Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

সরকারি ডিভাইসে উইচ্যাট নিষিদ্ধের কথা ভাবছে অষ্ট্রেলিয়া

সরকারি ডিভাইসে চীনা মেসেজিং অ্যাপ উইচ্যাট নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার আইনপ্রণেতারা। ‘জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির’ কথা বিবেচনা করে এটি নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে দেশটি।

বিশ্ব গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিদেশি শক্তিগুলো কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তায় হস্তক্ষেপ করে তা তদন্ত করে একটি সিনেট কমিটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য বেশ কয়েকটি নিয়ম এবং বিধিনিষেধের সুপারিশ করেছে।

গত সপ্তাহে দেওয়া ওই তদন্ত প্রতিবেদনে সরকারি ডিভাইসগুলোতে চীনা মেসেজিং অ্যাপ উইচ্যাট নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এর আগে গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ পশ্চিমা মিত্রদের সঙ্গে মিল রেখে সরকারি ডিভাইসে টিকটক নিষিদ্ধ করে অস্ট্রেলিয়া।

কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর প্যাটারসন এক বিবৃতিতে বলেন, টিকটক ও উইচ্যাটের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো ‘অনন্য জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি’ সৃষ্টি করেছে, কারণ তাদের মূল প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্স অ্যান্ড টেনসেন্ট এর সদর দপ্তর চীনে অবস্থিত।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, টিকটক এবং উইচ্যাটের মতো প্ল্যাটফর্মগুলো কর্তৃত্ববাদী শাসকদের নিয়ন্ত্রণের অধীন, যা সংবেদনশীল সরকারি তথ্যের জন্য বিস্তৃত সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকিকে চিত্রিত করে।

কমিটি আরও সুপারিশ করেছে যে, অস্ট্রেলিয়া যেন ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উন্নয়নশীল দেশগুলোকে কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রগুলোর ‘দূষিত তথ্য অপারেশন’ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

উইচ্যাটের মূল প্রতিষ্ঠান টেনসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আমরা কমিটির প্রতিবেদন ও সুপারিশগুলো বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছি। আমরা সিনেট কমিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার পাশাপাশি উইচ্যাট ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উইচ্যাট গত সপ্তাহে একটি লিখিত জবাবে তদন্ত কমিটিকে জানিয়েছে যে, বেইজিং তাদের কখনও ব্যবহারকারীদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করতে বলেনি।

এম.কে
১৩ আগস্ট ২০২৩

Categories
বাংলাদেশ শীর্ষ খবর

আচমকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের কেনা বেচার ফেসবুক গ্রুপগুলো

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে পণ্য বেচা-কেনা এখন বেশ জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও পণ্য বেচা-কেনার জন্য বেশ জনপ্রিয় এই মাধ্যমটি। অনেকে শুধুমাত্র ফেসবুকের ওপর ভিত্তি করেই গড়ে তুলেছেন পণ্য বিকিকিনির ব্যবসা। আর নিজেদের পণ্য বেচা-কেনার জন্য অনেকেই তৈরি করেছেন বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশে কয়েকটি ফেসবুক গ্রুপ বন্ধ হওয়ার পর এরকম গ্রুপ নির্ভর ব্যবসার ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।

তিন বছর আগে ফেসবুকে “রি-সাইকেল বিন” নামে একটি গ্রুপ খুলেছিলেন ঢাকার উদ্যোক্তা ফ্লোরিডা শারমিন। তার এই গ্রুপটিতে যুক্ত হয় প্রায় ১৫ লাখ সদস্য পণ্য বিক্রির জন্য পোস্ট দিতেন অথবা কিনতে পারতেন। কিন্তু মাস খানেক আগে হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায় সেই গ্রুপটি।

ফ্লোরিডা শারমিন যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, গ্রুপটি বন্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা ফেসবুকের পক্ষ থেকে কোনো সতর্কবর্তা পাননি।

তিনি বলেন, “আমাদের গ্রুপ কোয়ালিটি ছিল গ্রিন। অর্থাৎ সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু হঠাৎ গ্রুপে ঢুকতে গিয়ে দেখি গ্রুপ নেই। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দেখি গ্রুপটা নেই। পরে আমি ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারাও সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানাতে পারেনি।”

তার মনে সংশয় দিখা দিয়েছে যে, ফেসবুক হয়তো এরকম বড় গ্রুপকে ফেসবুক প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ব্যবসা করতে দিতে চায় না। কারণ এখান থেকে ফেসবুকের কোনো লাভ নেই। তাদের কোনো পোস্ট বুস্ট দিতে হয় না, বিজ্ঞাপনও দিতে হয় না।

তবে কারণ যেটাই হোক, ১৫ লাখ সদস্যের গ্রুপটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অনেকেই।

এ বিষয়ে জানতে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম। তবে ফেসবুক থেকে এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর দেয়া হয়নি। বাংলাদেশে ফেসবুকের পিআর প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয়, এ বিষয়ে ফেসবুক কোনো মন্তব্য করবে না।

তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেসবুকের কিছু নীতিমালা আছে যার আওতায় গ্রুপ বন্ধ করা হতে পারে। সেসব নীতিমালায় গ্রুপ বন্ধ হওয়া নিয়ে বেশ কিছু সুস্পষ্ট কারণ উল্লেখ আছে। যেখানে ওষুধ, শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, চোরাই পণ্য, জুয়া, লটারি ইত্যাদির প্রচার, অস্ত্র, বিস্ফোরক, ডকুমেন্টস, টাকা-পয়সা, ব্যবহৃত কসমেটিক্স, মাদক দ্রব্য, যৌনতার নির্দিষ্ট কিছু সামগ্রী ইত্যাদির ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এছাড়াও বলা আছে, ফেসবুকের কমিউনিটি স্টান্ডার্ড লঙ্ঘন, প্রতারণা, ফেইক আইডি’র পোস্ট অনুমোদন, সহিংসতা কিংবা গ্রুপে কপিরাইট ছাড়া ছবি/ভিডিও ইত্যাদির কারণেও ফেসবুক কোন একটি গ্রুপ বন্ধ করে দিতে পারে।

অনেকেই গুগল বা ফেসবুক থেকে কোন একটি পণ্যের ছবি ডাউনলোড করে সেই ছবি ব্যবহার করে ক্রয়-বিক্রয়ের পোস্ট দেন। অনেক সময় এসব গ্রুপে পন্য কিনতে গিয়ে গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হন। এ ধরণের বিষয়ও ফেসবুকের নজরে আসলে সেটা ঐ গ্রুপের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ফেসবুক গ্রুপের ওপর ভরসা করে ব্যবসা করা এখন বেশ কঠিনই বলা যায়। আগে অনেকেই নিয়ম-নীতি না জেনেই ব্যবসা করতে পারতেন, এখন আর সেই সুযোগ নেই।

এক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা কয়েকটি বিষয় পরামর্শ দিচ্ছেন। তার মধ্যে প্রথম হলো, ফেসবুকের নিয়ম-নীতি সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখা।

দ্বিতীয়ত, ফেসবুক গ্রুপ নির্ভরশীল না হয়ে এর বাইরে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবসা বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়া। তৃতীয়ত, ট্রেড লাইসেন্স করা।

কোনো গ্রুপের সঙ্গে ওয়েবসাইট এবং ট্রেড লাইসেন্সের মতো ডকুমেন্টস থাকলে ফেসবুক সেটাকে সত্যিকারের কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করে। এক্ষেত্রে কোনো নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে গ্রুপ ডিজেবল হলে সেটা আবেদন করে ফিরিয়ে আনাও সহজ হয়।

এম.কে
১২ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

বেঁচে ফেরাদের বর্ণনায় অভিবাসন প্রত্যাশীদের নৌকাডুবি

গত সপ্তাহে ইটালির ভূমধ্যসাগর উপকুলে নৌকাডুবির ঘটনায় অন্তত ৪১ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিহত হয়েছেন৷ নৌকাডুবির ঘটনায় বেঁচে ফেরা চার অভিবাসনপ্রত্যাশী আইনজীবীদেরকে জানিয়েছেন তাদের দুঃসহ স্মৃতির কথা৷

ইটালির সিসিলির আইনজীবীরা দেশটির ভূমধ্যসাগরীয় উপকুলে গত সপ্তাহে নৌকাডুবির ঘটনার তদন্ত শেষ করেছে৷ তদন্তে আইনজীবীরা বেঁচে ফেরা অভিবাসন প্রত্যাশীদের কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শুনেছেন।

ইটালির ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপ লাম্পেদুসা উপকূলে গত সপ্তাহের শেষ দিকে একটি নৌকা ডুবে তিন শিশুসহ প্রায় ৪১ জন নিহত হয়েছেন৷

বেঁচে যাওয়া অভিবাসীরা বার্তা সংস্থাকে জানায়, ৩ আগস্ট টিউনিশিয়ার স্ফ্যাক্স উপকূল থেকে তারা যাত্রা করেছিলেন। নৌকাডুবির পর পাশ দিয়ে যাওয়া একটি বণিক জাহাজ তাদেরকে উদ্ধার করেছিল৷

তারা জানান, একটি টিউবের ওপর ভর করে তারা সাগরে ভেসেছিলেন৷ বর্ণনা অনুযায়ী, অভিবাসন প্রত্যাশীদের নৌকাটি যুবে যাওয়ার পর নৌকায় থাকায় আরোহীরা সাগরে একটি খালি নৌকা দেখতে পেয়ে সেটিতে উঠার চেষ্টা চালায়৷

তবে মাত্র চারজন নৌকাটিতে উঠতে সক্ষম হন। সাগরে ভাসমান এই খোলা নৌকাটির কোনো ইঞ্জিন ছিল না বলে জানান তারা৷

সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, নৌকায় তারা এক প্যাকেট ক্রেকার্স পেয়েছিলেন৷ আর তাদের সঙ্গে ছিল মাত্র চার বোতল সুপেয় পানি৷ এই সামন্য পানি ও খাবার নিয়ে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা চারদিন ধরে নৌকায় ভাসছিলেন৷ এরপর মাল্টার পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজ তাদের উদ্ধার করে এবং পরে ইটালির কোস্টগার্ড তাদেরকে লাম্পেদুসায় নিয়ে আসে৷

অভিবাসন প্রত্যাশীরা জানান, টিউনিশিয়ার স্ফ্যাক্স উপকূল থেকে ৩ আগস্ট যাত্রা করার ঠিক পরদিন সাগরের প্রায় ৪ মিটার বা ১৩ ফুট উচু ঢেউয়ে ভেসে যায় তাদের নৌকাটি৷

নৌকাডুবিতে নিহতের ঘটনায় শোক জানিয়েছেন পোপ ফ্রান্সিস৷ বৃহস্পতিবার এক টুইটে তিনি বলেন, ভূমধ্যসাগরে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বহনকারী এই নৌকাডুবির ঘটনায় আমি দুঃখিত৷ আমরা এ বিষয়ে উদাসীন হয়ে না যাই৷ চলুন আমরা নিহতদের ও তাদের পরিবারের জন্য প্রার্থনা করি৷’’

উল্লেখ্য ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে এশিয়ার ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ইটালিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা বাড়ছে৷ চলতি বছর এ পর্যন্ত সাগর পাড়ি দিয়ে ইটালি পৌঁছানো অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ বেড়েছে বলে জানিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা৷ গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৯৪ হাজার ৮০০ অভিবাসনপ্রত্যাশী সাগর পাড়ি দিযে ইটালি পৌঁছেছেন৷ গত বছর একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৪৫ হাজার৷

এম.কে
১২ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক

বেতন বাড়ানোর দাবিতে ইংল্যান্ডে ডাক্তারদের কর্মবিরতি

ইংল্যান্ডে বেতন এবং কর্মপরিবেশ নিয়ে অসন্তুষ্টির কারণে আবারো কর্মবিরতি পালন করছে ডাক্তাররা। সেন্ট্রাল লন্ডনে শুক্রবার হতে শুরু হওয়া জুনিয়র ডাক্তারদের এই কর্মবিরতি চলবে ৪ দিন।

ব্রিটিশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন সমর্থীত এই কর্মবিরতি প্রসঙ্গে ব্রিটেনের হেলথ ন্যাশনাল সার্ভিস সতর্ক করে বলেছে, ধর্মঘটের কারণে সারাদিন পরিষেবা ব্যহত হবে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক বলেছিলেন জুনিয়র ডাক্তারদের যে বেতন সরকারের প্রস্তাব করেছে সেটাই চূড়ান্ত।

সরকার জুনিয়র ডাক্তারদের বর্তমান বেতন অনুপাতে ৮.১ শতাংশ থেকে ১০.৩ শতাংশ পর্যন্ত বেতন বড়ানো প্রস্তাব করেছে ৷ যদিও বিএমএ এতে দ্বিমত করে বলছে, ইউনিয়নের সাথে আলোচনা না করে সুনাক একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না।
অ্যাসোসিয়েশনের মূল দাবি হল তাদের বেতন ২০০৮ সালের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে হবে যা করতে জুনিয়র ডাক্তারদের বেতন ৩৫ শতাংশ বাড়াতে হবে।

গত মাসে দেশটিতে সিনিয়র ডাক্তাররা একই কারণে ৪৮ ঘন্টা কর্মবিরতি পালন করেছিল, যা ছিল ২০১২ সালের পর ডাক্তারদের প্রথম বড় কোনো আন্দোলন।

এম.কে
১২ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্যে বিবি স্টকহোম বার্জের পানি ব্যবস্থাপনায় কেলেঙ্কারি

বিবি স্টকহোম বার্জের জল ব্যবস্থায় লেজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যাওয়ায় অভিবাসীদের সেখান থেকে সরানোর খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে পাওয়া গিয়েছে। হোম অফিস জানায় শেষ ৩৯ জন অভিবাসীদের বার্জ্য হতে ডরসেটে শুক্রবারের মধ্যে নামিয়ে দেয়া হবে। লেজিওনেলা ব্যাকটিরিয়া হতে নিউমোনিয়া রোগের প্রাদুর্ভাব হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা জানান।

বার্জ হাউজিং আশ্রয় প্রার্থীদের ব্যয় হ্রাস করার জন্য সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ। তবে অভিবাসীদের বার্জ হতে কোথায় স্থানান্তর করা হবে তা নিশ্চিত করতে পারে নাই হোম অফিস।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সাথে কথা বলা এক উদ্বিগ্ন বার্জের বাসিন্দা বলেন, বোর্ডে থাকা কয়েকজন অভিবাসীর গলা ব্যথা হয়েছে এবং তিনি নিজেও কাশি এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে বার্জে অবস্থান করছিলেন।

হোম অফিসের একটি সূত্র ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বিবি স্টকহোমের জল ব্যবস্থায় লেজিওনেলা ভাইরাস পরীক্ষার সংক্রমণ “নিম্ন স্তরের” ছিল। খবরে জানা যায়, ডরসেট কাউন্সিল অভিবাসীদের নতুন করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করিয়েছে। বার্জ্য সম্পূর্ণ দূষণমুক্ত হবার পরেই আবার অভিবাসীরা ফেরত আনা হবে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।
সরকারের একজন মন্ত্রী জানান, ব্যয় হ্রাস করতেই সরকার হোটেল হতে অভিবাসীদের বার্জ্যে স্থানান্তর করতে বাধ্য হয়েছে।

সরকারী সূত্রগুলি বলেছে তারা যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সংস্থার গাইডেন্স মেনে চলছে এবং বার্জ থেকে মানুষকে সাময়িকভাবে সরিয়েছে কর্তৃপক্ষের সুপারিশ অনুযায়ী।

হোম অফিসের একজন মুখপাত্র বলেন, ” বোর্ডে থাকা কোনো ব্যক্তির লেজিওনার্সের লক্ষণ প্রকাশ পায় নাই।তাছাড়া আশ্রয়প্রার্থীদের যথাযথ পরামর্শ এবং সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে আইনানুযায়ী। বিশেষজ্ঞদের মতে লেজিওনার্সের জীবাণু ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে না।

লেবারের ছায়া মন্ত্রী স্টিফেন কিনক বলেছেন, সরকার নিজেদের হাসির খোরাকে পরিণত করেছে। অভিবাসীদের বার্জ্যে রাখার এই সিদ্ধান্ত সত্যিই হাস্যকর। জীবাণুর আক্রমণ হতে বোঝা যায় সরকার সুরক্ষার ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থাই গ্রহণ করে নাই।

ইমিগ্রেশন মন্ত্রী রবার্ট জেনরিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন। তিনি বলেন যারা রাষ্ট্রীয় খরচে আশ্রয় চেয়েছেন তাদের বসবাসের জন্য বার্জ্য ছাড়া এই মূহুর্তে অন্য কোনো বিকল্প নেই সরকারের হাতে।

তিনি বলেন, ” আমরা করদাতাদের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করছি এটা নিশ্চিত করতে হবে তাছাড়া আশ্রয়প্রার্থীদের সাথেও আমরা যথেষ্ট সহানুভূতিশীল।”

উল্লেখ্য যে লেজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া হতে লেজিওনায়ার্স ডিজিজ নামে একটি গুরুতর সংক্রমণের হতে পারে। লেজিওনেলা ব্যাকটেরিয়া সাধারণত নদী এবং হ্রদে পাওয়া যায় তবে জলের ট্যাঙ্ক এবং নদীর গভীরতা নির্ণয় সিস্টেমের অভ্যন্তরে এই জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারে।

কোনো ব্যক্তি যখন সংক্রামিত জলে শ্বাস নেয় এবং ব্যাকটেরিয়াগুলি ফুসফুসে প্রবেশ করে তখন রোগ দেখা দিতে পারে।

এম.কে
১২ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

নিজের মায়ের নাম খুঁজে ফিরেন বাংলাদেশী যুদ্ধশিশু জেইন রাধিকা

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের বাংলাদেশের বীরাঙ্গনা মহিলাদের হতে জন্ম নেয়া যুদ্ধ শিশুদের দূর্দশার কথা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে উঠে আসে। জেইন মাত্র পাঁচ বছর বয়সে বাংলাদেশের এক অনাথাশ্রম হতে ইংল্যান্ডে চলে আসেন।

জেইন রাধিকা নামের সেই অনাথ শিশুটি বর্তমানে পঞ্চাশোর্ধ একজন নারী। তিনি নিজেকে যুদ্ধ শিশু হিসেবে পরিচয় দিয়ে বলেন, “আমি কখনই জানতে পারি না আমি কোথা থেকে এসেছি, আমার মা আমাকে খুঁজতে খুঁজতে হয়ত তার জীবন কাটিয়েছেন”।

তিনি আরো বলেন, আমার জন্ম হয়েছিল ঢাকা মাদার তেরাসা অনাথালয়ে। আমার কোনো জন্মসনদ ছিল কিনা সেটাও আমি জানি না। হয়ত থাকলে আমার মায়ের নাম তাতে লেখা আছে।

রাধিকা মিডিয়াকে জানান তিনি বাংলাদেশ সম্পর্কে কিছুই জানেন না তবে তার মন পড়ে আছে ওখানে। শিকড়ের সন্ধান করতে গিয়ে তিনি ব্রিটিশ মিডিয়ায় একটি চিঠি লিখেন বলেও জানা যায়। চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছেন তিনি একজন যুদ্ধ শিশু।তার মা ৭১ সালের বীরাঙ্গনা ছিলেন কিন্তু তিনি তার মায়ের নাম জানেন না, তার জন্ম হয়েছিল ১৯৭২ সালে। গণমাধ্যম হতে যদি কোনো সাহায্য পাওয়া যায় তাহলে তিনি অনেক কৃতজ্ঞ হবেন বলেও তিনি জানান।

জেইন রাধিকার মতো অনেক যুদ্ধশিশু এখনও নিজেদের শিকড়ের সন্ধান করে যাচ্ছেন। যদিও তাদের মায়ের পরিচয় খুঁজে পেতে তারা ব্যর্থ হচ্ছেন তথাপি মাতৃভূমিতে বারবার ফিরে আসার টান তারা অনুভব করেন বলে সংবাদমাধ্যমকে জানান।

মুক্তিযুদ্ধকালে পাকিস্তানি হানাদারদের বর্বর নির্যাতনের শিকার হয়ে জন্ম নেওয়া কয়েক হাজার যুদ্ধশিশু এখন কোথায়, তা যেমন কেউ জানে না ঠিক তেমনি এদের মা কোথায় বা তাদের পরিচয় কি সেই ব্যাপারেও সঠিক তথ্য কোথাও উল্লেখ নেই বলে জানা যায়। এ-সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্তও নেই সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কাছে।

যুদ্ধশিশুর প্রকৃত সংখ্যা কত, তাও জানে না কেউ। কানাডার ইউনিসেফ কমিটির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক ১৯৭১ সালে অবরুদ্ধ বাংলাদেশে এবং পরে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে বেশ কয়েকবার সফর করে ঢাকায় ইউনিসেফ কর্মকর্তা ও লীগ অব রেড ক্রস সোসাইটিস প্রতিনিধিদের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনার পর অটোয়ায় সদর দপ্তরে ফিরে দেওয়া প্রতিবেদনে এ দেশে যুদ্ধশিশুর সংখ্যা ১০ হাজার বলে উল্লেখ করেছিলেন, যদিও এ সংখ্যা তখন সব মহলের সমর্থন পায়নি।

বাস্তব কারণেই ওই সময় যুদ্ধশিশুর সঠিক হিসাব রাখা সম্ভব হয়নি। ওই সব সন্তান প্রসবের ঘটনা গোপন রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছিল সন্তান ও মায়ের কথা চিন্তা করেই। এমনকি বিদেশে দত্তক দেওয়ার ক্ষেত্রেও এ-সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখার চেষ্টা করা হয়। কারণ কোন যুদ্ধশিশু কোন দেশে কোন ধর্মে কেমন পরিবেশে বেড়ে উঠবে তা জানাজানি হওয়াটা ছিল খুবই স্পর্শকাতর।

বাংলাদেশের যুদ্ধশিশুদের দত্তক নেওয়ার বিষয়ে প্রথম আগ্রহ প্রকাশ করে কানাডা। জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী মাদার তেরেসা ও তার মিশনারিজ অব চ্যারিটির সহকর্মীদের ব্যক্তিগত চেষ্টা এবং বাংলাদেশের শ্রম ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দুটি কানাডীয় সংগঠন দত্তক গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়। এ সংগঠন দুটির একটি হচ্ছে মন্ট্রিয়লভিত্তিক আন্তর্দেশীয় দত্তকবিষয়ক সংস্থা ফ্যামিলিজ ফর চিলড্রেন এবং অন্যটি টরন্টোভিত্তিক বিশ্বের নির্যাতিত শিশুদের কল্যাণে নিয়োজিত ত্রাণ প্রতিষ্ঠান কুয়ান-ইন ফাউন্ডেশন।

পরবর্তী সময়ে আরো কিছু দেশ এ উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হয়, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, সুইডেন ও অস্ট্রেলিয়া।

এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক হোল্ট অ্যাডপশন প্রোগ্রাম ইন্ক ও টেরি ডেস হোমসের মতো অনেক সংগঠনও এগিয়ে আসে।

জানা যায়, ১৯৭২ সালের ১৯ জুলাই ১৫ যুদ্ধশিশুর প্রথম দলটি বাংলাদেশ থেকে কানাডায় পৌঁছায়। এ তথ্য তখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। ওই সময় গণমাধ্যমে প্রচারিত মূল বার্তাটি ছিল, এ আন্তবর্ণ দত্তক কর্মসূচি একটি ইতিবাচক উদ্যোগ এবং বহু জাতি-বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত কানাডীয়দের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানানো উচিত। ১৫ যুদ্ধশিশুর প্রথম দলটি কানাডায় যাওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে আরো অনেক যুদ্ধশিশুকে দত্তক নেওয়া হয় যুক্তরাজ্য,কানাডাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।

এম.কে
১২ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

ঘর থেকে কাজ করার রীতি বন্ধে কঠোর হতে যাচ্ছে প্রযুক্তি জায়ান্টরা

পৃথিবী জোরে ঘর হতে কাজের যে প্রচলন অতিমারীতে শুরু হয়েছিল তা বন্ধে শক্ত অবস্থান নিতে যাচ্ছে অ্যামাজন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যামাজন কর্মীদের কোম্পানিতে যথেষ্ট সময় না দেয়ার জন্য ট্ট্যাকিং ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে। কাজের অনুপস্থিতির কারণে কর্মীদের শাস্তির ব্যবস্থাও করতে যাচ্ছে অ্যামাজন।

মহামারী চলাকালীন সময়ে ঘর থেকে কাজ করার যে প্রচলন শুরু হয়েছে তা বন্ধের জন্য চাপ দিয়েছে অ্যামাজনের মতো বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। মার্চ মাসে, অ্যাপল তাদের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের হুমকি দেওয়া শুরু করে। অ্যামাজন কর্মীদের অফিসে ফিরে আসতে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়।

গুগল, মেটা এবং অ্যাপলের মতো প্রযুক্তি জায়ান্টরা ফুডস্টোর , লন্ড্রি সুবিধা এবং অনুশীলন কেন্দ্রগুলিকে সজ্জিত করেছে কর্মীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য। যদিও কর্মীরা কাজের স্থানে ফিরতে উৎসাহ বোধ করছে না বলে জানা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, পাঁচজনের মধ্যে প্রায় তিনজন প্রযুক্তিবিদ কর্মস্থলে ফিরতে অনীহা প্রকাশ করেছেন।

অ্যামাজন কর্মীরা জুনে রিটার্ন-টু-ওয়ার্ক নীতির প্রতিবাদ করার উদ্দেশ্যে কর্মস্থল হতে ওয়াকআউট করে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে আসে।শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণ গোষ্ঠী বলছে কর্মীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের অফিসে ফিরিয়ে আনা হলে শ্রম আন্দোলনের সৃষ্টি হতে পারে।

এম.কে
১১ আগস্ট ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

তেলচালিত গাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে বাজার হতে

বৈদ্যুতিক গাড়ি ভবিষ্যতে গাড়ির বাজার দখল করে নিবে বলে এক খবরে জানা যায়। নতুন তথ্যানুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে পেট্রোল এবং ডিজেলচালিত সকল গাড়ি বিক্রয় করে ফেলার নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার।

বর্তমান সময়ানুযায়ী বিশেষজ্ঞদের মতে ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে পেট্রোল এবং ডিজেলচালিত যানবাহনের স্থান দখল করে নিবে বৈদ্যুতিক গাড়িগুলি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী বৈদ্যুতিক গাড়ি ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জুলাই মাসে পেট্রোল বা ডিজেল চালিত গাড়ির নিবন্ধন কমেছে আট শতাংশ। ২০১৯ সালে পেট্রোলচালিত গাড়ি যেখানে প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ছিল, এখন সেই সংখ্যা দিনদিন হ্রাস পাচ্ছে।

ডিজেলচালিত গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সংখ্যা ২০১৬ সাল হতে নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেতে শুরু করেছে বলে পরিসংখ্যানে দেখা যায়।

এলন মাস্ক-নেতৃত্বাধীন টেসলা গত মাসে নিবন্ধিত সর্বাধিক বৈদ্যুতিক যানবাহন বিক্রিতে শীর্ষে রয়েছে। বৈদ্যুতিক গাড়ির মধ্যে মডেল ওয়াই বিক্রিতে সবচেয়ে এগিয়ে আছে বলে জানান টেসলার এক কর্মকর্তা।

নিউ অটোমোটিভের প্রধান নির্বাহী বেন নেলমেস বলেছেন, “ সরকারের ২০৩০ লক্ষ্য নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিক্রেতারা ইতিমধ্যে ডিজেলচালিত গাড়ি বিক্রি শেষ করেছেন যদিও গ্রাহকেরা পেট্রোল ও ডিজেল চালিত গাড়িগুলি এড়িয়ে যাচ্ছে।”

উল্লেখ্য যে পরিবেশ বান্ধব হিসেবে পেট্রোল ও ডিজেল চালিত গাড়ির চেয়ে এগিয়ে রেয়েছে বৈদ্যুতিক গাড়ি। তাছাড়া অর্থনৈতিকভাবেও বৈদ্যুতিক গাড়ি বেশি সাশ্রয়ী হওয়ায় গ্রাহকেরা পেট্রোল বা ডিজেল চালিত গাড়ির দিকে আর ঝুঁকছে না।

এম.কে
১১ আগস্ট ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

ব্রিকলেনের দেয়ালে চীনা রাজনৈতিক স্লোগান নিয়ে বিতর্ক

লন্ডনে ব্রিকলেনের একটি দেয়ালে চীনের কম্যুনিস্ট পার্টির মতাদর্শের স্লোগান ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সপ্তাহের শেষ দিনে একদল লোক ব্রিকলেনের সাদা দেয়ালে লাল রঙ্গের স্প্রে দিয়ে চীনা ভাষায় বড় বড় করে স্লোগানগুলো আঁকছে।
সেখানে ১২টি করে দুই অক্ষরের শব্দ দিয়ে গঠিত চীনের ‘মূল সমাজতান্ত্রিক মূল্যবোধ’ লেখা হয়েছে, যা চীনের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের শাসনামলের সবচেয়ে প্রচলিত রাজনৈতিক স্লোগান।
ব্রিকলেনের দেয়ালে এই স্লোগান দেখা যাওয়ার পর অনলাইনে বিতর্ক শুরু হয়েছে যে এগুলোকে আসলে ‘স্ট্রিট আর্ট’ বা দেয়াল লিখন শিল্প হিসাবে গণ্য করা হবে কি না এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গে কীভাবে রাজনৈতিক প্রচারণাকে মিলিয়ে ফেলা হয়।
তবে এই স্লোগান দেখা যাওয়ার পর ব্রিকলেনের দেয়ালটি ভিন্ন মতাদর্শের শ্লোগান লেখার একটা জায়গা হিসাবে তৈরি হয়েছে। ওই স্লোগানের পাল্টা হিসাবে চীনের সরকারের সমালোচনা করে নতুন গ্রাফিতি আঁকা হয়েছে।
আবার কেউ কেউ সেসব স্লোগানের সামনে একটি ‘না’ যুক্ত করে দিয়েছেন। বিভিন্ন ধরনের বার্তা লিখেছেন অনেকে।
কেউ কেউ বিরক্তি প্রকাশ করেছেন যে, দেয়ালে থাকা আগের গ্রাফিতিগুলো ঢেকে দিয়েছে চীনা স্লোগান। এসব গ্রাফিতির মধ্যে একজন বিখ্যাত শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন হিসাবে আঁকা কিছু গ্রাফিতি ছিল, যিনি মারা গেছেন।
এম.কে
১১ আগস্ট ২০২৩
Categories
Property Mortgage with BENECO যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

বিলেতে বাড়ি কেনাবেচাঃ প্রপার্টি পোর্টাল

১৭ মে ২০২৩ তারিখে পার্লামেন্টে নতুন রেন্টার রিফর্ম বিল (Renters Reform Bill) এর প্রস্তাবনা করা হয়। এই বিল এর একটি অঙ্গিকার ছিল বাই টু লেট প্রপার্টির ল্যান্ডলর্ডদের জন্য একটি প্রপার্টি পোর্টাল তৈরি করা হবে। 

এই প্রপার্টি পোর্টাল এর মাধ্যমে একদিকে ল্যান্ডলর্ডরা যেমন তাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য সম্পর্কে জানতে পারবে। অন্যদিকে পোর্টাল এর মাধ্যমে ট্যানেন্টরা যে প্রপার্টি ভাড়া নিতে ইচ্ছুক অথবা যে প্রপার্টিতে তারা বর্তমানে ভাড়া আছে, সেই প্রপার্টির বিস্তারিত এবং প্রপার্টির ল্যান্ডলর্ডদের প্রাথমিক তথ্য জানতে পারবে। এছাড়াও এই পোর্টালে ট্যানেন্টরা প্রপার্টি এবং প্রপার্টির ল্যান্ডলর্ড সম্পর্কে মতামত এবং অভিযোগ জানাতে পারবে। লোকাল কাউন্সিলও এই পোর্টাল থেকে প্রপার্টির বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবে। 

 

প্রপার্টি পোর্টাল এর বৈশিষ্ট্য 

  • প্রপার্টি পোর্টাল তৈরি করার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হল, সমগ্র ইংল্যান্ডের ল্যান্ডলর্ড এবং তাদের প্রপার্টির একটি ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরি করা। 
  • নতুন ডিজিটাল প্রপার্টি পোর্টাল হবে, ট্যানেন্ট এবং ল্যান্ডলর্ডদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ওয়ান স্টপ পোর্টাল। যে পোর্টাল এর মাধ্যমে ট্যানেন্টরা যে প্রপার্টি ভাড়া নিতে ইচ্ছুক অথবা যে প্রপার্টিতে তারা বর্তমানে ভাড়া আছে, সেই প্রপার্টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাবে। 
  • প্রপার্টি পোর্টাল তৈরি করার আরেকটি উদ্দেশ্য হল, ক্রিমিনাল ল্যান্ডলর্ডদের চিহ্নিত করা।  
  • কোন প্রপার্টিতে কোন সমস্যা সৃষ্টি হলে, এই প্রপার্টি পোর্টাল এর মাধ্যমে লোকাল কাউন্সিলও সহজেই প্রপার্টির বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবে।
  • প্রপার্টি পোর্টাল এর ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে অনলাইনে ল্যান্ডলর্ডরা তাদের প্রপার্টির রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। 
  • প্রপার্টি পোর্টালের রেজিস্ট্রেশন ব্যতীত কোন  ল্যান্ডলর্ড প্রপার্টি ভাড়া অথবা বিজ্ঞাপন দিলে, তাকে লোকাল কাউন্সিল এর মাধ্যমে জরিমানা করা হবে। 
  • কোন ট্যানেন্ট প্রপার্টি ভাড়া নিতে চাইলে তাকেও এই পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। 
  • ল্যান্ডলর্ডদের একটি নির্দিষ্ট ফি দিয়ে প্রথমবার প্রপার্টি পোর্টালের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। পরবর্তীতে কোন রেকর্ড আপডেট এর জন্য কোন ফি লাগবে না। 
  • প্রপার্টি ভাড়া হয়ে গেলে, এই পোর্টালে ট্যানেন্সি এগ্রিমেন্ট আপলোড করতে হবে।  

 

 সরকার খুব শিগ্রই নতুন ডিজিটাল প্রপার্টি পোর্টাল ল্যান্ডলর্ডদের জন্য উন্মুক্ত করবে। এই পোর্টালে ল্যান্ডলর্ড এবং ট্যানেন্টদের ব্যক্তিগত তথ্যের সর্বোচচ নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।   

 

প্রপার্টি মার্কেট এবং মর্গেজ সম্পর্কে আপনাদের কোন মতামত বা জিজ্ঞাসা থাকলে নিন্মের ই-মেইল অথবা টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।     

 

Email: info@benecofinance.co.uk     

Tel: 02080502478