Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

৫৩ লাখ টাকার বালিশে আরামের ঘুম

ভালো বালিশের জন্য বাড়তি টাকা খরচ করে থাকেন অনেকে। তবে বিশ্বের সবচেয়ে দামি ও উন্নত বালিশে ঘুমাতে চাইলে একজনকে খরচ করতে হবে ৫৭ হাজার ডলার বা ৫৩ লাখ টাকা।

সম্প্রতি এমন বালিশ তৈরি করে আলোড়ন তুলেছেন ডাচ ডিজাইনার ভ্যান ডার হিলস্ট। তার তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে দামি বালিশের নাম ‘টেইলরমেড পিলো’। বলা হচ্ছে, এ বালিশ যে কাউকে দিতে পারে আরামদায়ক ঘুমের নিশ্চয়তা।

দামি এই বালিশের ভেতর দেওয়া হয়েছে মিসরীয় তুলা। এর কাপড় তুত সিল্কের তৈরি। এতে ২৪ ক্যারেট সোনার আবরণ রয়েছে ও জিপারে রয়েছে ২২ ক্যারেটের একটি নীলকান্তমণি ও চারটি হীরা বলে জানায় বিশ্ব গণমাধ্যম।

এম.কে
৩১ জুলাই ২০২৩

 

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

প্রজাপতি গুনবে ব্রিটেন

ব্রিটেনজুড়ে গণনা করা হবে প্রজাপতি। গণনার জন্য ‘বিগ বাটারফ্লাই কাউন্ট’ নামে অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের বার্ষিক প্রজাপতি গণনায় বন্যপ্রাণীপ্রেমীদের যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। গণনার কাজ এ মাসের ১৪ জুলাই শুরু হয়। যা আগস্ট মাসের ৬ তারিখ পর্যন্ত চলবে। জানা যায়, পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে ব্রিটেনে উজ্জ্বল রঙের ডানাযুক্ত পোকামাকড় দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। যার কারণেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম।

দেশটিতে ১৯৭০-এর দশক থেকে প্রতি পাঁচটি প্রজাপতির প্রজাতির মধ্যে চারটি হ্রাস পেয়েছে। একটি সংরক্ষিত ‘রেড লিস্ট’ অনুসারে, দেশের ৫৮ প্রজাতির অর্ধেক হুমকির মুখে রয়েছে। ২০২১ সালের ব্রিটেন পার্লামেন্ট অনুসারে, যুক্তরাজ্য বিশ্বের অন্যতম প্রকৃতিহীন দেশ। কারণ দেশটি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার জীববৈচিত্র্যের অর্ধেক হারিয়েছে। এর পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি কৃষিতে সার ও কীটনাশকের ব্যবহারকে আংশিকভাবে দায়ী করা হয়।

জীববৈচিত্র্য বাঁচাতে ব্রিটেনে অনুষ্ঠিত হয় ‘প্রজাপতি গণনা’ বা ‘বিগ বাটারফ্লাই কাউন্ট’। যা ২০১০ সালে চালু করা হয়। যেখানে প্রজাপতি গণনার জন্য সব স্বেচ্ছাসেবককে আহ্বান জানানো হয়। স্বেচ্ছাসেবকরা একটি চার্ট ডাউনলোড করে যা বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতি শনাক্ত করতে সহায়তা করে। বিভিন্ন অনলাইন অ্যাপ ও অনলাইন টুল ব্যবহার করে বাগান, পার্ক ও অন্যত্র থেকে প্রজাপতি শনাক্তকরণ রেকর্ড করা হয়।

প্রজাপতি বাস্তুতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ এরা পরিবেশগত পরিবর্তনের সাথে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তাই এ রঙিন প্রজাতির সংরক্ষণ অতি জরুরি। বিভিন্ন প্রজাতির প্রজাপতি শনাক্ত করতে বাটারফ্লাই কনজারভেশন ও ইউকে সেন্টার ফর ইকোলজি অ্যান্ড হাইড্রোলজি একটি আইরেকর্ড বাটারফ্লাই অ্যাপস তৈরি করেছে। যুক্তরাজ্যের সরকার আগামী তিন বছরে কয়েক মিলিয়ন গাছ লাগিয়ে জীববৈচিত্র্যে ক্ষতি ও জলবায়ু পরিবর্তনকে প্রতিহত করার আহ্বান জানায়।

 

এম.কে
৩১ জুলাই ২০২৩

 

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

এক্সকে চীনা অ্যাপ উইচ্যাটের আদল দিচ্ছেন এলন মাস্ক

চীনে উইচ্যাট অ্যাপটি কেবল একটি টেক্সট ভিত্তিক অ্যাপ হিসেবে সীমাবদ্ধ নয়। বার্তা আদান প্রদান থেকে শুরু করে অর্থ পরিশোধ, পরিষেবা গ্রহণ, খাবার অর্ডার করা, বিমান বা ট্রেনের টিকিট কাটা, গাড়ি ভাড়া করাসহ একই সাথে অনেক কিছুই করা যায় এই অ্যাপের মাধ্যমে। ফলে অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। উইচ্যাটের এমন জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ হয়ে টুইটারের নতুন রূপ এক্সকে অ্যাপটির আদলে গড়তে চাইছেন এক্স প্রধান ইলন মাস্ক।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, টুইটারকে এক্সে রূপান্তরিত করার পর এখন এলন মাস্ক চাইছেন এক্সকে উইচ্যাটের মতো একটি সুপার অ্যাপে পরিণত করতে। গত বছর টুইটারের মালিকানা হাতে পাওয়ার আগেই তিনি টুইটারের কর্মীদের বলেছিলেন, টুইটার ভবিষ্যতে উইচ্যাটকে অনুসরণ করবে। তার কথায়, চীনের মানুষরা উইচ্যাটের ওপর নির্ভরশীল, আমরা এমন কিছু করতে পারলে বিশাল সফলতা আসবে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিমা বিশ্বে উইচ্যাটের মতো কোনও সুপার অ্যাপ না থাকলেও বিষয়টি পশ্চিমে এত সহজে চালু করা যাবে না। পশ্চিমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা প্রসিদ্ধ অনেক ব্র্যান্ড আছে, যেমন- ইন্টারনেট অনুসন্ধানের জন্য গুগল সার্চ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক, ই-কমার্সের ক্ষেত্রে অ্যামাজন ইত্যাদি। এইসব নামকরা ব্র্যান্ডের গ্রাহকদের অন্য কোনও অ্যাপমুখী করাটা বেশ কঠিন।

সুপার অ্যাপ উইচ্যাটের সাথে যুক্ত কিছু ছোট ছোট অ্যাপ আছে।

এছাড়া চীনের ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও উইচ্যাটের সাথে যুক্ত হয়ে ১২০ কোটি মানুষকে সেবা দিচ্ছে। এদিকে টুইটার থেকে রূপান্তরিত এক্সের ব্যবহারকারীর সংখ্যা উইচ্যাট থেকে বেশ কম। আবার অর্থ লেনদেনসহ অন্যান্য সুবিধা চালু করতে অনেক কর্মীর প্রয়োজন। কিন্তু এলন মাস্ক টুইটারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ৮০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করেছেন।

এম.কে
৩০ জুলাই ২০২৩

Categories
শীর্ষ খবর স্পোর্টস

নুহাইলা বেনজিনা বিশ্বকাপে হিজাব পরা প্রথম খেলোয়াড়

ফুটবল মাঠে হিজাব নিষিদ্ধ করেছিল ফিফা। সেই নিষেধাজ্ঞা আবার উঠিয়েও নেয় ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। মুসলিমপ্রধান বিভিন্ন দেশের নারী ফুটবলারদের হিজাব পরে খেলতে নামার দৃশ্য মাঝেমধ্যেই এখন দেখা যায় ফুটবল মাঠে। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথমবার দর্শকরা দেখল হিজাব পড়া ফুটবলারকে।

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে চলছে ফিফা নারী বিশ্বকাপ ২০২৩। ‘এইচ’ গ্রুপে দ্বিতীয় ম্যাচে রোববার মুখোমুখি হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও মরোক্কো। কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে আসরে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে মরক্কো। তবে ম্যাচের ফল ছাপিয়ে আলোচনায় মরক্কান রক্ষণভাগের ফুটবলার নুহাইলা বেনজিনা। হিজাব পরে বিশ্বকাপ খেলা প্রথম নারী ফুটবলার এখন বেনজিনা। এমনটিই জানিয়েছে বিশ্ব গণমাধ্যম।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে জার্মানির বিপক্ষে মাঠে নামলেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতেন নুহাইলা। সে ম্যাচে তাকে মাঠে নামায়নি মরক্কো। জার্মানদের কাছে বিধ্বস্ত হয় ৬-০ গোলে। আজ শুরু থেকেই একাদশে ছিলেন বেনজিনা নুহাইলা।

অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেডের হিন্দমার্শ স্টেডিয়ামে মাঠে নেমে হলেন ইতিহাসের অংশ। হিজাব পরে খেলতে চাওয়া নারীদের জন্য অনুপ্রেরণাও বটে। নারীদের বিশ্বকাপে এটিই মরক্কোর প্রথম অংশগ্রহণ। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে দেশটি পেল প্রথম জয়ের দেখা। যদিও বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম জয়ের জন্য যতটা আলোচনা হবে, তার চেয়ে বেশি হবে ২৫ বছর বয়সী বেনজিনার অসম্ভবকে সম্ভব করা ইতিহাস নিয়ে।

এম.কে
৩০ জুলাই ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

অবশেষে সপ্তম নাতনিকে স্বীকৃতি দিলেন বাইডেন

প্রথমবারের মতো নিজের সপ্তম নাতনি নেভি’র কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করে নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে এ খবর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেনের চার বছরের কন্যা সন্তান নেভি। সম্প্রতি শিশুটির অভিভাবকত্ব নিয়ে চলা মামলায় জিতেছেন হান্টার।

শুক্রবার পিপল ম্যাগাজিনকে দেয়া এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, নেভিসহ আমাদের সব নাতি-নাতনিদের জন্য যা করলে ভালো হয়, আমার স্ত্রী জিল ও আমি তা-ই চাই।

এর আগে, শিশুটিকে স্বীকৃতি না দেয়ায় রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়েন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

তবে বিবৃতিতে বাইডেন বলেছেন, নাতনির স্বীকৃতির বিষয়টি রাজনৈতিক নয়, এটি পারিবারিক বিষয়। নেভির মা লুন্ডেন রবার্টসের সঙ্গে অভিভাবকত্ব নিয়ে কাজ করছিল হান্টার। মেয়েটির ভবিষ্যৎ যাতে কোনো ধরনের নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে না পড়ে, সে কারণেই বিষয়টি মীমাংসা করতে দেরি হয়েছে।

অভিভাকত্ব পেতে শিশুটির মা মামলা করার পর ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে হান্টারকে পিতা বলে স্বীকৃতি দেন আদালত। ২০২১ সালে তিনি (হান্টার) অ্যালকোহল ও মাদকাসক্ত হয়ে পড়লে মামলাটি করেন লুন্ডেন।

নেভিসহ হান্টার বাইডেনের চারজন সন্তান রয়েছে। যার মধ্যে এক ছেলের নাম বিউ যার নাম প্রেসিডেন্টের প্রয়াত ছেলের নাম অনুসারে রাখা হয়। যিনি ২০১৫ সালে মারা যান।

এম.কে
৩০ জুলাই ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK)

চামচ নিয়ে ঋষি সুনাকের শ্বাশুড়ির মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক

ভারতের সফটওয়্যার বিলিওনিয়ার এনআর নারায়ণ মূর্তির মেয়ের স্বামী হচ্ছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। যেদিন থেকে ঋষি সুনাক প্রধানমন্ত্রী হলেন, সেদিন থেকে যেন ভারতের এই দম্পতির জীবন অনেক বেশি কড়া নজরে।

ভারতে রান্না বিষয়ক একটি জনপ্রিয় শো হচ্ছে “খানা মে কিয়া হ্যায়”, মোটাদাগে যার অর্থ লাঞ্চ বা ডিনারের জন্য কী আছে? এই অনুষ্ঠানে ৭২-বছর বয়সী সুধা মূর্তি সম্প্রতি একটি মন্তব্য করেছিলেন, তারপর থেকে তিন দিন ধরে টুইটারে ট্রেন্ড করছে তার নাম।

মূর্তি নিজেকে একজন ‘বিশুদ্ধ নিরামিষভোজী’ বলে বর্ণনা করেছিলেন যিনি ডিম পর্যন্ত খান না। তিনি আরো বলেছিলেন, যখন তিনি বিদেশ ভ্রমণে যান, তখন অনেক সময় নিজের খাবার সাথে নিয়ে যান। কারণ তার ভয় হয় যে, নিরামিষ খাবার এবং আমিষ রান্নার জন্য হয়তো “একই চামচ ব্যবহার করা হয়েছে।”

“কাজেই যখন আমি বেড়াতে যাই, আমি একটি বিশুদ্ধ নিরামিষ রেস্টুরেন্ট খুঁজি। আর আমি খাবার ভর্তি একটা আস্ত ব্যাগও নিজের সাথে রাখি। বহু দশক আগে আমার দাদা-দাদিরা যখন তাদের নিজেদের খাবার সাথে বহন করতেন, তখন আমি তাদের খেপাতাম। আমি তাদের জিজ্ঞেস করতাম, এখানে যা খাবার পাওয়া যায় সেটা কেন তোমরা খাও না। কিন্তু আমি নিজেই সেই কাজ করি,” বলছিলেন তিনি।

তার এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। আর এই মন্তব্যের পক্ষে-বিপক্ষে যেন সমান ভাগে ভাগ হয়ে গেছে মানুষ। কেউ তার সমালোচনা করছেন, কেউ তার পক্ষ নিচ্ছেন।

মূর্তি নিজেকে ‘পিওর ভেজিটেরিয়ান’ বা বিশুদ্ধ নিরামিষভোজী বলে বর্ণনা করেছেন। ভারতে অনেক নিরামিষভোজী আছেন যারা ডিম খান। কাজেই এদের থেকে নিজেদের আলাদা করতে লাখ লাখ মানুষ নিজেদের ‘বিশুদ্ধ নিরামিষভোজী’ বলে থাকেন। তবে মূর্তির এই মন্তব্যে ভারতে অনেকে বেশ ক্ষিপ্ত হয়েছেন। কারণ তারা মনে করেন ‘বিশুদ্ধ নিরামিষভোজীর’ ধারণার শেকড় আসলে প্রোথিত ভারতের হিন্দুদের বর্ণপ্রথার মধ্যে। এর মধ্য দিয়ে মূর্তি তার উচ্চ বর্ণের ব্রাহ্মণ্যবাদী সংবেদনশীলতাই প্রকাশ করেছেন।

ভারতের অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, অনেক অঞ্চলের ব্রাহ্মণরা মাংস খেতেন, এবং অনেকে এখনো খান। কিন্তু তারপরও ‘নিরামিষভোজী’ হওয়াকে ভারতে ‘বিশুদ্ধতা’র সাথে মিলিয়ে ফেলা হয়।

এম.কে
৩০ জুলাই ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

থ্রেডস ছেড়ে চলে গেছে অর্ধেকের বেশি ব্যবহারকারী

টুইটার প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসাবে আসা থ্রেডসের সাড়া জাগানো উন্মোচনের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অর্ধেকের বেশি ব্যবহারকারী অ্যাপ ছেড়ে চলে যাওয়ার পর এবার ব্যবহারকারী ‘ধরে রাখার দিকে’ মনযোগ দিচ্ছে মেটা।

বৃহস্পতিবার কর্মীদের বিষয়টি জানিয়েছেন মেটা সিইও মার্ক জাকারবার্গ। কোম্পানির নিজস্ব টাউন হল সভায় জাকারবার্গের দেওয়া বক্তব্যের একটি অডিও রেকর্ডিং প্রকাশ করেছে বিশ্ব গণমাধ্যম। এতে তিনি বলেন, টেক্সটভিত্তিক অ্যাপটির ব্যবহারকারী ধরে রাখার সক্ষমতা নির্বাহীদের প্রত্যাশার চেয়ে ভাল হলেও তা ‘একেবারে নিখুঁত’ ছিল না।

“অবশ্যই, যদি আপনার কাছে ১০ কোটির বেশি লোক সাইন আপ করে তাদের অর্ধেকও যদি এতে থেকে যান, সেটাকে দুর্দান্তই বলতে হবে।” –বলেন তিনি।

জাকারবার্গ বলেন, তিনি এই পতনকে ‘স্বাভাবিকভাবেই’ নিয়েছেন। আর তিনি আশা করেন, কোম্পানি অ্যাপে আরও ফিচার যোগ করলেই ব্যবহারকারী ধরে রাখা যাবে। এর মধ্যে রয়েছে ডেস্কটপ সংস্করণ ও সার্চ ইঞ্জিন সুবিধার বিষয়টিও।

এম.কে
২৯ জুলাই ২০২৩

Categories
আন্তর্জাতিক শীর্ষ খবর

বৈশ্বিক কর রাজস্ব ব্যবস্থায় হুমকি হয়ে উঠেছে ক্রিপ্টো

অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বড় হচ্ছে ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজার।এনক্রিপশন অ্যালগরিদমে তৈরি ডিজিটাল মুদ্রাটিতে কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা নজরদারির উপায় এখনো বের করতে পারেননি বৈশ্বিক আর্থিক খাতের হর্তাকর্তারা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলসহ (আইএমএফ) বিভিন্ন সংস্থার বিশেষজ্ঞরা এখন ক্রিপ্টোকারেন্সিকে দেখছেন বিশ্বব্যাপী কর-রাজস্ব ব্যবস্থার জন্য এক বড় ভবিষ্যৎ হুমকি হিসেবে।

এ বিষয়ে তাদের ভাষ্য হলো দ্রুত সম্প্রসারণশীল বাজার এবং লেনদেনকারীর পরিচয় গোপন রাখার সুযোগের কারণে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেনকে কোনো ধরনের কর ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না। এখনও এর ব্যবহার অনেক সীমিত। যত ব্যাপকতা পাবে, এটিকে যথাযথভাবে কর ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা ততই কঠিন হয়ে পড়বে। সেক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের কর-রাজস্ব ব্যবস্থার কার্যকারিতা ধরে রাখার পথে বড় এক হুমকি হয়ে উঠতে পারে ক্রিপ্টোকারেন্সি।

বৈশ্বিক লেনদেন ব্যবস্থায় ক্রিপ্টোকারেন্সির যাত্রা ২০০৯ সালে। প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি হিসেবে চালু হয় বিটকয়েন। এর পর থেকে এ পর্যন্ত ১০ হাজারেরও বেশি ক্রিপ্টোকারেন্সি চালু হয়েছে। যদিও এখনো ক্রিপ্টোকারেন্সির বাজারে নিজের আধিপত্য ধরে রেখেছে বিটকয়েন।

আইএমএফের নতুন এক পলিসি পেপারে এ নিয়ে বলা হয়, ক্রিপ্টোকারেন্সির ব্যবহার এখনো অনেক ব্যাপক হয়ে ওঠেনি। বিভিন্ন দেশের সরকারের উচিৎ ডিজিটাল মুদ্রাটির ব্যবহার সীমিত থাকা অবস্থায়ই এতে কর আরোপের উপায় বের করা। কর-রাজস্ব ব্যবস্থার সুরক্ষা দেয়ার পাশাপাশি এর ফাঁকফোকরগুলো কমিয়ে আনার জন্যই বিষয়টি এখন দিনে দিনে আরো অপরিহার্য পড়েছে।

এক সময় ক্রিপ্টোকারেন্সিকে দেখা হয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক আর্থিক খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এড়িয়ে এবং সরকারি নিয়ন্ত্রণ-নজরদারির বাইরে থেকে স্বাধীন লেনদেনের উপায় হিসেবে। যদিও এল সালভাদোর ও সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকের মতো কোনো কোনো দেশ এরই মধ্যে বিটকয়েনকে বৈধ মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

আইএমএফের ফিসকাল অ্যাফেয়ার্স ডিভিশনের চার বিশেষজ্ঞ সম্প্রতি এক নিবন্ধে উল্লেখ করেন, বিশ্বব্যাপী তোলপাড় তুললেও সমালোচকদের চোখে সম্পদ হিসেবে ক্রিপ্টোকারেন্সি আদতে মূল্যহীন। বরং তারা এটিকে দেখছেন অপরাধ, প্রতারণা ও জুয়ার একটি ফ্রন্ট হিসেবে। একই সঙ্গে এর বিনিময় হারের অস্থিতিশীলতাও অনেক বেশি। যেমন এক দশক আগেও বিটকয়েনের বিনিময় হার ছিল ২০০ ডলার। ২০২১ সালে তা উঠে দাঁড়ায় ৭০ হাজার ডলারের কাছাকাছি। বর্তমানে তা প্রায় ২৯ হাজার ডলার।

গত বছর দেউলিয়া হয়ে পড়ে বাহামাভিত্তিক ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ ও হেজ ফান্ড এফটিএক্স। সম্প্রতি ক্রিপ্টোকারেন্সি এক্সচেঞ্জ বাইন্যান্স ও কয়েনবেজের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ইউএস সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। এ দুই ঘটনা ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে জানিয়ে আইএমএফ বলছে, দেশে দেশে নীতিনির্ধারক মহলেও বিষয়টিতে নজরদারি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে বিষয়টিকে আইনী কাঠামোয় নিয়ে আসার দাবিও।

পরিস্থিতি যাই হোক না কেনো ক্রিপ্টো অ্যাসেটকে এখন কর ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসা প্রয়োজন বলে মনে করছেন আইএমএফের বিশেষজ্ঞরা। যদিও এক্ষেত্রে ক্রিপ্টোর শ্রেণিভুক্তিকরণের প্রশ্নটিরও সমাধান হওয়া প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন।

এম.কে
২৯ জুলাই ২০২৩

Categories
যুক্তরাজ্য (UK) শীর্ষ খবর

যুক্তরাজ্য উচ্চ আদালতের রায়ঃ শিশু আশ্রয়প্রার্থীদের হোটেলে রাখা বেআইনি

অভিভাবকহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক আশ্রয়প্রার্থীদের টানা দেড় বছর ধরে হোটেলে রাখার সিদ্ধান্ত আইন বর্হিভূত বলে রায় দিয়েছে যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট৷
সঙ্গীহীন শিশুদের আবাসন হিসেবে হোটেলের ব্যবহারকে চ্যালেঞ্জ করে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে এভরি চাইল্ড প্রোটেক্টেড অ্যাগেইনস্ট ট্রাফিকিং (ইসিপিএটি) নামের একটি শিশু অধিকার বিষয়ক সংগঠন।

তাদের দায়ের করা মামলার বিচারকাজ শেষে বৃহস্পতিবার সরকারের এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয় দেশটির হাইকোর্ট৷
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম জানায়, দাতব্য সংস্থাগুলোর মনে করে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা শিশুদের উপযুক্ত নয়৷
৫৫ পৃষ্ঠার রায়ে হাইকোর্টের বিচারক মার্টিন চেম্বারলেইন বলেছেন, এটি ‘বেআইনি’ এবং শুধু ‘বিশেষ কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে খুব অল্প সময়ের জন্য’ হোটেল ব্যবহার করা উচিত।

২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে এই প্রথাটি “সিস্টেম্যাটিক এবং রুটিনমাফিক” হয়ে গেছে বলেও উল্লেখ করেন বিচারক৷ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুয়েলা ব্র্যাভারম্যান এ বিষয়ে অনুমতি দিতে ‘‘তার ক্ষমতার যথাযথ সীমা অতিক্রম করেছেন” বলেও মন্তব্য করেন বিচারক৷

বিচারক আরো বলেন, ‘‘ স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিকল্প হিসেবে নিয়মিতভাবে হোটেল ব্যবহার করা যায় না৷ কিন্তু এটা যেন রুটিন হয়ে গিয়েছে৷ হোটেলে এভাবে তাদের রাখাটা ঠিক নয়৷’’
হাজারো আশ্রয়প্রার্থী ব্রিটেনে এসে পৌঁছাচ্ছেন, কিন্তু দেশটিতে তাদের থাকার জায়গা নেই৷ আশ্রয় আবেদন উপচে পড়ছে অফিসগুলোতে৷

যুক্তরাজ্যের অভিবাসন আইন অনুযায়ী, সব আশ্রয়প্রার্থীর আবাসন নিশ্চিত করার দায়িত্ব কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় সরকারগুলোর৷ অন্যদিকে, আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকার সময় কাজের অনুমতি দেয়া হয় না আশ্রয়প্রার্থীদের৷ ফলে, তাদের পক্ষে নিজে উদ্যোগে বাসস্থান খুঁজে নেয়াটা সম্ভব নয়৷

এর মধ্যে রয়েছে হাজারো শিশু, যারা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ছোট নৌকায় চ্যানেল পেরিয়ে এসেছে৷ তাদের অনেকের সঙ্গে নেই কোনো অভিভাবক৷
এরপর, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরিচালিত হোটেলগুলোকে রুটিনমাফিক ব্যবহার করার বিষয়টি নিয়ে একাধিক অভিযোগ ওঠে৷

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসের ১৭ জুলাই পর্যন্ত হোটেলগুলোতে ২০৮ জন শিশু আশ্রয়প্রার্থীর থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্দিষ্ট হোটেলগুলো কেন্ট, পূর্ব সাসেক্স, লন্ডন, অক্সফোর্ডশায়ার এবং ওয়ারউইকশায়ারে অবস্থিত।

এ বছরের ৩ এপ্রিল থেকে ৪৪৭ টি শিশু আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিখোঁজ হয়। বেশিরভাগই যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিখোঁজ হয়।

বিশ্ববার্তা সংস্থা জানিয়েছে, চলতি মাসে এই সংক্রান্ত শুনানির সময় জানা যায়, হোটেল থেকে ১৫৪টি শিশু এখন পর্যন্ত নিখোঁজ, যার মধ্যে একজনের বয়স ১২৷

বৃহস্পতিবার রায়ের সময় বিচারক চেম্বারলেইন বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানানো সত্ত্বেও কেন্ট কাউন্টি কাউন্সিল সঙ্গীহীন শিশু বা অপ্রাপ্তবয়স্কদের আশ্রয় দিতে এবং দেখাশোনা করতে ব্যর্থ হয়েছে৷ এটিকেও বেআইনি বলে উল্লেখ করেন তিনি৷

তিনি বলেন, ‘‘আশ্রয়প্রার্থী হিসাবে মর্যাদা রয়েছে এমন শিশুদের ছাড়া, অন্যদের সঙ্গে আলাদা আচরণ করা হয়েছে৷’’
তার দেয়া রায়টি স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে আইনি দায়িত্বগুলো মনে করিয়ে দিয়েছে৷ তার কথায়, ‘ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস’ বিচার না করে সব শিশুর দেখাশোনা করতে হবে৷

বিচারক বলেন বলেন, পরিস্থিতি সমাধানে মন্ত্রণালয় এবং কেন্টের স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে ‘‘আলোচনা করা জরুরি’’ ছিল।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘‘সঙ্গীহীন শিশুদের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বেছে নিতে যুক্তরাজ্যজুড়ে কেন্ট কাউন্টি কাউন্সিল এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষগুলো একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে৷’’

 

এম.কে
৩০ জুলাই ২০২৩

Categories
প্রবাসে বাংলাদেশ শীর্ষ খবর

কেয়ার ভিসায় ইউকেতে এসে বেকার হাজারো বাংলাদেশী

অভিবাসীদের স্বপ্নের দেশ ইংল্যান্ডে বাস্তবতা ফিকে হয়ে আসছে। কেয়ার ভিসায় বাংলাদেশ থেকে ১৫ থেকে ২০ হাজার পাউন্ড খরচ করে দেশটিতে আসছেন অনেকে। ভুয়া নিয়োগদাতারা পূর্ণকালীন কাজের কাগুজে নিশ্চয়তা দিলেও ব্রিটেনে আসার পর পূর্ণকালীন তো দূরের কথা, এক ঘণ্টাও কাজ দিতে পারছে না তারা।

লন্ডনে ঘরের ভেতরে একেকটি ডাবল রুমের গড় ভাড়া পৌঁছেছে ৯০০ পাউন্ডে। অর্থনৈতিক মন্দার কারণে দেশটির বিভিন্ন খাতে কর্মী ছাঁটাই অব্যাহত থাকায় কাজের সংকট ক্রমেই তীব্র থেকে তীব্রতর হয়ে উঠেছে। বাধ্য হয়ে ব্ল্যাক মার্কেটে সরকার নির্ধারিত মজুরির চেয়ে অর্ধেক মজুরিতে কাজ করতে চাইলেও মিলছে না কাজ। এতে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

একদিকে ওয়ার্ক পারমিটের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট নিয়োগদাতা কাজ দিতে পারছে না, এমন অভিযোগ অসংখ্য। অন্যদিকে বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসায় আসা অসংখ্য শিক্ষার্থী টাকার বিনিময়ে করানো ইউনিভার্সিটির অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়ে অনুত্তীর্ণ হচ্ছেন, অনেকের ফলাফল স্থগিত হচ্ছে। জীবিকার সংস্থান করতে নাকাল হতে হচ্ছে তাদের।

এমন বাস্তবতায় স্বপ্নের দেশ ব্রিটেনে স্বপ্নভঙ্গের দহন নিয়ে অন্তহীন দুর্ভোগে দিন কাটছে কয়েক হাজার বাংলাদেশির।

কেয়ার ভিসায় ব্রিটেনে আসা কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কেয়ার ভিসায় ব্রিটেনে আসার পর চার থেকে ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও কোম্পানিগুলো এখনও তাদের ট্রেনিংই শুরু করেনি। কোম্পানি কাজ না দিলে ভিসা বাতিলের শঙ্কায় রয়েছেন হাজারো বাংলাদেশি কেয়ার শ্রমিক।

এ বিষয়ে একজন আইন বিশেষজ্ঞ বলেন, যারা ব্রিটেনে আসছেন, তারা শুধু আসার জন্যই আসছেন। ব্রিটেনে আসা যতটা সহজ, কাজ পাওয়া তার চেয়ে দশগুণ কঠিন।

মূল নিয়োগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ না করে দালালের মাধ্যমে এলে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা শতভাগ। যেখানে একজন নিয়োগকারীর দুই-তিন জন কর্মীর দরকার, সেখানে নিয়োগকারী ১০ থেকে ১২ জন লোক এনে কাজ দিতে পারছে না। তাই কাজ না থাকায় ভিসা বাতিল হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ক পারমিটের শর্ত হলো কাজ থাকতে হবে। অনেক কোম্পানি বিপুল টাকা হাতিয়ে ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে, বন্ধ হচ্ছে। এতে প্রতারিত হচ্ছেন হাজারো মানুষ।

 

এম.কে
২৯ জুলাই ২০২৩