিযোগী হয়ে উঠেছেন।

এম.কে
১৪ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক

এসি ছাড়াও গরমে ঠান্ডা মরু’র স্কুল

প্রচণ্ড গরমেও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র ছাড়াই শীতল থাকে মরুভূমির স্কুল ভবন। মরুর বুকে যেখানে তাপের দাবদাহে পা ফেলানো দুরূহ ব্যাপার, সেখানেই রয়েছে শীতলতম স্কুল ভবন।

উত্তর ভারতের রাজস্থানের থর মরুভূমির শহর জায়সালমে দাঁড়িয়ে আছে হলুদ বেলেপাথরের তৈরি স্কুল ভবনটি। নাম দেওয়া হয়েছে রাজকুমারী রত্নাবতী গার্লস স্কুল। আধুনিকতার ছোঁয়ায় হারিয়ে দিয়েছে তাপমাত্রাকে। স্কুলের ভেতরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় প্রায় ২০-৩০ ডিগ্রি ফারেনহাইট কম থাকে।

স্কুলটি তৈরি করেন আমেরিকার একটি বেসরকারি অলাভজনক সংস্থা। ডিজাইন করেন নিউইয়র্কের স্থপতি ডায়ানা কেলগ। মেয়েদের সাক্ষরতার হার বাড়ানোর উদ্দেশ্যে শুধুমাত্র মেয়েদের জন্যই তৈরি করা হয় স্কুলটি। ২০২০ সালে ভারতের স্থাপত্য, শিল্প ও নকশাবিষয়ক শীর্ষস্থানীয় সংস্থা আর্কিটেকচারাল ডাইজেস্ট ইন্ডিয়া এ ভবনটির ‘বিল্ডিং অফ দ্য ইয়ার’ নামকরণ করে।

পরিবেশবান্ধব ভবনটি ২০২১ সালে খোলা হয়। কেলগ জানান, বর্তমানে ১২০ জন মেয়ের নাম নথিভুক্ত করা হয়েছে। গ্রীষ্মের উচ্চতায় শহরটির তাপমাত্রা ৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকে। কিন্তু এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা বাইরের তাপমাত্রার তুলনায় অনেকটা শীতল থাকে। কারণ ভবনের ভেতরের দেওয়ালগুলো চুন দিয়ে প্লাস্টার করা। ছিদ্রযুক্ত ও প্রাকৃতিক শীতলীকরণের উপাদান দিয়ে তৈরি। ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ছাড়াই স্কুলের ভেতরের পরিবেশ ঠাণ্ডা থাকে।

এম.কে
১৪ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

সৌদি’র অর্থনীতিতে বাড়ছে নারীদের অবদান

সৌদি আরবে ডিভোর্সের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ২০২২ সালে দেশটিতে সাড়ে তিন লাখের বেশি নারীর ডিভোর্স হয়েছে। এ তথ্য উঠে এসেছে দেশটির ২০২২ সালের নারীবিষয়ক প্রতিবেদনের পরিসংখ্যানে। এটি প্রকাশ করেছে সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব স্ট্যাটিসটিকস।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, যেসব নারীর বয়স ৩০ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে তাদের সবচেয়ে বেশি ডিভোর্স হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ৩৫ থেকে ৩৯ বছরের নারীরা।

কয়েকটি জরিপের মাধ্যমে নারীদের বিষয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে। সৌদি আরবে ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী নারীর সংখ্যা ৯ লাখ ১৬ হাজার ৪৩৯ এবং ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীর সংখ্যা সাড়ে ৮ লাখের বেশি।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো কর্মক্ষেত্রে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সৌদি আরবে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যাও বেড়েছে ব্যাপকভাবে।

২০২২ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে দেখা গেছে, নারীদের বেকারত্ব হার ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ, যা অন্যান্য বছরের তুলনায় কম। অর্থনীতিতেও দেশটির নারীদের অবদান বেড়েছে। শ্রমবাজারে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়ে ৩৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এম.কে
১৪ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

ইঙ্গিতপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রচার নিয়ে যুক্তরাজ্যে সমালোচনার মুখে পুলিশ

সরকারী সংস্থা এবং পুলিশ বাহিনী সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে অভিবাসন, চাকরি এবং অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ হাইপার-টার্গেটেড সোশ্যাল মিডিয়া বিজ্ঞাপন ব্যবহার করছে বলে এক প্রতিবেদনে জানা যায়।

অনেকগুলি স্যোশাল মিডিয়া তাদের বিজ্ঞাপনে জাতি, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং যৌন দৃষ্টিভঙ্গি সহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

একটি তরুণদের সাহায্য প্রকল্পের বিজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যাদের, “আফ্রো-টেক্সচারযুক্ত চুল” রয়েছে তারা যেন বিজ্ঞাপনটি এড়িয়ে যান। এভাবে মেটা’র ফেসবুকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনে হিজাব,দাঁড়ি, এলজিবিটিকিউ সহ বিভিন্ন শ্রেণীকে টার্গেট করে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে যা রেসিজম উস্কে দেয়ার মতো বিষয় বলে মনে করেন সমাজবিজ্ঞানীরা।

মাইক্রোটার্গেটিংয়ের মাধ্যমে ১২,০০০ এরও বেশি বিজ্ঞাপন বিশ্লেষণে এইসব তথ্য প্রকাশিত হয়। ২০২০ হতে ২০২৩ সালের মধ্যে স্যোশাল মিডিয়া বিজ্ঞাপনের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এরজন্য দায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মেটা’র ফেসবুক ও ইন্সটাগ্রামের মতো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মকে দায়ী করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

যদিও ২০২১ সালে, ফেসবুক বৈষম্যমূলক বিষয়ের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতি, ধর্ম এবং যৌন দৃষ্টিভঙ্গির উপর ভিত্তি করে দেয়া বিজ্ঞাপনের উপর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়। যার ফলে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রচার হতে অপসারণ করা হয়।

২০২২ সালের গ্রীষ্মে একটি প্রচারণায়, হোম অফিস আফগানিস্তান, সিরিয়া এবং ইরাকের লোকদের যুক্তরাজ্যে আসা রোধ করার লক্ষ্যে শত শত বিজ্ঞাপন প্রচার করেছিল। যদিও ফেসবুক বিজ্ঞাপনদাতাদের সরাসরি জাতীয়তার ভিত্তিতে লোককে টার্গেট করার অনুমতি দেয় না। তাই ইঙ্গিতপূর্ণ কথা যেমনঃ”আফগানিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল”, “ইরাকের ফুটবল” এবং “সিরিয়ান খাবার” ইত্যাদি বিজ্ঞাপনে প্রক্সি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী জানা যায়, ক্রাইমস্টপার ২০২৩ সালের মার্চ মাসে সোমালিয়ান দুইজন সন্দেহভাজনের তথ্য জানতে ইঙ্গিতপূর্ণ শব্দ হিসেবে “মোগাদিশু”, “সোমালি ভাষা” এবং “সোমালিয়া জাতীয় ফুটবল দল” সহ নানা ধরনের শব্দ ব্যবহার করে। এইসব তথ্য বিশ্লেষণ করেন একদল গবেষণাকর্মী যারা
এডিনবার্গ, কেমব্রিজ, নেপিয়ার এবং স্ট্র্যাথক্লাইড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত।

তবে এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিজিটাল পদ্ধতির প্রভাষক বেন কলিয়ার বলেন, ” মানুষেরা নীতি হতে বেরিয়ে এসেছে তারা ভাষা প্রয়োগে যত্নশীল নয়। তারা এমন শব্দ ব্যবহার করে যাচ্ছে তা আপত্তিকর একটি সুন্দর সমাজ ব্যবস্থার জন্য।

অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউটের প্রযুক্তি ও নিয়ন্ত্রণের অধ্যাপক স্যান্ড্রা ওয়াচটার তার গবেষণায় উল্লেখ করেন, মানুষ নিজের মনের অগোচরে একটা পক্ষকে নিজের আর অন্য পক্ষকে তার বিরোধী বলে চিহ্নিত করে বসে। তার অবচেতন মন তাকে বাধ্য করে এইভাবে ভাবতে এর মূল কারণ সচেতনতা ও সঠিক শিক্ষার অভাব। আমাদের বিশাল পদ্ধতিগত বৈষম্য রয়েছে, যুক্তরাজ্যে পুলিশ সাদা মানুষের তুলনায় অনেক বেশি হারে কালো বর্ণের মানুষকে গ্রেফতার করে। এটাও অবচেতন মনেরই কাজ।”

লিসেস্টারের সোমালি সম্প্রদায়ের লক্ষ্য নিয়ে বিজ্ঞাপন চালানো ক্রাইমস্টপার্স জানায়, ইঙ্গিতপূর্ণ বিজ্ঞাপনগুলি প্রায়শই স্থানীয় পুলিশদের অনুরোধে প্রচার করা হয়।

গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ জানিয়েছে বিজ্ঞাপন প্রচারে যায় অপরাধ সমাধানের জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্থদের সমর্থন করার জন্য। তারা বলেন বিজ্ঞাপনগুলি বিধিবিধান মেনে তৈরি করা হয়।

সরকারের একজন মুখপাত্র মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, “প্রচারগুলি সর্বদা কার্যকরভাবে মূল শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এবং করদাতার অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে ডিজাইন করা হয়। বিজ্ঞাপন চ্যানেলগুলি জাতীয়, আঞ্চলিক এবং স্থানীয় পর্যায়ে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর জন্য দক্ষতার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয়। ”

এম.কে
১৩ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

ইংলিশ চ্যানেলে অভিবাসন প্রত্যাশীদের নৌকাডুবিতে নিহত ৬

যুক্তরাজ্যের ইংলিশ চ্যানেলে অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকাডুবিতে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ থেকে ১০ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরাসি উপকূলীয় কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র প্রেমার। এ ছাড়া ব্রিটিশ ও ফরাসি কোস্ট গার্ডরা প্রায় ৫০ জনকে উদ্ধার করেছেন। সসংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানিয়েছে।

যুক্তরাজ্যর ডোভারে উদ্ধারকৃতদের স্ট্রেচারে করে একটি লাইফবোট থেকে নামিয়ে আনতে দেখা গেছে। তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্য দুজনকে ডোভারে এবং বেশ কয়েকজনকে ক্যালায়িসে নেওয়া হয়েছে।

শনিবার ভোরবেলায় পাশ দিয়ে যাওয়া একটি জাহাজ প্রথমে অ্যালার্ম বাজিয়ে জানায়, একটি মাত্রাতিরিক্ত বোঝাই নৌকা ক্যালাইসের কাছে সাঙ্গাতের উপকূলে সমস্যায় পড়েছে। ফরাসি উদ্ধার নৌকা এসে পৌঁছলে তারা সমুদ্রে অসংখ্য মানুষকে দেখতে পায়।

উদ্ধারকারী নৌকাগুলোর একটিতে থাকা একজন স্বেচ্ছাসেবক বলেন, অভিবাসীরা ডুবে যাওয়া নৌকা থেকে পানি বের করার জন্য জুতা ব্যবহার করছিলেন। নৌকায় ‘অনেক’ লোক ছিল বলেও জানান স্বেচ্ছাসেবক অ্যান থোরেল।

একজন ফরাসি প্রসিকিউটর বলেছেন, ২৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী এক আফগান ব্যক্তি প্রথমে মারা যান।

উদ্ধারকর্মীরা বলছেন, এই সপ্তাহে সপ্তমবারের মতো তাদের পানি থেকে মানুষকে উদ্ধার করতে হচ্ছে। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কাছে ঘটনার বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান বলেছেন, এটি একটি ‘মর্মান্তিক প্রাণহানির’ ঘটনা। অন্যদিকে ডোভারের এমপি নাটালি এলফিকে বলেন, ঘটনাটি ফরাসি উপকূলে যৌথ টহলের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।

এদিকে ব্রিটিশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, আরেকটি ছোট নৌকাও সমস্যায় পড়েছিল। কিন্তু নৌকায় থাকা সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে।

ইংলিশ চ্যানেল বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক এবং ব্যস্ততম শিপিং লেনগুলোর মধ্যে একটি, যেখানে প্রতিদিন ৬০০টি ট্যাংকার এবং ২০০টি ফেরি পার হয়।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ১০ আগস্ট পর্যন্ত এই বছর ১৫ হাজার ৮২৬ জন ছোট নৌকায় চ্যানেল পাড়ি দিয়েছে।

এম.কে
১৩ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

খাসোগি হত্যাকাণ্ডের পরও সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক রেখেছেন টনি ব্লেয়ার,নিয়েছেন অর্থও

সৌদি বংশোদ্ভূত সাংবাদিক জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ডের পরও সৌদি সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। এমনকি সৌদি সরকারকে পরামর্শ দেওয়ার বিনিময়ে নিয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

সসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের প্রতিষ্ঠান ব্লেয়ার ইনস্টিটিউশন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সৌদি আধুনিকায়ন প্রকল্পের অন্যতম পরামর্শদাতা। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সৌদি সরকারের কয়েক মিলিয়ন ডলারের চুক্তি রয়েছে।

এর আগে, ২০১৮ সালে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত সৌদি দূতাবাসে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের সাংবাদিক জামাল খাসোগি। সেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সৌদি আরবের ডি-ফ্যাক্টো শাসক মোহাম্মদ বিন সালমানকে দায়ী করা হয়। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক অবনতির দিকে যায়। তবে সৌদি যুবরাজ সব সময়ই তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

টনি ব্লেয়ার ইনস্টিটিউশনের মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাদের প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, পর্যটন খাতের উন্নতিসহ সামগ্রিক উন্নতির লক্ষ্যে ঘোষিত ভিশন-২০৩০-এর পরামর্শদাতা। মুখপাত্র জানান, জামাল খাসোগির হত্যাকাণ্ডের পর ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই চুক্তি কীভাবে এগিয়ে যাবে সে বিষয়ে সন্দিহান ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। তবে টনি ব্লেয়ারের মতে, ‘জঘন্য অপরাধ’ সংঘটনের পরও এই চুক্তি বা সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ‘যৌক্তিক’ এবং এই অবস্থানের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীই দ্বিমত করেননি।

ব্লেয়ার ইনস্টিটিউটের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পরবর্তী সময়ে সৌদি আরব এবং যুবরাজের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এবং পশ্চিমা মিত্র দেশগুলোর সম্পর্ক প্রমাণ করে যে, এই সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।’

বিষয়টি সেখানেই থমকে থাকেনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম  এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক সৌদি যুবরাজকে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে ডাউনিং স্ট্রিট আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি এখনো।

এম.কে
১৩ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

তুরষ্কে পেরেক বিহীন নান্দনিক কাঠের মসজিদ

‘জাতাক সু-তুশুকুর’ নামের মসজিদটি তুরস্কের পূর্ব আনাতোলিয়ার উরজুরুমে অবস্থিত। নান্দনিক মসজিদটিকে ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের অন্যতম নিদর্শন ও উপহার আখ্যা দেয়া হয়। পেরেকের ব্যবহার ছাড়াই সম্পূর্ণ কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মসজিদটি। তা সত্ত্বেও স্থাপনাটি যথেষ্ট মজবুত ও সুদৃঢ়।
ওসমানিয়া শাসনামলে নির্মিত মসজিদটি স্থানীয়দের কাছে ‘মাসজিদুল আলওয়াহিল খাশাবিয়্যা’ বা কাঠের তক্তার মসজিদ নামে বেশি প্রসিদ্ধ।
স্থাপত্যসৌকর্যে অনন্য দৃষ্টিনন্দন ‘জাতাক সু-তুশুকুর’ মসজিদ তুর্কি ও তুরস্কে আসা বিদেশী পর্যটকদের একটি পছন্দের জায়গা। সারা বছর অসংখ্য সৌন্দর্যপ্রেমী দূর-দূরান্ত থেকে এটি দেখতে আসেন। ১৬৬৬ সালে এটি নির্মাণ করেন সে সময়ের বিশিষ্ট বুজুর্গ ব্যক্তি দরবেশ মোহাম্মাদ আফেন্দি।
যদিও কয়েকবার মসজিদটি সংস্কার করা হয়েছে, কিন্তু এর কাঠের তৈরি মূল অবকাঠামো চার শতাব্দীর বেশি সময় ধরে নিজের জৌলুস বজায় রেখেছে। এ সম্পর্কে উরজুরুমের আঞ্চলিক মুফতি শায়খ ফরহাদ কোজাক  জানান, মসজিদটির কয়েকবার সংস্কারকাজ করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও শুরুর সেই কাঠের ছাদ ও বেশকিছু দেয়াল আগের মতোই অক্ষত ও সংরক্ষিত রয়েছে।
শায়খ ফরহাদ কোজাক বলেন, মসজিদের অভ্যন্তরে একসাথে অন্তত চার শ’ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। পুরো মসজিদের আয়তন কমপক্ষে পাঁচ হাজার বর্গমিটার।
মসজিদটি যখন নির্মিত হয়, তখন উরজুরুম ছিল পূর্ব আনাতোলিয়া সাম্রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এ জন্য রাষ্ট্রের কর্তাব্যক্তিরা এখানে আসতেন এবং ‘মসজিদুল আলওয়াহিল খাশাবিয়্যা’তে নামাজ আদায় করতেন। মসজিদটি যেন তার আপন অবস্থায় আরো বহুদিন টিকে থাকে সে জন্য এখনো এর যথাযথ যত্ন করা হয়।
এম.কে
১৩ আগস্ট ২০২৩
Categories
বাংলাদেশ শীর্ষ খবর

ফোর্বসের তালিকায় বাংলাদেশি নবনিতা

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী ফোর্বস ‘৩০ অনূর্ধ্ব ৩০’ তরুণ সফল ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি গবেষক ও উদ্যোক্তা ২৮ বছর বয়সি নবনীতা নাওয়ার স্থান পেয়েছেন। এই তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশি তিনি। ব্যবসা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ৩০ বছরের কম বয়সি ৩০ জনকে নিয়ে বুধবার এক প্রতিবেদনে তালিকাটি প্রকাশ করে ফোর্বস।

এতে বলা হয়েছে, টরন্টোকেন্দ্রিক প্রথম এই তালিকায় আর্থিক, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, ক্রীড়া ও কলা ক্ষেত্রে সফল তরুণদের নির্বাচিত করা হয়েছে। এইচড্যাক্স থেরাপিউটিকস নামে টরন্টোভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার নবনীতা। তিনি প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা। তার সঙ্গে আছেন আরেক সহপ্রতিষ্ঠাতা থাই বংশোদ্ভূত পিমুয়াপা মানসিয়ংকুল। দুজনকেই তরুণ গবেষক ও উদ্যোক্তার তালিকায় রেখেছে ফোর্বস।

ফোর্বসের তালিকায় নবনীতা ও পিমুয়াপার নাম ও ছবি উল্লেখ করে এইচড্যাক্স থেরাপিউটিকস সম্পর্কে লেখা হয়েছে, এইচড্যাক্স থেরাপিউটিকস এই প্রথমবারের মতো পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথির (পিএন) চিকিৎসা বা ওষুধের উন্নয়ন করছে, যা বিশ্বের তিন কোটির বেশি মানুষের কাজে আসবে। ক্যানসারের জন্য নেওয়া কেমোথেরাপি, ডায়াবেটিস, কোনো আঘাত বা জিনগত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ুর কারণে ব্যথা, বোধহীনতা, পক্ষাঘাত ও চলনহীনতায় ভোগেন পিএন রোগীরা। এই রোগের এখনো কোনো ওষুধ নেই, যা এই রোগের বেড়ে উঠাকে ঠেকাতে পারে।

এম.কে
১৩ আগস্ট ২০২৩