Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার শুরু করেছে জরিমানা ব্যবস্থা

পার্কে পাখিদের খাওয়ানো, অযথা গালিগালাজ করলে কিংবা পথচারীকে উত্যক্ত করার কারণে অন-স্পট জরিমানা জারি করেছে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ। কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন ধরনের খারাপ ব্যবহারের কারণে এইসব জরিমানা বিধানের ব্যবস্থা করেছে বলে জানান স্থানীয় সরকারের একজন মুখপাত্র।

পাবলিক স্পেস সুরক্ষা আদেশের আইন অনুসারে জারি করা জরিমানার রেকর্ডের তথ্যানুযায়ী ২০১৯ সালের ১০,৪১২ জনকে জরিমানা করা হয়েছিল খারাপ আচরণের জন্য। এই সংখ্যা ২০২২ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩,৪৩৩ জন। স্থানীয় সরকার তাই নিজেদের কাউন্সিল এলাকা পরিছন্ন ও সুন্দর পরিবেশ রক্ষার্থে আরো কঠিন ব্যবস্থা নিতে আগ্রহী বলে সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে জানা যায়।

যেসব অপরাধের জন্য লোকদের জরিমানা করা হয়েছিল তার মধ্যে চিৎকার,চেঁচামেচিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিবেশীদের উত্যক্ত করলেও জরিমানা বিধান রাখা হয়েছে নতুন আইনে।

২০১৪ সালে চালু হওয়া পাবলিক স্পেস সুরক্ষার নিয়মে হুমকী বা হিংসাত্মক আচরণ, পার্কের কোনো গাছ তুলে ফেলা, পাথর ছুঁড়ে মারাকে নিষিদ্ধ আচরণের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ভিক্ষার জন্য জরিমানা করার বিধান এনেছে স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া পাবলিক প্লেসে ঘুমানোর জন্য ৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা বিধানের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানা যায়। তবে এইসব নিয়মের সমালোচনা করেছে বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা।

দাতব্য সংস্থার একজন মুখপাত্র বলেন, কিছু আইন মনে হয় গৃহহীন বা গরীব মানুষদের জন্য বিপদ বয়ে আনবে। সরকার সবাইকে বাসস্থানের বন্দোবস্ত করতে অপারগ কিন্তু স্থানীয় সরকার রাস্তায় শুয়ে থাকা ব্যক্তিদের জরিমানা করার উদ্যোগ নিয়েছে। যা পরিস্থিতি আরো খারাপই করতে পারে।

স্থানীয় সরকার সমিতি যুক্তি দিয়ে বলে, অসামাজিক আচরণ যেমনঃ পাবলিক পরিবেশে মদ্যপান, গাড়ি দিয়ে রেইসিং, আক্রমণাত্মক ভাব নিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি এবং ভয় দেখানো মানুষের জীবনযাত্রার গুণমানকে নষ্ট করতে পারে, ব্যবসায়ের ক্ষতি করতে পারে। এইসব আচরণকে তাই কোনো অবস্থায় আশকারা দেয়া ঠিক নয়। তাই জরিমানার বিধানই হতে পারে একমাত্র সমাধান।

সাউদ-অন-সি-এর কাউন্সিলর জেমস কার্টেনয় বলেন, “বেপরোয়া সাইকেল চালানো এবং ই-স্কুটারদের অবৈধভাবে চলাচলের বিষয়ে অনেক অভিযোগ আমরা প্রায়ই পেয়ে থাকি। এইসব বিষয়ে ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ জনগণ হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়বে। জনগণ কাউন্সিলকে ট্যাক্স প্রদান করে সুন্দর পরিবেশ আর সুরক্ষার কথা চিন্তা করে। তাই খারাপ আচরণ কখনও মেনে নেয়া যায় না।”

এম.কে
২১ জুলাই ২০২৩

Categories
Property Mortgage with BENECO যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

বিলেতে বাড়ি কেনাবেচাঃ  স্টুডেন্ট মর্গেজ

আগামী অটাম টার্মে বিলেতের বসবাসরত অনেক ছাত্র-ছাত্রী তাদের গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করার জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেতাদের অনেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিকটে বাসা ভাড়া নিবেবিশ্ববিদ্যালয়ে নিকটে বাসা ভাড়া নিলে ছাত্র-ছাত্রীকে অথবা অভিভাবককে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি, দৈনন্দিন খরচ এর পাশাপাশি অতিরিক্ত খরচ হিসেবে বাসা ভাড়া খরচ বহন করতে হবেএকটি হাই স্ট্রিট ব্যাংক এর ২০২১ সালের জরিপ অনুযায়ী সমগ্র গ্রেট ব্রিটেন এর ছাত্র-ছাত্রীদের মাসিক খরচের একটি বড় অংশ রেন্ট এর জন্য খরচ হয়।  এই খরচ কমানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা এবং অভিভাবকগণ তাদের সন্তানদের জন্য Student Mortgages অথবা buy-for-university mortgage নিতে পারেন।  

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রপার্টি মার্কেটে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য, কিছু কিছু স্পেশাল ল্যান্ডর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রপার্টি মূল্যের সম্পূর্ণ অর্থাৎ ১০০% স্টুডেন্ট মর্গেজ দিয়ে থাকে।  এই মর্গেজকৃত প্রপার্টিতে ছাত্র-ছাত্রী নিজে থাকতে পারবে এবং অতিরিক্ত রুম অন্যদের ভাড়া দিতে পারবে।  

 

কারা স্টুডেন্ট মর্গেজ নিতে পারবে 

প্রথমত স্টুডেন্ট মর্গেজ নেবার জন্য ছাত্র-ছাত্রীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রমাণপত্র থাকতে হবেছাত্র-ছাত্রীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর হতে হবেছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবক উভয়ে বিগত ৩ বছর গ্রেট ব্রিটেনে ছিল তার ঠিকানার প্রমাণপত্রছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবক উভয়ের গ্রেট ব্রিটেনে বসবাসের জন্য পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট পারমিট থাকতে হবেগ্রেট ব্রিটেনে অভিভাবকের মালিকানাধীন রেসিডেনসিয়াল প্রপার্টি থাকতে হবে।  

 

স্টুডেন্ট মর্গেজ এর বৈশিষ্ট্য  

  • % থেকে ৫ডিপোজিট মর্গেজ, অর্থাৎ  কোন কোন ক্ষেত্রে প্রপার্টি মূল্যের সম্পূর্ণ টাকা মর্গেজ হিসেবে নেয়া যায়।  
  • প্রথম ২ বা ৫ বছর ডিসকাউন্ট ইন্টারেস্ট রেটে মর্গেজ পাওয়া যাবে।  
  • স্টুডেন্ট মর্গেজ হল ইন্টারেস্ট অনলি মর্গেজতবে গ্রাজুয়েশন সম্পূর্ণ হলে প্রপার্টির রেজিস্টার্ড ওউনার স্টুডেন্ট মর্গেজ কে ট্র্যাডিশনাল মর্গেজে রূপান্তর করতে পারবে।  
  • এই একধরনের জয়েন্ট বরোয়ার সোল প্রপ্রাইটর মর্গেজ (JBSP)। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী হবে প্রপার্টির রেজিস্টার্ড ওউনার এবং আর পিতা-মাতা মর্গেজকৃত প্রপার্টির সমান লাইবেলেটি বহন করবেনপিতা-মাতা মর্গেজ এর গ্যারান্টর হিসেবে থাকবেন এবং উভয় পক্ষকেই মর্গেজ লোন পরিশোধ এর জন্য জয়েন্ট এবং সেভারেল লাইবেলেটি বহন করতে হবে।  
  • এটি যেহেতু একটি রেসিডেনসিয়াল মর্গেজ। তাই অভিভাবকের ইনকাম এবং ক্রেডিট কমিটমেন্ট এর উপর ভিত্তি করে মর্গেজ এফোরডেবিলিটি ক্যালকুলেট করা হবে।  
  • যে প্রপার্টির জন্য স্টুডেন্ট মর্গেজ নেয়া হবে, সেই প্রপার্টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে  ১০ মাইল দূরত্বের মধ্যে থাকতে হবে।  
  • প্রপার্টির বেডরুম ২ থেকে ৪টি হতে হবেঅতিরিক্ত বেডরুম রেন্ট দেয়া যাবে।  
  • যদি প্রপার্টিতে ৫ বা অধিক ব্যক্তি বসবাস করে তবে প্রপার্টির জন্য HMO লাইসেন্স লাগবে 

 

স্টুডেন্ট মর্গেজ নেওয়ার আগে একজন অভিজ্ঞ মর্গেজ এডভাইজারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। স্টুডেন্ট মর্গেজ এর জন্য স্পেশালিষ্ট মর্গেজ ল্যান্ডরের প্রয়োজনঅভিজ্ঞ মর্গেজ এডভাইজর এর মাধ্যমে স্পেশালিষ্ট মর্গেজ এর অ্যাপ্লিকেশন করতে হয় 

 

প্রপার্টি মার্কেট এবং স্টুডেন্ট মর্গেজ সম্পর্কে আপনাদের কোন মতামত বা জিজ্ঞাসা থাকলে নিন্মের ই-মেইল অথবা টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন   

Email: info@benecofinance.co.uk   

Tel: 02080502478 

Categories
শীর্ষ খবর স্পোর্টস

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে হোটেল না পেয়ে হাসপাতালে বুকিং

৫ অক্টোবর ভারতে শুরু হবে আইসিসি বিশ্বকাপ। ১৫ অক্টোবর আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে এশিয়ার দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ভারত-পাকিস্তান।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখতে হলে থাকতে হবে আহমেদাবাদের হোটেলে। সেখানের ভাড়া চড়া মূল্য হওয়ায় দর্শকরা তাই বিকল্প পথ খুঁজছেন।

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে ঘিরে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে হোটেলগুলোয় থাকতে প্রতি রাতে খরচ করতে হতে পারে ৫০ হাজার থেকে ৭০ হাজার রুপি। বলা হচ্ছে- কোনো কোনো হোটেলে নাকি রাত প্রতি প্রায় ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা খরচ করতে হতে পারে।

তাই খরচ কমাতে ভারতের বাইরে থেকে আসা দর্শকরা খোঁজখবর নিচ্ছেন হাসপাতালে। যেখানে হোটেলের মতো সকালের নাশতা, নৈশভোজের ব্যবস্থাও আছে। তবে শুধু থাকার জন্য তো আর হাসপাতালে যাওয়া চলে না। তাই নেওয়া হচ্ছে একটি উপায়।

এ ব্যাপারে সান্নিধ্য হাসপাতালের চিকিৎসক পরশ বলেছেন, যেহেতু হাসপাতাল, তাই তারা ফুল বডি চেকআপের সঙ্গে রাতে থাকার কথাও বলছেন। এতে দুটি উদ্দেশ্যই পূর্ণ হয়-টাকাও বাঁচে, স্বাস্থ্য পরীক্ষাও হয়।

শাহ নামের এক চিকিৎসক বলেন, তারা যেকোনো কিছুর জন্য প্রস্তুত, যেটির প্রস্তাবই দেন না কেন-ডিলাক্স রুম, স্যুট রুম। আমাদের কক্ষ সীমাবদ্ধ, আর আমরা রোগীদের প্রাধান্য দেব বলে এসব অগ্রিম বুকিং নেওয়ার ব্যাপারে আমাদের বিচক্ষণতা কাজে লাগাচ্ছি।

স্টার্লিং হাসপাতালের চিকিৎসক নিখিল লালা নিশ্চিত করেছেন, আমরাও ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা থাকা যায় কিনা, এমন জিজ্ঞাসার মুখোমুখি হচ্ছি। বিশেষ করে ১৫ অক্টোবরের আশপাশে। আমাদেরও পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্যাকেজ আছে।

তিনি আরও বলেন, ১৫ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচের কারণেই এমন হচ্ছে। শুধু আমাদের হাসপাতালে নয়, অন্য শহরের হাসপাতালেও একই দৃশ্য। ফলে আমরা স্বাস্থ্য পরীক্ষার ভিন্ন প্যাকেজের কথা ভাবছি।

গুজরাটের অ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিরাজ লাল বলেছেন, সাধারণত সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে আমরা বেশি রোগী পাই। তবে এখন আমরা অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সর্বোচ্চ
সংখ্যক বুকিং পেয়েছি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য পরীক্ষার, যার মাধ্যমে তারা এখানে অবস্থানও করবেন।

এম.কে
২১ জুলাই ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

ব্রিকসের মিটিংয়ে যাচ্ছেন না পুতিন

ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীনের চার দেশীয় এ বাণিজ্যিক জোটের চলতি বছরের সম্মেলনের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা।

বুধবার এক বিবৃতিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামফোসার কার্যালয় জানিয়েছে, আসন্ন ব্রিকস সম্মেলনে যোগদান করবেন না পুতিন। পুতিনের যোগদান না করার সিদ্ধান্ত দুই দেশ অর্থাৎ রাশিয়া ও আফ্রিকা যৌথভাবে নিয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ মাসে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিসি)। পুতিন যদি আফ্রিকায় সম্মেলনে যোগদান করেন তাহলে চুক্তি স্বাক্ষরকারী সদস্য দেশ হিসাবে আফ্রিকা তাকে গ্রেফতার করতে বাধ্য।

মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট রামফোসা আইসিসির কাছে পুতিনকে গ্রেফতার করা হবে না-এমন অনুমতি চান। কারণ, তার মতে পুতিনকে গ্রেফতার করা হলে সেটা হবে যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।

 

এম.কে
২০ জুলাই ২০২৩

 

Categories
আন্তর্জাতিক

মণিপুরের ঘটনায় শিউরে উঠেছেন অক্ষয় কুমার

এবার বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার মণিপুরে দুই নারীকে নগ্ন করে ক্যামেরার সামনে হাঁটানোর ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি রীতিমতো এই দৃশ্য দেখে ‘শিউরে’ উঠেছেন। বৃহস্পতিবার সকালে এক টুইটে তিনি এ কথা লেখেন।

অক্ষয় বলেন, বিবস্ত্র করে তাদের ক্যামেরার সামনে হাঁটানোর দৃশ্য দেখে আমি ‘শিউরে’ উঠেছি।
এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের এমন শাস্তি হোক যাতে এমন রোমহর্ষক ঘটনার চিন্তাও কেউ কখনও না করে।
এর আগে, বুধবার ভারতের মণিপুরে দুই নারীকে নগ্ন করে ক্যামেরার সামনে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তাদের একটি মাঠে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে সেখানকার আদিবাসী একটি সংগঠন।

উল্লেখ্য, গত ৪ মে মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে কাংপোকপি জেলায় এ ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনাটি নিয়ে ভারতজুড়ে ব্যাপক নিন্দা চলছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি উঠেছে।

এম.কে
২০ জুলাই ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

বিশ্বের বিস্ময় যে মসজিদ

আফ্রিকার মালিতে রয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মাটির মসজিদ। অনিন্দ্যসুন্দর এ স্থাপনাটি বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বিবেচিত।

মালির ডিজেনি শহরে ১২০০ থেকে ১৩০০ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে তৈরি হয়েছিল বড় মসজিদ নামে পরিচিত সুবৃহৎ একটি মাটির মসজিদ। মালির সুলতান কনবরু ইসলাম গ্রহণ করার পর তার রাজপ্রাসাদ ভেঙে ফেলে সেখানে দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটি তৈরি করান।

১৮২৮ সালে ফরাসি পর্যটক রেনে এ এলাকা সফর করেন। তার সফরের আগ পর্যন্ত এ মসজিদটি সম্পর্কে লিখিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। রেনে তার সফর শেষে লেখেন, ‘ডিজেনি শহরে মাটির তৈরি একটি মসজিদ আছে। এর দুই পাশে দুটি দর্শনীয় মিনার আছে।

এরপর থেকে মাটির তৈরি এ মসজিদ সম্পর্কে মানুষের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়। বানি নদীর তীরে অবস্থিত মসজিদটি ২৪৫-২৪৫ ফুট আয়তনবিশিষ্ট ৩ ফুট উঁচু প্ল্যাটফরমের ওপর তৈরি। বর্ষাকালে বানি নদীর প্লাবিত পানি থেকে মসজিদটিকে সুরক্ষা করে এ প্ল্যাটফরম। মাটির তৈরি সুবৃহৎ মসজিদের দেয়ালগুলো তালগাছের কাঠ, যা স্থানীয়ভাবে ‘টরল’ নামে পরিচিত- সেগুলো দ্বারা নকশা করা।

শুধু নকশা নয়, তালগাছের কাঠ মসজিদের দেয়ালে এমনভাবে গেঁথে দেওয়া হয়েছে যাতে মাটির দেয়াল সহজে ধসে না যায়।

মধ্যযুগে আফ্রিকার এ অঞ্চলে ইসলামী শিক্ষা বিস্তারের প্রধান কেন্দ্র ছিল এ মসজিদটি। হাজার হাজার শিক্ষার্থী তখন কোরআন শিক্ষার জন্য এ মসজিদে আসত।

২০০৬ সালের ২০ জানুয়ারি মসজিদের ছাদের একটি অংশ এবং ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর এর দক্ষিণ দিকের মিনারের একটি অংশ ধসে পড়লে ‘দি আগা খান ট্রাস্ট কালচার’ নিজস্ব খরচে এর সংস্কার করে দেয়। ১৯৮৮ সালে ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

অসাধারণ গঠনশৈলীর কারণে মসজিদটি শুধু সাধারণ দর্শনার্থীদেরই নয়, স্থাপত্যশিল্পীদেরও নজর কাড়ে। মসজিদটির উপরিভাগের মাটির ছাদ রক্ষার কোনো বিশেষ ব্যবস্থা নেই। এতে এমনভাবে মাটির প্রলেপ দেওয়া আছে যে, প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতেও ওই ছাদের কোনো ক্ষতি হয় না।

এম.কে
২০ জুলাই ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

লন্ডনের বিখ্যাত ট্রোকাডেরো ভবনে মসজিদ করার অনুমতি

ট্রোকাডেরো, লন্ডনের ওয়েস্ট এন্ডের এককালের বিখ্যাত বিনোদনকেন্দ্র ছিল। এবার সেখানে মসজিদ করার অনুমোদন পেয়েছে যুক্তরাজ্যের মুসলিম দাতব্য সংস্থা ‘আজিজ ফাউন্ডেশন’।

সম্প্রতি কমপ্লেক্সটির একটি অংশে মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার করার অনুমতি দেয় ওয়েস্টমিনস্টার সিটি কাউন্সিল।

গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, লন্ডনের মূলকেন্দ্রে নামাজের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় মসজিদ করার অনুমোদন চাইলে ৩৯০ জনের ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন মসজিদ করার এ অনুমোদন দেওয়া হয়।

এর আগে ২০২০ সালে এখানে এক হাজার ব্যক্তির ধারণক্ষমতার মসজিদ করার পরিকল্পনা নেওয়া হলেও ডানপন্থী দলগুলো ও স্থানীয়দের বিরোধিতার মুখে তা বাদ দেওয়া হয়।

এক বিবৃতিতে আজিজ ফাউন্ডেশন জানায়, ট্রোকাডেরো কমপ্লেক্সের বেসমেন্টে খালি জায়গা মসজিদ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এখানে যেসব মুসলিম কাজ করেন, ঘুরতে আসেন এবং বসবাস করেন স্থানটি তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। নামাজের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হলেও ভবনটি আগের মতো সব ধর্মাবলম্বী ও দলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

তাছাড়া পিকাডিলি কমিউনিটি সেন্টার, নামাজের স্থান ও স্থানীয় সামাজিক উদ্যোগ ও আন্তর্ধর্মীয় কার্যক্রমে ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার কথা বলা হয়।

তাতে আরও বলা হয়, কমিউনিটি হল ও নামাজের প্রধান স্থান হিসেবে ভবনের একদম নিচের বেসমেন্ট ব্যবহৃত হবে। এখানে অন্তত ২৫০ জন একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারবে। আর মেজানিন ফ্লোরে অন্তত ১৪০ জনের নামাজ পড়ার জায়গা হবে।

তা ছাড়া এখানে অজু, টয়লেটসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা থাকবে। একজন ব্যবস্থাপক ও ইমামসহ মোট চারজন কর্মী সার্বক্ষণিক সেবা দেবেন। শনিবার ও রবিবার ছাড়া সপ্তাহের অন্যান্য দিন তা ১০টা থেকে ৭টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। জুমার নামাজের ব্যবস্থা থাকলেও এখানে ঈদ ও জানাজার নামাজের ব্যবস্থা থাকবে না। লন্ডনের ওয়েস্ট অ্যান্ড সিটির পিকাডিলি সার্কাস ও সোহোর মধ্যখানে অবস্থিত ট্রোকাডেরো কমপ্লেক্স।

১৮৯৬ সালে নির্মিত ভবনটি দীর্ঘ সাত দশক ধরে রেস্টুরেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এরপর ১৯৬৫ সালে তা বন্ধ হওয়ার পর ১৯৮৪ সালে পুনরায় সেখানে প্রদর্শনীস্থল ও দ্য মেট্রো নামে সিনেমা হল চালু হয়। মূলত ১১তলাবিশিষ্ট ভবনটি তখন লন্ডনের প্রধান বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে ছিল। এখানে ৪৯০টি রুমবিশিষ্ট জেডওয়েল নামে একটি হোটেলও রয়েছে। নব্বইয়ের দশকে পেপসি ও সেগার সহযোগিতায় ভবনটি সবার মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৯৭ সালে এটি ছিল যুক্তরাজ্যের প্রথম থ্রিডি আইম্যাক্স সিনেমার প্রধান কেন্দ্র। পরবর্তী সময়ে পেপসি ও সেগাওয়ার্ল্ড এর মালিকানা ছেড়ে দেয়। বর্তমানে ভবনটিতে হোটেল ও রেস্টুরেন্ট আছে।

২০০৫ সালে ব্রিটিশ বিলিয়নেয়ার উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী আসিফ আজিজ ২২০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি অর্থ দিয়ে ভবনটি ক্রয় করেন। সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান আজিজ ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে এর বেসমেন্টের কিছু অংশ মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এর সম্ভাব্য নাম হবে পিকাডিলি প্রেয়ার স্পেস। আশা করা হচ্ছে, আগামী এক মাসের মধ্যে স্থানটি নামাজের জন্য প্রস্তুত করা হবে।

 

এম.কে
২০ জুলাই ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

ব্রিটিশ পাসপোর্টে আসতে যাচ্ছে নতুন পরিবর্তন

৭০ বছরের মধ্যে এই প্রথমবারের মতো, ব্রিটিশ পাসপোর্টগুলিতে ‘হিজ ম্যাজেস্টি’ উপাধি ব্যবহার হতে যাচ্ছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব। তৃতীয় কিং চার্লস রাজা হওয়ার পর এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে বলে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়।

এইচএম পাসপোর্ট অফিস গ্রীষ্মের ব্যস্ততায় হলিডেকালীন সময় হতেই এই ব্যতিক্রমী পরিষেবা সরবরাহ শুরু করবে বলে জানা যায়।

২০২৩ সালের প্রথম ৬ মাসে, ৫ মিলিয়নেরও বেশি পাসপোর্ট ১০ সপ্তাহের মধ্যেই জারি করেছে এইচএম পাসপোর্ট অফিস। যদিও গ্রীষ্মকালীন সময়ে পাসপোর্ট পরিষেবা প্রদানে চাপ বেশি থাকায় অনেকক্ষেত্রে ১০ সপ্তাহ সময় অতিবাহিত হয়েছে বলে জানা যায়।

স্বরাষ্ট্রসচিব সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান বলেন, ৭০ বছরের পর পাসপোর্টে আবারও ‘হিজ ম্যাজেস্টি’ ব্যবহার হতে যাচ্ছে। ১৯৫২ সালের পর ব্রিটিশ পাসপোর্টগুলিতে আবারও হিজ ম্যাজেস্টি ব্যবহার হতে যাচ্ছে। আমরা ইতিহাসের অংশ হিসেবে এতে জড়িত হওয়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছি। এটা হবে যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত।

যেহেতু এইচএম পাসপোর্ট অফিস তার ইতিহাসে একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে তাই আমি যারা এইচএম পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত তাদেরকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ব্রিটিশ জনগণের চাহিদা মেটাতে পুরো দল হিসেবে কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তবে আমি জনসাধারণকে সময় হাতে রেখে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করার বিষয়ে নজর দেয়ার অনুরোধ করছি।

উল্লেখ্য যে, তথ্যানুযায়ী ব্রিটিশ পাসপোর্ট ১৪১৪ সালে পঞ্চম হেনরি ভি এর রাজত্বের সময় ব্যবহার শুরু হয়। ১৯১৫ সালে প্রথম আধুনিক স্টাইলের ব্রিটিশ পাসপোর্ট ব্যবহারে আসে যেখানে ছবি এবং স্বাক্ষর যুক্ত করা হয়।

১৯৭২ সালে ওয়াটারমার্ক সুরক্ষা ব্যবস্থা সহ পাসপোর্ট ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। তখন থেকে নতুন সিকিউরিটি বৈশিষ্ট্য ব্রিটিশ পাসপোর্টে যুক্ত করা হয়েছে। পাসপোর্টে ওয়াটারমার্কস, হলোগ্রাম, বিস্তৃতভাবে মুদ্রিত নিদর্শন থেকে পলিকার্বোনেট পৃষ্ঠায় অন্তর্ভুক্তি হয়েছে।

প্রথম লাল রংয়ের মেশিন-রিডেবল পাসপোর্ট ১৯৮৮ সালে জারি করা হয় এবং ৩০ বছর পরে ২০২০ সালে ইইউ থেকে যুক্তরাজ্যে ব্রেক্সিটের মাধ্যমে আলাদা হয়ে গেলে আবারও স্বতন্ত্র নীল রংয়ের পাসপোর্টের ব্যবহার পুনরায় চালু হয়।

 

এম.কে
২০ জুলাই ২০২৩

Categories
বাংলাদেশ শীর্ষ খবর

বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরি নিয়ে হলিউডের তথ্যচিত্র ‘বিলিয়ন ডলার হাইস্ট’ আসছে

২০১৬ সালে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে ৮১ মিলিয়ন বা ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার অর্থ চুরির ঘটনা সারা বিশ্বে আলোড়ন ফেলেছিল। ওই বছরের আলোচিত সেই ঘটনা নিয়ে তথ্যচিত্র বা ডকুমেন্টারি বানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সাল পিকচার্স হোম এন্টারটেইনমেন্ট। আগামী ১৫ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিলিয়ন ডলার হাইস্ট’ নামের তথ্যচিত্রটি মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছে প্রযুক্তিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য ভার্জ। তবে এরই মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার তথ্যচিত্রটির ট্রেলার প্রকাশ করেছে ইউনিভার্সাল পিকচার্স হোম এন্টারটেইনমেন্ট।

দ্য ভার্জের খবরে বলা হয়েছে, একদল হ্যাকার কীভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেঙ্গে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করতে সক্ষম হয় এবং হ্যাকারদেরই সামান্য একটি ভুল টাইপের কারণে আরও ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়া থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক রক্ষা পায় সেই গল্পই দেখানো হয়েছে তথ্যচিত্রে।

তথ্যচিত্রটির পরিচালক ডেনিয়েল গর্ডন। তথ্যচিত্রটিতে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও লেখক মিশা গ্লেনির সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার বিভিন্ন দিক তুলে আনা হয়েছে। পাশাপাশি এই তথ্যচিত্রের মাধ্যমে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ঘটা সাইবার অপরাধগুলোর ধরন সম্পর্কেও একটা ধারণা পাওয়া যাবে। এ ছাড়া হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের রিজার্ভ চুরির ঘটনার পরে হ্যাকাররা তাদের কার্যক্রম কীভাবে আরও বাড়িয়ে তুলেছেন, সেটিরও বিস্তারিত ব্যবচ্ছেদ করা হয়েছে ‘বিলিয়ন ডলার হাইস্টে’।

তথ্যচিত্রটির ট্রেলারে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মিশা গ্লেনি বলেছেন, করোনা মহামারি বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র কিংবা জলবায়ু পরিবর্তন যেমন মানবতার জন্য হুমকি তৈরি করে, সমন্বিত সাইবার আক্রমণগুলোও মানবতার জন্য একই ধরনের হুমকি তৈরি করে।

২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা সুইফট পেমেন্ট পদ্ধতিতে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে রাখা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে এই বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেয়। হ্যাকারদের লক্ষ্য ছিল ১ বিলিয়ন ডলার বা ১০০ কোটি ডলার চুরি করা। কিন্তু সেটা শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। পরে বিভিন্ন সময় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার দেশে ফেরত আনা সম্ভব হয়। কিন্তু এখনো ৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এম.কে
২০ জুলাই ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

চলে যায় প্রধানমন্ত্রী থেকে যায় ল্যারি

সম্প্রতি ব্রিটেন সফরে গিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সেই উপলক্ষে ঢেলে সাজানো হয়েছিল ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের বাসভবন, অর্থাৎ কার্যালয় ১০, ডাউনিং স্ট্রিট। আলাদা আলাদা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সুনাকের কার্যালয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের। বিশেষ দায়িত্ব পেয়েছিল ল্যারিও।

ল্যারির দায়িত্ব ছিল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ইঁদুরের উৎপাত বন্ধ করা। ল্যারি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের পোষা বিড়াল। ১০, ডাউনিং স্ট্রিটের ‘চিফ মাউসার’ও বটে। অর্থাৎ, ল্যারির দায়িত্ব এলাকার ইঁদুরদের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে দূরে রাখা।

এছাড়া আরও দায়িত্ব রয়েছে ল্যারির। ডাউনিং স্ট্রিটের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, আগত অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানো এবং নিরাপত্তা প্রতিরক্ষা পরিদর্শন করার দায়িত্বও তাকে দেওয়া হয়েছে। ব্রিটেনে নির্বাচন আসে, নির্বাচন যায়। প্রধানমন্ত্রী বদলায়।

বদলায় ১০, ডাউনিং স্ট্রিটের গৃহকর্তাও। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ল্যারির রাজত্ব চলছে। ল্যারির জন্ম ২০০৭ সালে। ২০১১ সালে তাকে ‘ব্যাটারসি ডগস অ্যান্ড ক্যাটস হোম’ থেকে উদ্ধার করে ডাউনিং স্ট্রিটে নিয়ে আসা হয়। ব্রিটেনের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন এবং তার স্ত্রী সামান্থার সন্তানদের সঙ্গে খেলা করার জন্য ল্যারিকে রাখা হয়েছিল।

পরে ব্রিটিশ ক্যাবিনেট অফিসে ল্যারিকে ‘চিফ মাউসার’ পদ দেওয়া হয়। ডাউনিং স্ট্রিটের কর্মীরাই দেখাশোনা করেন এই মেজাজি বিড়ালের। ২০১১ সালের ২২ এপ্রিল ডাউনিং স্ট্রিটো প্রথম ইঁদুর শিকার করেছিল ল্যারি। এরপর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে একে একে অনেক ইঁদুর শিকার করেছে সে। ল্যারি ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। বরং তার দেখভাল করেন ডাউনিং স্ট্রিটের কর্মীরা।

এম.কে
১৯ জুলাই ২০২৩